ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

পাকিস্তানের নাগরিকত্ব পাচ্ছে না সানিয়া-শোয়েবের ছেলে!

স্পোর্টস ডেস্ক:: শোয়েব মালিক, সানিয়া মির্জা।ইন্দো-পাক দম্পতির সন্তান জন্ম নেওয়ার পরই জল্পনা শুরু হয়ে যায় কোন দেশের নাগরিকত্ব পাবে।এরই মধ্যে চাঞ্চল্যকর খবর ছড়িয়েছে পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমে।স্থানীয় কয়েকটি উর্দু সংবাদ মাধ্যমের দাবি,চাইলেও পাকিস্তানের নাগরিকত্ব পাবে না ইজহান।

ইজহান মির্জা মালিক।ভারতীয়,নাকি পাকিস্তানি? বাবা শোয়েব মালিক অবশ্য বলেছেন,ভারতীয়ও নয় পাকিস্তানিও নয়। কিন্তু যে দেশেরই হোক, জন্মের আগেই সেলিব্রিটি ইজহান। তবে ইজহানের নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বাবা পাকিস্তানি বলে অনেকের দাবি, সানিয়ার সন্তানের উপর অধিকার পাকিস্তানের। এই নিয়ে যে কারণে গত মাসেই মুখ খুলতে হয়েছিল শোয়েবকে। ভারত বা পাকিস্তান, এসব ভাবনা মাথায় নেই। এরই মধ্যে পাক সংবাদ মাধ্যম দাবি করা শুরু করেছে চাইলেও পাকিস্তানের নাগরিকত্ব জুটবে না ইজহানের কপালে।

কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী কোনও ভারতীয় নাগরিকের সন্তানকে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব দেওয়া সম্ভব নয়।

পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এফআইএ-র সূত্রের খবর বলে দাবি করে এক পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, ইজহান সানিয়া মির্জার গর্ভজাত হওয়ায় তার জন্য পাকিস্তানের নাগরিকত্বের রাস্তা বন্ধ। কারণ শোয়েব মালিককে বিয়ে করলেও এখনও ভারতীর নাগরিকত্ব ছাড়েননি টেনিস সুন্দরী। তাছাড়া পাকিস্তানের যে উনিশটি দেশের সঙ্গে দ্বৈত-নাগরিকত্ব চুক্তি আছে সেই তালিকায় ভারতের নাম নেই। তাই সদ্যজাত ইজহান ভারত-পাকিস্তানের দ্বৈত নাগরিকও হতে পারবে না, অর্থাৎ খুদে ইজহানের জন্য পাকিস্তানের নাগরিকত্বের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ।

যদিও, এসব নিয়ে সরকারিভাবে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি কোনও শিবির। খুদে ইজহানের বাবা-মা এখনই ছেলের নাগরিকত্ব নিয়ে কোনও বিতর্ক চাইছেন না। তারা আপাতত সমস্ত বিতর্ক থেকে সন্তানকে আড়াল করারই চেষ্টা করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

পাকিস্তানের নাগরিকত্ব পাচ্ছে না সানিয়া-শোয়েবের ছেলে!

আপডেট সময় : ০৬:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮

স্পোর্টস ডেস্ক:: শোয়েব মালিক, সানিয়া মির্জা।ইন্দো-পাক দম্পতির সন্তান জন্ম নেওয়ার পরই জল্পনা শুরু হয়ে যায় কোন দেশের নাগরিকত্ব পাবে।এরই মধ্যে চাঞ্চল্যকর খবর ছড়িয়েছে পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমে।স্থানীয় কয়েকটি উর্দু সংবাদ মাধ্যমের দাবি,চাইলেও পাকিস্তানের নাগরিকত্ব পাবে না ইজহান।

ইজহান মির্জা মালিক।ভারতীয়,নাকি পাকিস্তানি? বাবা শোয়েব মালিক অবশ্য বলেছেন,ভারতীয়ও নয় পাকিস্তানিও নয়। কিন্তু যে দেশেরই হোক, জন্মের আগেই সেলিব্রিটি ইজহান। তবে ইজহানের নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বাবা পাকিস্তানি বলে অনেকের দাবি, সানিয়ার সন্তানের উপর অধিকার পাকিস্তানের। এই নিয়ে যে কারণে গত মাসেই মুখ খুলতে হয়েছিল শোয়েবকে। ভারত বা পাকিস্তান, এসব ভাবনা মাথায় নেই। এরই মধ্যে পাক সংবাদ মাধ্যম দাবি করা শুরু করেছে চাইলেও পাকিস্তানের নাগরিকত্ব জুটবে না ইজহানের কপালে।

কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী কোনও ভারতীয় নাগরিকের সন্তানকে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব দেওয়া সম্ভব নয়।

পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এফআইএ-র সূত্রের খবর বলে দাবি করে এক পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, ইজহান সানিয়া মির্জার গর্ভজাত হওয়ায় তার জন্য পাকিস্তানের নাগরিকত্বের রাস্তা বন্ধ। কারণ শোয়েব মালিককে বিয়ে করলেও এখনও ভারতীর নাগরিকত্ব ছাড়েননি টেনিস সুন্দরী। তাছাড়া পাকিস্তানের যে উনিশটি দেশের সঙ্গে দ্বৈত-নাগরিকত্ব চুক্তি আছে সেই তালিকায় ভারতের নাম নেই। তাই সদ্যজাত ইজহান ভারত-পাকিস্তানের দ্বৈত নাগরিকও হতে পারবে না, অর্থাৎ খুদে ইজহানের জন্য পাকিস্তানের নাগরিকত্বের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ।

যদিও, এসব নিয়ে সরকারিভাবে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি কোনও শিবির। খুদে ইজহানের বাবা-মা এখনই ছেলের নাগরিকত্ব নিয়ে কোনও বিতর্ক চাইছেন না। তারা আপাতত সমস্ত বিতর্ক থেকে সন্তানকে আড়াল করারই চেষ্টা করছেন।