ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

করাচিকে বিদায় করে ফাইনালে আফ্রিদির পেশোয়ার

স্পোর্টস ডেস্ক:: পাকিস্তানের সুপার লিগের (পিএসএল) তৃতীয় কোয়ালিফায়িং ম্যাচে করাচি কিংসকে ২৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেলো আফ্রিদির দল পেশোয়ার জালমি। ফাইনালে পেশোয়ার জালমির প্রতিপক্ষ কোয়েটা গ্লাডিয়েটরস।

পেশোয়ার জালমির বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে ১৫৭ রানেই থেমে যেতে হয় করাচি কিংসকে। ফলে শেষ পর্যন্ত ২৪ রানে হেরে পিএসএল থেকে বিদায় নিলো করাচি কিংস।

ছিল ১৮২ রানের বিশাল লক্ষ্য। করাচি কিংসের ব্যাটিং লাইনআপের দিকে তাকালে এই রান অনায়াসেই পার হয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু ক্রিস গেইল, সাঙ্গাকারা, রবি বোপারা, কিয়েরণ পোলার্ডরা হলেন ব্যর্থ।

৫ মার্চ লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে পিএসএলের ফাইনাল। পেশোয়ার জালমির প্রতিপক্ষ হতে আগে থেকেই ফাইনালে উঠে বসে আছে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। প্রথম কোয়ালিফায়ারে পেশোয়ারকে হারিয়েই ফাইনাল নিশ্চিত করেছিলো কোয়েটা।

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ১৮২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই বাবর আজমের উইকেট হারায় করাচি। অন্যপ্রান্তে ক্রিস গেইল থাকলেও তিনি ছিলেন স্বভাববিরুদ্ধ। অর্থাৎ টিকে থেকে বল ব্যায় করছেন; কিন্তু রান করতে পারছিলেন না। ৩১ বলে ৪০ রান করে আউট হন তিনি। ২টি বাউন্ডারি মারলেও ছক্কা মেরেছেন ৪টি।

১৩ বলে ১৫ রান করে আউট হয়ে যান সাঙ্গাকারা। শোয়েব মালিক আউট হল শূন্য রানে। রবি বোপারার ব্যাট থেকে এলো ১১ বলে ৬ রান। মিডল অর্ডারে মাঠে নেমে কিয়েরণ পোলার্ডই যা একটু চেষ্টা করেছিলেন। ২৬ বলে করেছিলেন ৪৭ রান; কিন্তু তার চেষ্টা বৃথা গেলো ওয়াহাব রিয়াজের বলে কামরান আকমলের হাতে ক্যাচ দেয়ার পর।

ইমাদ ওয়াসিম ১৯ বলে ২৪ রান করে আউট হয়ে যান। শেষ দিকে সোহেল খান আর মোহাম্মদ আমির অপরাজিত ছিলেন যথাক্রমে ৪ ও ৮ রানে; কিন্তু লাভ হয়নি। কারণ, ততক্ষণে ওভার শেষ। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে করাচির সংগ্রহ দাঁড়ালো ১৫৭ রান। ক্রিস জর্ডান আর ওয়াহাব রিয়াজ নেন ৩টি করে উইকেট। মোহাম্মদ হাফিজ নেন বাকি উইকেটটি।

তার আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কামরান আকমলের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তোলে পেশোয়ার জালমি। ৬৫ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ৭টি ছক্কায় ১০৪ রান করে আউট হন কামরান আকমল। ২২ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন মারলন স্যামুয়েলস। ৩১ বলে ৩৬ রান করেন ডেভিড মালান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পেশোয়ার জালমি ইনিংস: ১৮১/৩ (২০ ওভার)

(কামরান আকমল ১০৪, ডাউইড মালান ৩৬, মারলন স্যামুয়েলস ৩৭*, শহীদ আফ্রিদি ০, ড্যারেন স্যামি ০*; মোহাম্মদ আমির ১/৩১, সোহেল খান ১/৩২)

করাচি কিংস ইনিংস: ১৫৭/৭ (২০ ওভার)

(বাবর আজম ১, ক্রিস গেইল ৪০, কুমার সাঙ্গাকারা ১৫, শোয়েব মালিক ০, রবি বোপারা ৬, কাইরন পোলার্ড ৪৭, ইমাদ ওয়াসিম ২৪, সোহেল খান ৪*, মোহাম্মদ আমির ৮*; ক্রিস জর্ডান ৩/২৬, ওয়াহাব রিয়াজ ৩/২৪, মোহাম্মদ হাফিজ ১/১৬)

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

করাচিকে বিদায় করে ফাইনালে আফ্রিদির পেশোয়ার

আপডেট সময় : ০১:১১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মার্চ ২০১৭

স্পোর্টস ডেস্ক:: পাকিস্তানের সুপার লিগের (পিএসএল) তৃতীয় কোয়ালিফায়িং ম্যাচে করাচি কিংসকে ২৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেলো আফ্রিদির দল পেশোয়ার জালমি। ফাইনালে পেশোয়ার জালমির প্রতিপক্ষ কোয়েটা গ্লাডিয়েটরস।

পেশোয়ার জালমির বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে ১৫৭ রানেই থেমে যেতে হয় করাচি কিংসকে। ফলে শেষ পর্যন্ত ২৪ রানে হেরে পিএসএল থেকে বিদায় নিলো করাচি কিংস।

ছিল ১৮২ রানের বিশাল লক্ষ্য। করাচি কিংসের ব্যাটিং লাইনআপের দিকে তাকালে এই রান অনায়াসেই পার হয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু ক্রিস গেইল, সাঙ্গাকারা, রবি বোপারা, কিয়েরণ পোলার্ডরা হলেন ব্যর্থ।

৫ মার্চ লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে পিএসএলের ফাইনাল। পেশোয়ার জালমির প্রতিপক্ষ হতে আগে থেকেই ফাইনালে উঠে বসে আছে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। প্রথম কোয়ালিফায়ারে পেশোয়ারকে হারিয়েই ফাইনাল নিশ্চিত করেছিলো কোয়েটা।

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ১৮২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই বাবর আজমের উইকেট হারায় করাচি। অন্যপ্রান্তে ক্রিস গেইল থাকলেও তিনি ছিলেন স্বভাববিরুদ্ধ। অর্থাৎ টিকে থেকে বল ব্যায় করছেন; কিন্তু রান করতে পারছিলেন না। ৩১ বলে ৪০ রান করে আউট হন তিনি। ২টি বাউন্ডারি মারলেও ছক্কা মেরেছেন ৪টি।

১৩ বলে ১৫ রান করে আউট হয়ে যান সাঙ্গাকারা। শোয়েব মালিক আউট হল শূন্য রানে। রবি বোপারার ব্যাট থেকে এলো ১১ বলে ৬ রান। মিডল অর্ডারে মাঠে নেমে কিয়েরণ পোলার্ডই যা একটু চেষ্টা করেছিলেন। ২৬ বলে করেছিলেন ৪৭ রান; কিন্তু তার চেষ্টা বৃথা গেলো ওয়াহাব রিয়াজের বলে কামরান আকমলের হাতে ক্যাচ দেয়ার পর।

ইমাদ ওয়াসিম ১৯ বলে ২৪ রান করে আউট হয়ে যান। শেষ দিকে সোহেল খান আর মোহাম্মদ আমির অপরাজিত ছিলেন যথাক্রমে ৪ ও ৮ রানে; কিন্তু লাভ হয়নি। কারণ, ততক্ষণে ওভার শেষ। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে করাচির সংগ্রহ দাঁড়ালো ১৫৭ রান। ক্রিস জর্ডান আর ওয়াহাব রিয়াজ নেন ৩টি করে উইকেট। মোহাম্মদ হাফিজ নেন বাকি উইকেটটি।

তার আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কামরান আকমলের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তোলে পেশোয়ার জালমি। ৬৫ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ৭টি ছক্কায় ১০৪ রান করে আউট হন কামরান আকমল। ২২ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন মারলন স্যামুয়েলস। ৩১ বলে ৩৬ রান করেন ডেভিড মালান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পেশোয়ার জালমি ইনিংস: ১৮১/৩ (২০ ওভার)

(কামরান আকমল ১০৪, ডাউইড মালান ৩৬, মারলন স্যামুয়েলস ৩৭*, শহীদ আফ্রিদি ০, ড্যারেন স্যামি ০*; মোহাম্মদ আমির ১/৩১, সোহেল খান ১/৩২)

করাচি কিংস ইনিংস: ১৫৭/৭ (২০ ওভার)

(বাবর আজম ১, ক্রিস গেইল ৪০, কুমার সাঙ্গাকারা ১৫, শোয়েব মালিক ০, রবি বোপারা ৬, কাইরন পোলার্ড ৪৭, ইমাদ ওয়াসিম ২৪, সোহেল খান ৪*, মোহাম্মদ আমির ৮*; ক্রিস জর্ডান ৩/২৬, ওয়াহাব রিয়াজ ৩/২৪, মোহাম্মদ হাফিজ ১/১৬)