ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

আরাফাত সানির রিমান্ড-জামিন উভয় নাকচ


নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় জাতীয় দলের ক্রিকেটার আরাফাত সানির রিমান্ড ও জামিন উভয় আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী এই আদেশ দেন।

সানির আইনজীবী মুরাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় সানিকে আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ। রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত রিমান্ড ও জামিন উভয় আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি আরাফাত সানি ও তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন তাঁর স্ত্রী বলে দাবি করা এক তরুণী। আদালত তরুণীর জবানবন্দি রেকর্ড করে তাঁর অভিযোগ এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন। ঢাকার ৪ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন ওই তরুণী।

গত ৫ জানুয়ারি আরাফাত সানির বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করেছিলেন এই তরুণী। পরে তিনি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে ২০ জানুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আরেকটি মামলা করেন। আদালত নালিশি এই মামলা আমলে নিয়ে আরাফাত সানির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। আগামী ৫ এপ্রিল সমন জারিসংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ওই তরুণীর আইনজীবী কামাল উদ্দিন আহমেদের ভাষ্য, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর তাঁর মক্কেলের সঙ্গে আরাফাত সানির বিয়ে হয়। দেনমোহর ছিল পাঁচ লাখ টাকা। বিয়ের পর মিরপুরের একটি বাসায় তাঁরা সংসার করেন। কিন্তু ছয় মাস পর মা নারগিস আক্তারের পরামর্শে সানি ওই তরুণীর কাছে ২০১৫ সালের ১৫ জুলাই ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। তখন ওই টাকা না দিলে তাঁকে সংসার করতে দেবেন না বলে হুমকি দেন নারগিস আক্তার। তিনি আরও বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই তরুণীর চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম

আরাফাত সানির রিমান্ড-জামিন উভয় নাকচ

আপডেট সময় : ০৬:০০:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় জাতীয় দলের ক্রিকেটার আরাফাত সানির রিমান্ড ও জামিন উভয় আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী এই আদেশ দেন।

সানির আইনজীবী মুরাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় সানিকে আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ। রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত রিমান্ড ও জামিন উভয় আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি আরাফাত সানি ও তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন তাঁর স্ত্রী বলে দাবি করা এক তরুণী। আদালত তরুণীর জবানবন্দি রেকর্ড করে তাঁর অভিযোগ এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন। ঢাকার ৪ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন ওই তরুণী।

গত ৫ জানুয়ারি আরাফাত সানির বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করেছিলেন এই তরুণী। পরে তিনি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে ২০ জানুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আরেকটি মামলা করেন। আদালত নালিশি এই মামলা আমলে নিয়ে আরাফাত সানির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। আগামী ৫ এপ্রিল সমন জারিসংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ওই তরুণীর আইনজীবী কামাল উদ্দিন আহমেদের ভাষ্য, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর তাঁর মক্কেলের সঙ্গে আরাফাত সানির বিয়ে হয়। দেনমোহর ছিল পাঁচ লাখ টাকা। বিয়ের পর মিরপুরের একটি বাসায় তাঁরা সংসার করেন। কিন্তু ছয় মাস পর মা নারগিস আক্তারের পরামর্শে সানি ওই তরুণীর কাছে ২০১৫ সালের ১৫ জুলাই ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। তখন ওই টাকা না দিলে তাঁকে সংসার করতে দেবেন না বলে হুমকি দেন নারগিস আক্তার। তিনি আরও বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই তরুণীর চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।