ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

সুপ্রিমকোর্ট ও জাতীয় ঈদগাহের পাশ থেকে মূর্তি অপসারণের দাবি বাংলাদেশী মুসলীমস ইউকের


সুপ্রিমকোর্ট ও জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের পাশ থেকে ‘গ্রিক দেবীর মূর্তি’ স্থাপনের প্রতিবাদ ও অপসারণের দাবি করেছেন, বাংলাদেশী মুসলীমস ইউকের নেতৃবৃন্দ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ বাংলাদেশী মুসলীমস ইউকে লন্ডন ইসলামী স্কুল এর সেন্টারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক মুসলমান, সুপ্রিম কোর্টে সম্প্রতি ন্যায় বিচারের প্রতীক হিসেবে গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপনে এ দেশের জনগণের ঈমানে আঘাত করা হয়েছে।
সুপ্রিমকোর্টে মূর্তি স্থাপন সংবিধানের ১২ ও ২৩ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ১৯৪৮ ইং সালে এই কোর্টে স্থাপিত হয় ন্যায় বিচারের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’।
এরপর থেকে আজ পর্যন্ত কেউ এর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করেনি। হঠাৎ করে দাঁড়িপাল্লার জায়গায় গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপন কেন?
নেতৃবৃন্দ বলেন, অবিলম্বে এই তথাকথিত গ্রীক দেবীর মুর্তি অপসারন করুন। অন্যথায় বাংলার আপামর মুসলমান জেগে উঠবে। মুর্তি স্থাপনের আগেই সরকারের ভাবা উচিত ছিল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পাশেই রয়েছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান। যেখানে রাষ্ট্রপতি সহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সহ লক্ষ লক্ষ মানুষ একই জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদগাহ থেকেই চোখে পড়বে গ্রিক দেবীর মূর্তি, যা একত্ববাদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
বাংলাদেশী মুসলিমস ইউকের সভাপতি শায়খ মাওদুদ হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল হাই খানের পরিচালনায় আলোচনা পেশ করেন, বাংলাদেশী মুসলীমস ইউকের মাজলিসে কিয়াদাতের সদস্য শায়েখ তুহুর উদ্দীন, শায়খ হাফিজ শামছুল হক, শায়খ হাফিজ শফিকুর রাহমান, অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ, মাওলানা মুমিনুল ইসলাম ফারুকী, মাওলানা সাদিকুর রাহমান, মজলিসে আমেলার সদস্য মাওলানা আব্দুল মুনিম চৌধুরী, মাওলানা হাফিজ হুসাইন আহমাদ প্রমুখ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

সুপ্রিমকোর্ট ও জাতীয় ঈদগাহের পাশ থেকে মূর্তি অপসারণের দাবি বাংলাদেশী মুসলীমস ইউকের

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০১৭


সুপ্রিমকোর্ট ও জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের পাশ থেকে ‘গ্রিক দেবীর মূর্তি’ স্থাপনের প্রতিবাদ ও অপসারণের দাবি করেছেন, বাংলাদেশী মুসলীমস ইউকের নেতৃবৃন্দ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ বাংলাদেশী মুসলীমস ইউকে লন্ডন ইসলামী স্কুল এর সেন্টারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক মুসলমান, সুপ্রিম কোর্টে সম্প্রতি ন্যায় বিচারের প্রতীক হিসেবে গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপনে এ দেশের জনগণের ঈমানে আঘাত করা হয়েছে।
সুপ্রিমকোর্টে মূর্তি স্থাপন সংবিধানের ১২ ও ২৩ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ১৯৪৮ ইং সালে এই কোর্টে স্থাপিত হয় ন্যায় বিচারের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’।
এরপর থেকে আজ পর্যন্ত কেউ এর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করেনি। হঠাৎ করে দাঁড়িপাল্লার জায়গায় গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপন কেন?
নেতৃবৃন্দ বলেন, অবিলম্বে এই তথাকথিত গ্রীক দেবীর মুর্তি অপসারন করুন। অন্যথায় বাংলার আপামর মুসলমান জেগে উঠবে। মুর্তি স্থাপনের আগেই সরকারের ভাবা উচিত ছিল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পাশেই রয়েছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান। যেখানে রাষ্ট্রপতি সহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সহ লক্ষ লক্ষ মানুষ একই জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদগাহ থেকেই চোখে পড়বে গ্রিক দেবীর মূর্তি, যা একত্ববাদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
বাংলাদেশী মুসলিমস ইউকের সভাপতি শায়খ মাওদুদ হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল হাই খানের পরিচালনায় আলোচনা পেশ করেন, বাংলাদেশী মুসলীমস ইউকের মাজলিসে কিয়াদাতের সদস্য শায়েখ তুহুর উদ্দীন, শায়খ হাফিজ শামছুল হক, শায়খ হাফিজ শফিকুর রাহমান, অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ, মাওলানা মুমিনুল ইসলাম ফারুকী, মাওলানা সাদিকুর রাহমান, মজলিসে আমেলার সদস্য মাওলানা আব্দুল মুনিম চৌধুরী, মাওলানা হাফিজ হুসাইন আহমাদ প্রমুখ।