ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

সিলেটে একজনের অপরাধে অন্যজনের সাজা : সিদ্ধান্ত নেয়া হবে আগামীকাল

নিউজ ডেস্ক:
সিলেটে হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামীর বদলে অন্য একজন শাস্তি ভোগ করার ব্যাপারে তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আগামীকাল (রোববার) সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট জেলা ও দায়রা জজ মনির আহমেদ পাটোয়ারী।
আজ (শনিবার) সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের দায়ী করা হয়েছে তাদের ছাড়া পাওয়ার কোন সুযোগ নেই তবে কোন নিরপরাধী যাতে সাজা না পায় সেদিকেও খেয়াল রাখা হবে।
সিলেট কারাগারে ইকবাল হোসেন বকুল নামের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামীর পরিবর্তে রিপন আহমদ ভূট্টো নামের আরেক ব্যক্তি সাজা খাটার ঘটনা মিডিয়ায় উঠে আসলে এ নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।
সাজাভোগের ১৪ মাস পর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুল হান্নানকে প্রধান করে দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা ও দায়রা জজ মনির আহমেদ পাটোয়ারী। মঙ্গলবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি ।
প্রতিবেদন হাতে পেয়ে শনিবার কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা ও দায়রা জজ। তার সাথে ছিলেন চীফ জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কাজী আব্দুল হান্নান।
কারা ফটকে জেলা ও দায়রা জজ বলেন, তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ভুট্টোর বিষয়ে আগামীকাল সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই ঘটনার সাথে যে বা যারা জড়িত ছিলেন তারা কেউ রক্ষা পাবেন না। আদালত চায় না কোন নিরপরাধ কারাগারে যাক। তাছাড়া একজনের বদলে অন্যজন সাজা কাটবে এমন কোন সিস্টেমও নেই। এমনকি কেউ ইচ্ছা করলেও তা করতে পারবে না। এই ঘটনায় যারা প্ররোচনা দিয়েছেন তাদেরকেও রেহাই দেয়া হবে না বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত; রিপন আহমদ ভুট্টো ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী ইকবাল হোসেন বকুল হয়ে আদালতে হাজিরা দিলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়। এরপর থেকেই তিনি কারান্তরিণ রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

সিলেটে একজনের অপরাধে অন্যজনের সাজা : সিদ্ধান্ত নেয়া হবে আগামীকাল

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:
সিলেটে হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামীর বদলে অন্য একজন শাস্তি ভোগ করার ব্যাপারে তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আগামীকাল (রোববার) সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট জেলা ও দায়রা জজ মনির আহমেদ পাটোয়ারী।
আজ (শনিবার) সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের দায়ী করা হয়েছে তাদের ছাড়া পাওয়ার কোন সুযোগ নেই তবে কোন নিরপরাধী যাতে সাজা না পায় সেদিকেও খেয়াল রাখা হবে।
সিলেট কারাগারে ইকবাল হোসেন বকুল নামের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামীর পরিবর্তে রিপন আহমদ ভূট্টো নামের আরেক ব্যক্তি সাজা খাটার ঘটনা মিডিয়ায় উঠে আসলে এ নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।
সাজাভোগের ১৪ মাস পর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুল হান্নানকে প্রধান করে দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা ও দায়রা জজ মনির আহমেদ পাটোয়ারী। মঙ্গলবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি ।
প্রতিবেদন হাতে পেয়ে শনিবার কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা ও দায়রা জজ। তার সাথে ছিলেন চীফ জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কাজী আব্দুল হান্নান।
কারা ফটকে জেলা ও দায়রা জজ বলেন, তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ভুট্টোর বিষয়ে আগামীকাল সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই ঘটনার সাথে যে বা যারা জড়িত ছিলেন তারা কেউ রক্ষা পাবেন না। আদালত চায় না কোন নিরপরাধ কারাগারে যাক। তাছাড়া একজনের বদলে অন্যজন সাজা কাটবে এমন কোন সিস্টেমও নেই। এমনকি কেউ ইচ্ছা করলেও তা করতে পারবে না। এই ঘটনায় যারা প্ররোচনা দিয়েছেন তাদেরকেও রেহাই দেয়া হবে না বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত; রিপন আহমদ ভুট্টো ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী ইকবাল হোসেন বকুল হয়ে আদালতে হাজিরা দিলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়। এরপর থেকেই তিনি কারান্তরিণ রয়েছেন।