ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

বড় লিডের পথে জিম্বাবুয়ে

স্পোর্টস ডেস্ক:: দেড়শ রানের মধ্যে জিম্বাবুয়েকে আটকানোর লক্ষ্য বাংলাদেশের! ৪৭ রানে প্রতিপক্ষের টপঅর্ডারের দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে সেই টার্গেট পূরণে কিছুটা এগিয়ে গিয়েছিলেন স্বাগতিকরা। যেভাবে স্পিন টার্ন করছিল, তাতে মনে হচ্ছিল তা সম্ভব।

কিন্তু বিধিবাম! সেই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও শন উইলিয়ামস। শক্ত হাতে দলের হাল ধরেছেন তারা। তাদের ব্যাটে প্রথম সেশন শেষে সুবিধাজনক অবস্থানে সফরকারীরা। ইতিমধ্যে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ৯১ রান করেছেন তারা। এতে রোডেশিয়ানদের লিড দাঁড়িয়েছে ২৩০ রান। ৩৯ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন মাসাকাদজা। ১৬ রান নিয়ে তার সঙ্গী ইনফর্ম শন উইলিয়ামস। এ লিডকে যথাসম্ভব বড় করার চেষ্টায় তারা।

দ্বিতীয় দিনের ১ রান নিয়ে তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ১ এবং ব্রায়ান চারি শূন্য রান নিয়ে খেলা শুরু করেন। সঙ্গে থাকে ১৪০ রানের লিডের আত্মবিশ্বাস। যত দ্রুত সম্ভব জিম্বাবুয়েকে অলআউট করার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটি ভাঙতে আপ্রাণ চেষ্টা চালান টাইগাররা। একটু বিলম্বে হলেও সাফল্য পান তারা। ব্রায়ান চারিকে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে ফেরত পাঠান মেহেদী হাসান মিরাজ।

দলীয় ১৯ রানেই প্রথম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। কিন্তু তা আমলে না নিয়ে নেমেই স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছোটাতে থাকেন ব্রেন্ডন টেইলর। অতি রোমাঞ্চপ্রিয়তার খেসারতও দিতে হয় তাকে। মায়াবি ঘাতক তাইজুল ইসলামের শিকারে পরিণত হন তিনি। তবে এতে বোলারের যতটা না কৃতিত্ব তার চেয়েও বেশি ফিল্ডারের। দুর্দান্ত ক্যাচে অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানকে ফেরান ইমরুল কায়েস। মিড অফ থেকে অনেকটা দৌড়ে, পুরোটা সময় বলের দিকে চোখ রেখে দুহাতে দারুণ ক্যাচ নেন তিনি।

প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ের ২৮২ রানের জবাবে ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রতিরোধ গড়তে পারেননি কোনো টাইগার ব্যাটসম্যানই। ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে সর্বোচ্চ ৪১* রান করেন অভিষিক্ত আরিফুল হক। এছাড়া মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান।

দ্বিতীয় দিনে জিম্বাবুয়ে বোলারদের কোনোভাবেই পড়তে পারেননি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা। টেন্ডাই চাতারা ও কাইল জার্ভিসের পেস এবং সিকান্দার রাজার স্পিনে নাকাল হন তারা। চাতারা ও রাজা নেন ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট শিকার করেন জার্ভিস। পরে ব্যাট করতেও নামেন সফরকারীরা। তারা ১ রান তুলতেই দিনের খেলা শেষ হয়। এতে ১৪০ রানের লিড নিয়ে মাঠ ছাড়েন মাসাকাদজা বাহিনী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

বড় লিডের পথে জিম্বাবুয়ে

আপডেট সময় : ১২:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮

স্পোর্টস ডেস্ক:: দেড়শ রানের মধ্যে জিম্বাবুয়েকে আটকানোর লক্ষ্য বাংলাদেশের! ৪৭ রানে প্রতিপক্ষের টপঅর্ডারের দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে সেই টার্গেট পূরণে কিছুটা এগিয়ে গিয়েছিলেন স্বাগতিকরা। যেভাবে স্পিন টার্ন করছিল, তাতে মনে হচ্ছিল তা সম্ভব।

কিন্তু বিধিবাম! সেই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও শন উইলিয়ামস। শক্ত হাতে দলের হাল ধরেছেন তারা। তাদের ব্যাটে প্রথম সেশন শেষে সুবিধাজনক অবস্থানে সফরকারীরা। ইতিমধ্যে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ৯১ রান করেছেন তারা। এতে রোডেশিয়ানদের লিড দাঁড়িয়েছে ২৩০ রান। ৩৯ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন মাসাকাদজা। ১৬ রান নিয়ে তার সঙ্গী ইনফর্ম শন উইলিয়ামস। এ লিডকে যথাসম্ভব বড় করার চেষ্টায় তারা।

দ্বিতীয় দিনের ১ রান নিয়ে তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ১ এবং ব্রায়ান চারি শূন্য রান নিয়ে খেলা শুরু করেন। সঙ্গে থাকে ১৪০ রানের লিডের আত্মবিশ্বাস। যত দ্রুত সম্ভব জিম্বাবুয়েকে অলআউট করার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটি ভাঙতে আপ্রাণ চেষ্টা চালান টাইগাররা। একটু বিলম্বে হলেও সাফল্য পান তারা। ব্রায়ান চারিকে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে ফেরত পাঠান মেহেদী হাসান মিরাজ।

দলীয় ১৯ রানেই প্রথম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। কিন্তু তা আমলে না নিয়ে নেমেই স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছোটাতে থাকেন ব্রেন্ডন টেইলর। অতি রোমাঞ্চপ্রিয়তার খেসারতও দিতে হয় তাকে। মায়াবি ঘাতক তাইজুল ইসলামের শিকারে পরিণত হন তিনি। তবে এতে বোলারের যতটা না কৃতিত্ব তার চেয়েও বেশি ফিল্ডারের। দুর্দান্ত ক্যাচে অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানকে ফেরান ইমরুল কায়েস। মিড অফ থেকে অনেকটা দৌড়ে, পুরোটা সময় বলের দিকে চোখ রেখে দুহাতে দারুণ ক্যাচ নেন তিনি।

প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ের ২৮২ রানের জবাবে ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রতিরোধ গড়তে পারেননি কোনো টাইগার ব্যাটসম্যানই। ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে সর্বোচ্চ ৪১* রান করেন অভিষিক্ত আরিফুল হক। এছাড়া মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান।

দ্বিতীয় দিনে জিম্বাবুয়ে বোলারদের কোনোভাবেই পড়তে পারেননি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা। টেন্ডাই চাতারা ও কাইল জার্ভিসের পেস এবং সিকান্দার রাজার স্পিনে নাকাল হন তারা। চাতারা ও রাজা নেন ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট শিকার করেন জার্ভিস। পরে ব্যাট করতেও নামেন সফরকারীরা। তারা ১ রান তুলতেই দিনের খেলা শেষ হয়। এতে ১৪০ রানের লিড নিয়ে মাঠ ছাড়েন মাসাকাদজা বাহিনী।