ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

“বিশ্বনাথে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ”

“বিশ্বনাথে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ”

নিজস্ব সংবাদদাতা:: বিশ্বনাথে সরকারি গোপাট রকম সরকারি ভূমিতে অবৈধভাবে নির্মানকৃত প্রায়র দুইশত ফুট পাঁকা দেয়াল ও বসতঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের চানপুর গ্রামে অবৈধ স্থাপনাগুলোতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিলেটের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট মুফতাফিজুর রহমান। এসময় বিশ্বনাথ থানার ওসি মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। এতে প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক অংশগ্রহন করে। এরআগে বিশ্বনাথে এত শ্রমিক দিয়ে কোনো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান হতে দেখা যায়নি।
এরফলে দীর্ঘদিন পর ব্যক্তির রাহুগ্রাস থেকে রক্ষা পেল সরকারের কয়েক কোটি টাকার সম্পদ। এ নিয়ে জনমনে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের এই মহতি উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
জানাগেছে, গত কয়েক বছর পূর্বে বিশ্বনাথ উপজেলার ৫নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চানপুর গ্রামস্থ মাটিজোড়া নদী সংলগ্ন ভূমিতে দৌলতপুর ইউনিয়নের দশপাইকা মৌজার ৫৪ নং জে.এল এর ১ নং খতিয়ানের ১৮৫, ২১৬ এবং ২১৮ নং দাগের প্রায় ৮৬ শতক সরকারী জায়গার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভূমি একই গ্রামের মজম্মিল আলী, আলতাব হোসেন, ছোয়াব আলী, সেলিম আহমদ, সায়েক আলী, রাশিদ আলী ও তজম্মুল আলী প্রাচীর দিয়ে তাদের বাড়ীর সীমানার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে ঘর-দোয়ার নির্মান করে ভোগ দখল করে আসছিল। এতে বিষয়টি এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট রামপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জানালে এরই প্রেক্ষিতে রামপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা নির্মল পাল চৌধুরী গত ১৭-০৮-২০১৫ তারিখে উপরোক্ত ব্যক্তিদের নোটিশ দেন উক্ত ভূমিতে মাটি ভরাট কিংবা সীমানা প্রাচীর, নির্মান না করতে। কিন্তু অভিযুক্তরা আইনের তোয়াক্কা না করে মাটি ভরাট ও প্রাচীর নির্মান করে ফেলে। এ কারণে তাদের বিরেিদ্ব সরকারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং ০১ (২০১৬ইং)। মামলার প্রেক্ষিতে সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামে অবৈধ স্থাপনাগুলোতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রশাসনের এই মহতি উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। তাদের প্রত্যাশা এরফলে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে বাসিয়া নদী দু-পাড়ে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনাসহ বিশ্বনাথে অবৈধ ভাবে নির্মিত সকল স্থাপনা উচ্ছেদ হবে।
নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট মুফতাফিজুর রহমান উচ্ছেদ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মোতাবেক সরকারি ভূমির ওপর নির্মিত অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা সরিয়ে নিতে মালিকদের নোটিশ দিলেও তারা শোনেননি বলে তিনি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

“বিশ্বনাথে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ”

আপডেট সময় : ০৮:০১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

“বিশ্বনাথে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ”

নিজস্ব সংবাদদাতা:: বিশ্বনাথে সরকারি গোপাট রকম সরকারি ভূমিতে অবৈধভাবে নির্মানকৃত প্রায়র দুইশত ফুট পাঁকা দেয়াল ও বসতঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের চানপুর গ্রামে অবৈধ স্থাপনাগুলোতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিলেটের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট মুফতাফিজুর রহমান। এসময় বিশ্বনাথ থানার ওসি মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। এতে প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক অংশগ্রহন করে। এরআগে বিশ্বনাথে এত শ্রমিক দিয়ে কোনো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান হতে দেখা যায়নি।
এরফলে দীর্ঘদিন পর ব্যক্তির রাহুগ্রাস থেকে রক্ষা পেল সরকারের কয়েক কোটি টাকার সম্পদ। এ নিয়ে জনমনে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের এই মহতি উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
জানাগেছে, গত কয়েক বছর পূর্বে বিশ্বনাথ উপজেলার ৫নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চানপুর গ্রামস্থ মাটিজোড়া নদী সংলগ্ন ভূমিতে দৌলতপুর ইউনিয়নের দশপাইকা মৌজার ৫৪ নং জে.এল এর ১ নং খতিয়ানের ১৮৫, ২১৬ এবং ২১৮ নং দাগের প্রায় ৮৬ শতক সরকারী জায়গার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভূমি একই গ্রামের মজম্মিল আলী, আলতাব হোসেন, ছোয়াব আলী, সেলিম আহমদ, সায়েক আলী, রাশিদ আলী ও তজম্মুল আলী প্রাচীর দিয়ে তাদের বাড়ীর সীমানার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে ঘর-দোয়ার নির্মান করে ভোগ দখল করে আসছিল। এতে বিষয়টি এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট রামপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জানালে এরই প্রেক্ষিতে রামপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা নির্মল পাল চৌধুরী গত ১৭-০৮-২০১৫ তারিখে উপরোক্ত ব্যক্তিদের নোটিশ দেন উক্ত ভূমিতে মাটি ভরাট কিংবা সীমানা প্রাচীর, নির্মান না করতে। কিন্তু অভিযুক্তরা আইনের তোয়াক্কা না করে মাটি ভরাট ও প্রাচীর নির্মান করে ফেলে। এ কারণে তাদের বিরেিদ্ব সরকারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং ০১ (২০১৬ইং)। মামলার প্রেক্ষিতে সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামে অবৈধ স্থাপনাগুলোতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রশাসনের এই মহতি উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। তাদের প্রত্যাশা এরফলে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে বাসিয়া নদী দু-পাড়ে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনাসহ বিশ্বনাথে অবৈধ ভাবে নির্মিত সকল স্থাপনা উচ্ছেদ হবে।
নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট মুফতাফিজুর রহমান উচ্ছেদ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মোতাবেক সরকারি ভূমির ওপর নির্মিত অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা সরিয়ে নিতে মালিকদের নোটিশ দিলেও তারা শোনেননি বলে তিনি জানান।