ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

ফের চাঙ্গা হচ্ছে শেয়ারবাজার

ফের চাঙ্গা হচ্ছে শেয়ারবাজার
গোলাম মওলা
অর্ধযুগেরও বেশি সময় স্থবির থাকার পর ফের চাঙ্গা হচ্ছে দেশের শেয়ারবাজার। ইতোমধ্যে এই বাজারে প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে সূচক। বাড়ছে লেনদেনও। বাজারে যুক্ত হচ্ছেন নতুন নতুন বিনিয়োগকারী। এ প্রসঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পরিচালক রকিবুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সরকার, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা, ডিএসইসহ বিভিন্ন মহলের ইতিবাচক নানা পদক্ষেপের ফলে বাজার আস্থায় ফিরেছে।’

বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে রকিবুর রহমান বলেন, ‘শেয়ারবাজার সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। একদম সঠিক জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে এই বাজার।’ দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর পর শেয়ার বাজার ভালো হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে এই বাজার আরও ভালো থাকবে। এই বাজারে কোনও বিনিয়োগকারীর কোনও ধরনের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তবে যারা অল্প টাকার মালিক, তারা যেন এই বাজারে ভুল করেও না আসেন।’

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এই পরিচালক আরও বলেন, ‘ব্যাংক থেকে ঋণ করে, কারও কাছ থেকে ধার করে, রেমিটেন্সের টাকা বা বউয়ের গয়না বা জমি বিক্রি করে কেউ এই বাজারে বিনিয়োগ করবেন না। কারণ, এটি শতভাগ ঝুঁকির জায়গা, কান্না-কাটির জায়গা নয়। এখানে কেবল তারাই আসবেন, যাদের উদ্বৃত্ত অর্থ রয়েছে।’

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে ধস নামার পর থেকে গত ৬ বছর অস্বস্তিতে ছিলেন বিনিয়োগকারী, ব্রোকারেজ হাউসের মালিক, এমনকি শেয়ারবাজারে চাকরিজীবীরাও।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (২২ জানুয়ারি, ২০১৭) ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্যসূচক অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬০২ পয়েন্টে। ডিসেম্বরের শুরুতে সূচক ছিল ৪ হাজার ৮২৩ পয়েন্ট। ২০১৩ সালে সাধারণ সূচক বাদ দিয়ে ডিএসইএক্স সূচক চালুর পর এটা ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০১১ সালের অক্টোবরে সাড়ে ৫ হাজার সূচক অতিক্রম করেছিল।

গত পাঁচ বছর ধরেই ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মাত্র ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে। এর মধ্যে ২০১৪ সালে লেনদেন হয়েছে গড়ে ৪৯৯ কোটি টাকা। ২০১৫ সালে লেনদেন হয়েছে গড়ে ৪২১ কোটি টাকা এবং ২০১৬ সালে ডিএসইর গড় লেনদেন হয়েছে ৪৯৪ কোটি টাকা। এই ৫ বছরের কোনও কোনও দিন ৬০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা লেনদেন হলেও হাজার কোটির লেনদেন ছাড়ায়নি একদিনও। ২০১৭ সালের শুরুতেই দেড় হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

এ প্রসঙ্গে শেয়ারবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বর্তমানে শেয়ার বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা বাজারের জন্য একটা ভালো খবর।’ তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিয়মনীতি কঠিন হয়েছে। অনেক ত্রুটিও সংশোধন করা হয়েছে। ফলে আগের মতো হঠাৎ আর এই বাজার পড়বে না।’ তিনি মনে করেন, ‘এখনও অস্বাভাবিক পর্যায়ে যায়নি এই বাজার। তবে এই বাজারে বিনিয়োগ করতে হলে সর্তক থাকা জরুরি। বিশেষ করে অতিতের অভিজ্ঞতা থেকেই বিনিয়োগকারীদের সর্তক হওয়া জরুরি।’

বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত দেড় মাসে বাজারে মূলধন বেড়েছে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। অথচ আগের এক বছরে বাজার মূলধন বেড়েছে মাত্র ৯ হাজার কোটি টাকা।

জানা গেছে, ২০১০ সালে হঠাৎ শেয়ারবাজারে ধস নামে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন ১০ লাখেরও বেশি বিনিয়োগকারী। শুধু তাই নয়, গত ৬ বছরের আইনকানুন, বিধিবিধানসহ নানা ধরনের পরিবর্তন হয়েছে। কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিচারে গঠন করা হয়েছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। পুনর্গঠিত হয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এসব পরিবর্তনের ফলে এই বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার আভাস মিলছে। সরকারসহ সংশ্লিষ্ট মহলের নানামুখী ইতিবাচক পদক্ষেপের কারণে দেশের চেয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বেশি পুঁজিবাজারে সক্রিয় হয়েছেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্যা অনুসারে ২০১০ সালে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৭০০ কোটি টাকায়।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ব্যাংক খাতে আমানতের সুদহার কমে যাওয়া এবং বিনিয়োগ পরিবেশ অনুকূলে না থাকার কারণে অনেকেই শেয়ার বাজারের দিকে ঝুঁকছে। এছাড়া শেয়ার বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ার কারণে বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়ছে।’

এদিকে রবিবার ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে মাইডাস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০২০ সালের মধ্যে দেশে একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজার সৃষ্টি হবে। ২০২০ সালের মধ্যে আমাদের একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজার সৃষ্টি হবে। যেখান থেকে আমরা বিভিন্ন বিনিয়োগে আগ্রহ নিতে পারব।’ অর্থমন্ত্রী মনে করেন, ‘আগামী ৩ বছরের মধ্যেই পুঁজিবাজার শক্তিশালী হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

ফের চাঙ্গা হচ্ছে শেয়ারবাজার

আপডেট সময় : ০৩:১৫:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৭

ফের চাঙ্গা হচ্ছে শেয়ারবাজার
গোলাম মওলা
অর্ধযুগেরও বেশি সময় স্থবির থাকার পর ফের চাঙ্গা হচ্ছে দেশের শেয়ারবাজার। ইতোমধ্যে এই বাজারে প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে সূচক। বাড়ছে লেনদেনও। বাজারে যুক্ত হচ্ছেন নতুন নতুন বিনিয়োগকারী। এ প্রসঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পরিচালক রকিবুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সরকার, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা, ডিএসইসহ বিভিন্ন মহলের ইতিবাচক নানা পদক্ষেপের ফলে বাজার আস্থায় ফিরেছে।’

বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে রকিবুর রহমান বলেন, ‘শেয়ারবাজার সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। একদম সঠিক জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে এই বাজার।’ দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর পর শেয়ার বাজার ভালো হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে এই বাজার আরও ভালো থাকবে। এই বাজারে কোনও বিনিয়োগকারীর কোনও ধরনের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তবে যারা অল্প টাকার মালিক, তারা যেন এই বাজারে ভুল করেও না আসেন।’

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এই পরিচালক আরও বলেন, ‘ব্যাংক থেকে ঋণ করে, কারও কাছ থেকে ধার করে, রেমিটেন্সের টাকা বা বউয়ের গয়না বা জমি বিক্রি করে কেউ এই বাজারে বিনিয়োগ করবেন না। কারণ, এটি শতভাগ ঝুঁকির জায়গা, কান্না-কাটির জায়গা নয়। এখানে কেবল তারাই আসবেন, যাদের উদ্বৃত্ত অর্থ রয়েছে।’

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে ধস নামার পর থেকে গত ৬ বছর অস্বস্তিতে ছিলেন বিনিয়োগকারী, ব্রোকারেজ হাউসের মালিক, এমনকি শেয়ারবাজারে চাকরিজীবীরাও।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (২২ জানুয়ারি, ২০১৭) ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্যসূচক অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬০২ পয়েন্টে। ডিসেম্বরের শুরুতে সূচক ছিল ৪ হাজার ৮২৩ পয়েন্ট। ২০১৩ সালে সাধারণ সূচক বাদ দিয়ে ডিএসইএক্স সূচক চালুর পর এটা ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০১১ সালের অক্টোবরে সাড়ে ৫ হাজার সূচক অতিক্রম করেছিল।

গত পাঁচ বছর ধরেই ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মাত্র ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে। এর মধ্যে ২০১৪ সালে লেনদেন হয়েছে গড়ে ৪৯৯ কোটি টাকা। ২০১৫ সালে লেনদেন হয়েছে গড়ে ৪২১ কোটি টাকা এবং ২০১৬ সালে ডিএসইর গড় লেনদেন হয়েছে ৪৯৪ কোটি টাকা। এই ৫ বছরের কোনও কোনও দিন ৬০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা লেনদেন হলেও হাজার কোটির লেনদেন ছাড়ায়নি একদিনও। ২০১৭ সালের শুরুতেই দেড় হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

এ প্রসঙ্গে শেয়ারবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বর্তমানে শেয়ার বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা বাজারের জন্য একটা ভালো খবর।’ তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিয়মনীতি কঠিন হয়েছে। অনেক ত্রুটিও সংশোধন করা হয়েছে। ফলে আগের মতো হঠাৎ আর এই বাজার পড়বে না।’ তিনি মনে করেন, ‘এখনও অস্বাভাবিক পর্যায়ে যায়নি এই বাজার। তবে এই বাজারে বিনিয়োগ করতে হলে সর্তক থাকা জরুরি। বিশেষ করে অতিতের অভিজ্ঞতা থেকেই বিনিয়োগকারীদের সর্তক হওয়া জরুরি।’

বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত দেড় মাসে বাজারে মূলধন বেড়েছে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। অথচ আগের এক বছরে বাজার মূলধন বেড়েছে মাত্র ৯ হাজার কোটি টাকা।

জানা গেছে, ২০১০ সালে হঠাৎ শেয়ারবাজারে ধস নামে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন ১০ লাখেরও বেশি বিনিয়োগকারী। শুধু তাই নয়, গত ৬ বছরের আইনকানুন, বিধিবিধানসহ নানা ধরনের পরিবর্তন হয়েছে। কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিচারে গঠন করা হয়েছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। পুনর্গঠিত হয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এসব পরিবর্তনের ফলে এই বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার আভাস মিলছে। সরকারসহ সংশ্লিষ্ট মহলের নানামুখী ইতিবাচক পদক্ষেপের কারণে দেশের চেয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বেশি পুঁজিবাজারে সক্রিয় হয়েছেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্যা অনুসারে ২০১০ সালে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৭০০ কোটি টাকায়।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ব্যাংক খাতে আমানতের সুদহার কমে যাওয়া এবং বিনিয়োগ পরিবেশ অনুকূলে না থাকার কারণে অনেকেই শেয়ার বাজারের দিকে ঝুঁকছে। এছাড়া শেয়ার বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ার কারণে বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়ছে।’

এদিকে রবিবার ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে মাইডাস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০২০ সালের মধ্যে দেশে একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজার সৃষ্টি হবে। ২০২০ সালের মধ্যে আমাদের একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজার সৃষ্টি হবে। যেখান থেকে আমরা বিভিন্ন বিনিয়োগে আগ্রহ নিতে পারব।’ অর্থমন্ত্রী মনে করেন, ‘আগামী ৩ বছরের মধ্যেই পুঁজিবাজার শক্তিশালী হবে।’