ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

অপরাধ প্রমাণ না করলে কোনো সাজা হবে না: ট্রাইব্যুনাল

‘ট্রাইব্যুনাল ইজ কোয়াইট স্ট্রিক্ট। এখানে অপরাধ প্রমাণ না করলে কোনো সাজা হবে না। প্রমাণ করতে না পারলে খালাস।’ টিএফআই সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) চেয়ে করা আসামিপক্ষের আইনজীবীদের শুনানিতে এ কথা বলেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি করেন আইনজীবীরা। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এদিন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে প্রথমে শুনানি করেন আইনজীবী তাবারক হোসেন। শুনানিতে তিনি বলেন, এ মামলায় প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগের সঙ্গে আমার মক্কেলরা জড়িত নয়। কারণ ভুক্তভোগীরা যখন গুম হয়েছিলেন তখন তারা ছিলেন না। কিন্তু যারা ছিলেন তাদের নাম চার্জে নেই। এছাড়া প্রাইমা ফেসি (কোনো মামলায় যথেষ্ঠ প্রমাণ দ্বারা সর্মথিত হলে তা পর্যাপ্ত বিপরীত সাক্ষ্যের অর্বতমানে প্রমাণিত বলে ধরে নেয়া) না থাকলেও আমার মক্কেলদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

এ সময় ট্রাইব্যুনাল বলেন, তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন অনুযায়ী আপনার (আসামিদের) বিরুদ্ধে অপরাধের উপাদান পাওয়া গেছে। এটাই প্রাইমা ফেসি।

তাবারক বলেন, মাই লর্ড, এখানে কোনো উপাদান পাওয়া যায়নি। আর এজন্যই পুনর্বিবেচনা চাইছি। এ সময় ডিসচার্জ চেয়ে করা আবেদনটি পড়া শুরু করেন তিনি।

তখন ট্রাইব্যুনাল বলেন, রিভিউ শুনানিতে এসব আসবে না। শুধুমাত্র নতুন গ্রাউন্ড থাকলে বলুন। এ ছাড়া আপনি বলছেন টিএফআই সেল মাত্র একটি কনসেপ্ট। কিন্তু প্রসিকিউশন বলবে আরেক কথা। এজন্যই ট্রায়াল। ট্রাইব্যুনাল ইজ কোয়াইট স্ট্রিক্ট। পরে পুনর্বিবেচনা চেয়ে এই আইনজীবীর আবেদনটি খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল।

 

গত ২১ জানুয়ারি সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন গুমের শিকার ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমান। গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর এ মামলায় ১৭ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

অপরাধ প্রমাণ না করলে কোনো সাজা হবে না: ট্রাইব্যুনাল

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

‘ট্রাইব্যুনাল ইজ কোয়াইট স্ট্রিক্ট। এখানে অপরাধ প্রমাণ না করলে কোনো সাজা হবে না। প্রমাণ করতে না পারলে খালাস।’ টিএফআই সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) চেয়ে করা আসামিপক্ষের আইনজীবীদের শুনানিতে এ কথা বলেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি করেন আইনজীবীরা। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এদিন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে প্রথমে শুনানি করেন আইনজীবী তাবারক হোসেন। শুনানিতে তিনি বলেন, এ মামলায় প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগের সঙ্গে আমার মক্কেলরা জড়িত নয়। কারণ ভুক্তভোগীরা যখন গুম হয়েছিলেন তখন তারা ছিলেন না। কিন্তু যারা ছিলেন তাদের নাম চার্জে নেই। এছাড়া প্রাইমা ফেসি (কোনো মামলায় যথেষ্ঠ প্রমাণ দ্বারা সর্মথিত হলে তা পর্যাপ্ত বিপরীত সাক্ষ্যের অর্বতমানে প্রমাণিত বলে ধরে নেয়া) না থাকলেও আমার মক্কেলদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

এ সময় ট্রাইব্যুনাল বলেন, তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন অনুযায়ী আপনার (আসামিদের) বিরুদ্ধে অপরাধের উপাদান পাওয়া গেছে। এটাই প্রাইমা ফেসি।

তাবারক বলেন, মাই লর্ড, এখানে কোনো উপাদান পাওয়া যায়নি। আর এজন্যই পুনর্বিবেচনা চাইছি। এ সময় ডিসচার্জ চেয়ে করা আবেদনটি পড়া শুরু করেন তিনি।

তখন ট্রাইব্যুনাল বলেন, রিভিউ শুনানিতে এসব আসবে না। শুধুমাত্র নতুন গ্রাউন্ড থাকলে বলুন। এ ছাড়া আপনি বলছেন টিএফআই সেল মাত্র একটি কনসেপ্ট। কিন্তু প্রসিকিউশন বলবে আরেক কথা। এজন্যই ট্রায়াল। ট্রাইব্যুনাল ইজ কোয়াইট স্ট্রিক্ট। পরে পুনর্বিবেচনা চেয়ে এই আইনজীবীর আবেদনটি খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল।

 

গত ২১ জানুয়ারি সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন গুমের শিকার ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমান। গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর এ মামলায় ১৭ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।