ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

বিজয়নগরে স্কুল শিক্ষিকাকে বেধড়ক পিটিয়ে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটপাট

স্টাফ রিপোর্টার: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার সাতগাঁও গ্রামে এক নারকীয় ঘটনা ঘটে। জানা যায়, শারমিন আক্তার (৩২) এবং তার পরিবারকে ঘরে আটকে রেখে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়েছে একই গ্রামের কয়েকজন অভিযুক্ত ব্যক্তি তাজুল ইসলাম (৩৮), সাদ্দাম হোসেন (৩৪) পিতা- জিল্লু মিয়া এবং জোসনা বেগম, (জিল্লুর স্ত্রী) ও আশা বেগম (সাদ্দামের স্ত্রী)। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে শারমিন আক্তারের বাড়িতে তাদের সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন দিন থেকে ঝামেলা ও মীমাংসার জন্য উঠান বৈঠক চলছিল। কিন্তু বিবাদীরা অনেক তর্কাতর্কীর করার পর চারজন ক্ষিপ্ত হয়ে শারমিন আক্তারের বাড়িতে প্রবেশ করে আজিজুল ইসলাম ও স্ত্রী তাহমিনা বেগম সাতগাঁও মডেল স্কুলের শিক্ষিকাকে বেদড়ক মারদর করে এবং চেইন ও কানের দুল (স্বর্ণালঙ্কার) লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সবাইকে ঘরের মধ্যে রেখে বাড়ির দরজায় সিটকীনি লাগিয়ে তারা পালিয়ে যায়। পরে সোস্যাল মিডিয়াতে লাইভে ও শেষে ৯৯৯-এ ফোন করে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতা চান শারমিন আক্তার। এই পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্কে ছিলেন। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চাওয়ার পর স্থানীয় পুলিশ বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুলের নেতৃত্বে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিবারটিকে উদ্ধার করে। রাত ৩.৪০ মিনিটে থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযোগ দাখিল করা হয়। যাহার নম্বর- ৯৬৭ ও মামলা রুজু করা হয়। বিজয়নগর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, “৯৯৯-এর ফোন পাওয়ার পরপরই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং জিম্মি পরিবারটিকে উদ্ধার করি। অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে, তদন্ত চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ও সুসংগঠিতভাবে সংঘটিত হয়েছে। তারা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম

বিজয়নগরে স্কুল শিক্ষিকাকে বেধড়ক পিটিয়ে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটপাট

আপডেট সময় : ০৮:০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার সাতগাঁও গ্রামে এক নারকীয় ঘটনা ঘটে। জানা যায়, শারমিন আক্তার (৩২) এবং তার পরিবারকে ঘরে আটকে রেখে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়েছে একই গ্রামের কয়েকজন অভিযুক্ত ব্যক্তি তাজুল ইসলাম (৩৮), সাদ্দাম হোসেন (৩৪) পিতা- জিল্লু মিয়া এবং জোসনা বেগম, (জিল্লুর স্ত্রী) ও আশা বেগম (সাদ্দামের স্ত্রী)। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে শারমিন আক্তারের বাড়িতে তাদের সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন দিন থেকে ঝামেলা ও মীমাংসার জন্য উঠান বৈঠক চলছিল। কিন্তু বিবাদীরা অনেক তর্কাতর্কীর করার পর চারজন ক্ষিপ্ত হয়ে শারমিন আক্তারের বাড়িতে প্রবেশ করে আজিজুল ইসলাম ও স্ত্রী তাহমিনা বেগম সাতগাঁও মডেল স্কুলের শিক্ষিকাকে বেদড়ক মারদর করে এবং চেইন ও কানের দুল (স্বর্ণালঙ্কার) লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সবাইকে ঘরের মধ্যে রেখে বাড়ির দরজায় সিটকীনি লাগিয়ে তারা পালিয়ে যায়। পরে সোস্যাল মিডিয়াতে লাইভে ও শেষে ৯৯৯-এ ফোন করে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতা চান শারমিন আক্তার। এই পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্কে ছিলেন। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চাওয়ার পর স্থানীয় পুলিশ বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুলের নেতৃত্বে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিবারটিকে উদ্ধার করে। রাত ৩.৪০ মিনিটে থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযোগ দাখিল করা হয়। যাহার নম্বর- ৯৬৭ ও মামলা রুজু করা হয়। বিজয়নগর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, “৯৯৯-এর ফোন পাওয়ার পরপরই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং জিম্মি পরিবারটিকে উদ্ধার করি। অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে, তদন্ত চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ও সুসংগঠিতভাবে সংঘটিত হয়েছে। তারা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।