ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

হায়দরাবাদ টেস্টে কেন নেই মোস্তাফিজ?


ঢাকা: প্রথমবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে খেলতে গিয়ে গোটা ক্রিকেট বিশ্বকে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ। খেলেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে বল হাতে সামনে থেকে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ফিজ।

১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট পাওয়া মোস্তাফিজ সর্বোচ্চ উইকেট না পেলেও টুর্নামেন্টে উদীয়মান সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন।

অথচ ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের আসন্ন একমাত্র টেস্টে ঘোষিত দলে নেই মোস্তাফিজ। তার উপর আবার সেই টেস্টটি হবে মোস্তাফিজের অতি পরিচিত হায়দরাবাদের ভেন্যুতে। তাহলে তার না থাকার কারণটা কী?

নির্বাচকরা বলছেন মোস্তাফিজ এখনও পুরোপুরি ফিট নন। তাকে নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে নারাজ বিসিবি। কোচ হাথুরুসিংহেরও একই কথা। তবে ফিজ নিজে থেকে অনেকটা স্বাভাবিক বোধ করছেন বলে নিজেই জানিয়েছেন।

বাদ পড়েছেন নুরুল হাসান সোহান ও রুবেল হোসেন। সোহানের জায়গায় স্থান করে নিয়ে সদ্য ডাবল সেঞ্চুরি করা লিটন দাস। কিন্তু আলোচনা হচ্ছে মোস্তাফিজকে ঘিরেই। রীতিমতো রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

মুশফিক, ইমরুল ও মুমিনুল নিজেদের ফিটনেস প্রমাণ করায় দলে ঠিকই জায়গা পেয়েছেন। তাহলে কি ইনজুরির কারণে মোস্তাফিজ এমন গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে বাদ পড়লেন?

ফিজিও-ট্রেনাররা বলেছেন, বাঁ-হাতি এই পেসারের তেমন কোনো সমস্যা নেই। কাঁধে সামান্য ব্যথা অনুভব করলেও অনায়াসে হায়দরাবাদে খেলতে পারতেন। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু নিজেও মোস্তাফিজের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু নিজেকে ফিট মনে না করায় দলে থাকতে আগ্রহ দেখাননি মোস্তাফিজ।

নান্নু জানান, কারও যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে তাহলে তো জোর করে খেলানো যায় না। তাই দল থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। অথচ ভারতকে চাপে রাখতে মোস্তাফিজের প্রয়োজন ছিল। ওর মতো গতিময় ক্রিকেটার নিজ থেকে খেলতে আপত্তি জানান- এটাই রহস্য থেকে গেল।

তবে সব কিছু মিলিয়ে মোস্তাফিজ না থাকায় বিরাট কোহলির ভারত যে অনেকটা দুশ্চিন্তামুক্ত থাকবে সেটি তো বলাই যায়! যদিও হায়দরাবাদের এই নায়ককে মিস করতে পারেন অনেক ভারতীয় সমর্থকও।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম

হায়দরাবাদ টেস্টে কেন নেই মোস্তাফিজ?

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


ঢাকা: প্রথমবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে খেলতে গিয়ে গোটা ক্রিকেট বিশ্বকে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ। খেলেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে বল হাতে সামনে থেকে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ফিজ।

১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট পাওয়া মোস্তাফিজ সর্বোচ্চ উইকেট না পেলেও টুর্নামেন্টে উদীয়মান সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন।

অথচ ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের আসন্ন একমাত্র টেস্টে ঘোষিত দলে নেই মোস্তাফিজ। তার উপর আবার সেই টেস্টটি হবে মোস্তাফিজের অতি পরিচিত হায়দরাবাদের ভেন্যুতে। তাহলে তার না থাকার কারণটা কী?

নির্বাচকরা বলছেন মোস্তাফিজ এখনও পুরোপুরি ফিট নন। তাকে নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে নারাজ বিসিবি। কোচ হাথুরুসিংহেরও একই কথা। তবে ফিজ নিজে থেকে অনেকটা স্বাভাবিক বোধ করছেন বলে নিজেই জানিয়েছেন।

বাদ পড়েছেন নুরুল হাসান সোহান ও রুবেল হোসেন। সোহানের জায়গায় স্থান করে নিয়ে সদ্য ডাবল সেঞ্চুরি করা লিটন দাস। কিন্তু আলোচনা হচ্ছে মোস্তাফিজকে ঘিরেই। রীতিমতো রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

মুশফিক, ইমরুল ও মুমিনুল নিজেদের ফিটনেস প্রমাণ করায় দলে ঠিকই জায়গা পেয়েছেন। তাহলে কি ইনজুরির কারণে মোস্তাফিজ এমন গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে বাদ পড়লেন?

ফিজিও-ট্রেনাররা বলেছেন, বাঁ-হাতি এই পেসারের তেমন কোনো সমস্যা নেই। কাঁধে সামান্য ব্যথা অনুভব করলেও অনায়াসে হায়দরাবাদে খেলতে পারতেন। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু নিজেও মোস্তাফিজের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু নিজেকে ফিট মনে না করায় দলে থাকতে আগ্রহ দেখাননি মোস্তাফিজ।

নান্নু জানান, কারও যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে তাহলে তো জোর করে খেলানো যায় না। তাই দল থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। অথচ ভারতকে চাপে রাখতে মোস্তাফিজের প্রয়োজন ছিল। ওর মতো গতিময় ক্রিকেটার নিজ থেকে খেলতে আপত্তি জানান- এটাই রহস্য থেকে গেল।

তবে সব কিছু মিলিয়ে মোস্তাফিজ না থাকায় বিরাট কোহলির ভারত যে অনেকটা দুশ্চিন্তামুক্ত থাকবে সেটি তো বলাই যায়! যদিও হায়দরাবাদের এই নায়ককে মিস করতে পারেন অনেক ভারতীয় সমর্থকও।