ঢাকা ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

১৫০ শতাদিক বছরের বেশি শিক্ষাদান দিতেছে গোবিন্দপুর সরকারি উচ্ছ বিদ্যালয়

১৫০ শতাদিক বছরের বেশি শিক্ষাদান দিতেছে গোবিন্দপুর সরকারি উচ্ছ বিদ্যালয় জেলার মাধবপুর

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ গোবিন্দপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। উপজেলা সদর থেকে যার দুরত্ব মাত্র১৫ কি.মি দক্ষিণে দেবপুর গ্রামে মাধবপুর-ধর্মঘর জেলা পরিষদের রাস্তার পাশে। সবুজ আর সবুজ চারদিকে সবুজের সমাহার এবং ছায়াযুক্ত জায়গাতে এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ গোবিন্দপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়টির অবস্তান । এর রয়েছে ১৮৪ বছরের সময়ের স্মরণীয় ও সুদীর্ঘ ইতিহাস যা পোরো মাধবপুরের ভেতর নেই।

১৮৩২ সালে তিন একর জায়গা জুড়ে গোবিন্দপুর মধ্যবঙ্গ বিদ্যালয় নামে এর যাত্রা শুরু হয়। ব্রিটিশ শাসনামলে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছিল পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক সরকার। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত ঘেঁষা বৃহত্ জনগোষ্ঠীর মাঝে ১৮৪ বছর ধরে শিক্ষা আর সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে এ বিদ্যালয়টি। দীর্ঘ দিন ধরে ছড়াচ্ছে শিক্ষার আলো তাই দেশ-বিদেশেও বিভিন্ন গুরুত্ব ও সম্মানজনক পেশায় রয়েছেন এই বিদ্যালয়রের ছাত্র-ছাত্রীগণ।

প্রথমিক দিকে এ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ছিল প্রথম থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত। ১৯৬০ সালে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীতকরণের মধ্য দিয়ে জুনিয়র স্কুলে রূপান্তরিত হয় এবং শিক্ষা কার্যক্রম দু’ পর্যায়ে বিভক্ত হয়। প্রথম পর্যায় প্রাইমারি যা প্রথম থেকে পঞ্চম এবং অপরটি জুনিয়র যা ছিল ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত। ১৯৭৭ সালে নবম-দশম শ্রেণি চালু করে গোবিন্দপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় নাম ধারণ করে পূর্ণাঙ্গ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। ১৯৭৯ সালে এ বিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মতো মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থী ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিসহ মানসম্মত শিক্ষায় এ বিদ্যালয় পালন করছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ সমন্বিত বিদ্যালয়টির বর্তমান মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬’শ। ২৭টি পদের বিপরীতে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ১৪ জন, যা ভালো ফলাফল এবং মানসম্মত শিক্ষাদানের প্রধান অন্তরায়। চতুর্থ শ্রেণির পাঁচজন কর্মচারীর পদ থাকলেও বর্তমানে তিনজন কর্মরত আছেন। বিদ্যালয়টিতে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি শ্রেণিতে আলাদা বসার সুবিধা থাকলেও বেঞ্চ ও চেয়ার-টেবিলের রয়েছে সংকট, তাছাড়া দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় ভবনগুলোর দেয়ালে ফাটলসহ বিবর্ণ হয়ে উঠায় বিদ্যালয়টি হারাচ্ছে তার সৌন্দর্য। বিদ্যালয়রে সম্সত সংকট পরিপুর্ণভাবে মিটিয়ে গেলে আরো ভাল ফলাফল আশা করা যাবে বলে মনে করেন এই বিদ্যালয়রের কর্মরতগণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

১৫০ শতাদিক বছরের বেশি শিক্ষাদান দিতেছে গোবিন্দপুর সরকারি উচ্ছ বিদ্যালয়

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

১৫০ শতাদিক বছরের বেশি শিক্ষাদান দিতেছে গোবিন্দপুর সরকারি উচ্ছ বিদ্যালয় জেলার মাধবপুর

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ গোবিন্দপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। উপজেলা সদর থেকে যার দুরত্ব মাত্র১৫ কি.মি দক্ষিণে দেবপুর গ্রামে মাধবপুর-ধর্মঘর জেলা পরিষদের রাস্তার পাশে। সবুজ আর সবুজ চারদিকে সবুজের সমাহার এবং ছায়াযুক্ত জায়গাতে এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ গোবিন্দপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়টির অবস্তান । এর রয়েছে ১৮৪ বছরের সময়ের স্মরণীয় ও সুদীর্ঘ ইতিহাস যা পোরো মাধবপুরের ভেতর নেই।

১৮৩২ সালে তিন একর জায়গা জুড়ে গোবিন্দপুর মধ্যবঙ্গ বিদ্যালয় নামে এর যাত্রা শুরু হয়। ব্রিটিশ শাসনামলে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছিল পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক সরকার। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত ঘেঁষা বৃহত্ জনগোষ্ঠীর মাঝে ১৮৪ বছর ধরে শিক্ষা আর সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে এ বিদ্যালয়টি। দীর্ঘ দিন ধরে ছড়াচ্ছে শিক্ষার আলো তাই দেশ-বিদেশেও বিভিন্ন গুরুত্ব ও সম্মানজনক পেশায় রয়েছেন এই বিদ্যালয়রের ছাত্র-ছাত্রীগণ।

প্রথমিক দিকে এ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ছিল প্রথম থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত। ১৯৬০ সালে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীতকরণের মধ্য দিয়ে জুনিয়র স্কুলে রূপান্তরিত হয় এবং শিক্ষা কার্যক্রম দু’ পর্যায়ে বিভক্ত হয়। প্রথম পর্যায় প্রাইমারি যা প্রথম থেকে পঞ্চম এবং অপরটি জুনিয়র যা ছিল ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত। ১৯৭৭ সালে নবম-দশম শ্রেণি চালু করে গোবিন্দপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় নাম ধারণ করে পূর্ণাঙ্গ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। ১৯৭৯ সালে এ বিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মতো মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থী ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিসহ মানসম্মত শিক্ষায় এ বিদ্যালয় পালন করছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ সমন্বিত বিদ্যালয়টির বর্তমান মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬’শ। ২৭টি পদের বিপরীতে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ১৪ জন, যা ভালো ফলাফল এবং মানসম্মত শিক্ষাদানের প্রধান অন্তরায়। চতুর্থ শ্রেণির পাঁচজন কর্মচারীর পদ থাকলেও বর্তমানে তিনজন কর্মরত আছেন। বিদ্যালয়টিতে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি শ্রেণিতে আলাদা বসার সুবিধা থাকলেও বেঞ্চ ও চেয়ার-টেবিলের রয়েছে সংকট, তাছাড়া দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় ভবনগুলোর দেয়ালে ফাটলসহ বিবর্ণ হয়ে উঠায় বিদ্যালয়টি হারাচ্ছে তার সৌন্দর্য। বিদ্যালয়রে সম্সত সংকট পরিপুর্ণভাবে মিটিয়ে গেলে আরো ভাল ফলাফল আশা করা যাবে বলে মনে করেন এই বিদ্যালয়রের কর্মরতগণ।