ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

হিন্দু-মুসলমানের ভেদাভেদ নয়, শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চাই: মির্জা ফখরুল

আমরা একটি শান্তির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, যারা সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করতে চায়, তারা মূলত দেশেরই ক্ষতি করতে চায়। আমাদের মনে রাখতে হবে, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে গেলে কেউ আমাদের আটকাতে পারবে না। আর হিন্দু-মুসলমানকে ভাগ করে দিলে আমরা কখনোই এগোতে পারব না।

শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা নিমবাড়ী এলাকায় নির্বাচনি পথসভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

নির্বাচনি আমানত রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি জোর গলায় বলতে চাই, আপনাদের ভোটের আমানতের যে দায়িত্ব আমি নেব, তা কখনো খেয়ানত করব না। রাজনীতিতে সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি যখন মন্ত্রী ছিলাম, তখন কারো কাছ থেকে এক কাপ চাও গ্রহণ করিনি। সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকেই প্রাধান্য দিয়েছি।

ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকদের জন্য বিশেষ ‘কৃষি কার্ড’ এবং মায়েদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হবে, যার মাধ্যমে তারা বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এছাড়াও ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ এবং এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বিগত শাসনামলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন জনগণের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ এসেছে। ভোটাররাই দেশের প্রকৃত মালিক, তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোট প্রয়োগ করতে হবে।

পথসভায় মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বিএনপি মানুষের কল্যাণ ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে। হিন্দু-মুসলমান এ দেশে যুগ যুগ ধরে মিলেমিশে বসবাস করছে। আমরা এই সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ চিরতরে বন্ধ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই।

 

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

হিন্দু-মুসলমানের ভেদাভেদ নয়, শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চাই: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

আমরা একটি শান্তির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, যারা সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করতে চায়, তারা মূলত দেশেরই ক্ষতি করতে চায়। আমাদের মনে রাখতে হবে, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে গেলে কেউ আমাদের আটকাতে পারবে না। আর হিন্দু-মুসলমানকে ভাগ করে দিলে আমরা কখনোই এগোতে পারব না।

শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা নিমবাড়ী এলাকায় নির্বাচনি পথসভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

নির্বাচনি আমানত রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি জোর গলায় বলতে চাই, আপনাদের ভোটের আমানতের যে দায়িত্ব আমি নেব, তা কখনো খেয়ানত করব না। রাজনীতিতে সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি যখন মন্ত্রী ছিলাম, তখন কারো কাছ থেকে এক কাপ চাও গ্রহণ করিনি। সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকেই প্রাধান্য দিয়েছি।

ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকদের জন্য বিশেষ ‘কৃষি কার্ড’ এবং মায়েদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হবে, যার মাধ্যমে তারা বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এছাড়াও ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ এবং এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বিগত শাসনামলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন জনগণের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ এসেছে। ভোটাররাই দেশের প্রকৃত মালিক, তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোট প্রয়োগ করতে হবে।

পথসভায় মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বিএনপি মানুষের কল্যাণ ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে। হিন্দু-মুসলমান এ দেশে যুগ যুগ ধরে মিলেমিশে বসবাস করছে। আমরা এই সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ চিরতরে বন্ধ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই।