ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

সুনামগঞ্জে চলন্ত সিএনজিতে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা, আটক ২

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে চলন্ত সিএনজিত চালিত অটোরিকশায় কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। নিজেকে বাঁচতে কিশোরী সিএনজি থেকে লাফ দিয়ে সড়কে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে।
তারা হলেন দিরাইয়ের রাজনগর ইউনিয়নের জকিনগর গ্রামের মো. তারা খানের ছেলে মো. ইমন খান (২২) ও আব্দুর রউফের ছেলে মো. মিটু মিয়া (২৫)।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সুনামগঞ্জের দিরাই-মদনপুর সড়কের গণিগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দিরাই বাজারে কেনাকাটা করতে যায় ভুক্তভোগী মেয়েটি (১৭)। কেনাকাটা শেষে সন্ধ্যার আগে একটি সিএনজি করে বাড়ি ফেরার সময় ওই গাড়িতে আরও দুজন যুবক উঠেন। পরে গাড়িটি মেয়েটির বাড়ির দিকে না গিয়ে দিরাই-মদনপুর সড়কের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। তখন ভুল সড়ক দেখে মেয়েটি গাড়ি থামাতে বলে। কিন্তু গাড়ি না থামিয়ে চলতেই থাকে ও একপর্যায়ে ওই দুই যুবক তার হাত-মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় মেয়েটি তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে গণিগঞ্জ বাজার এলাকায় গাড়ি থেকে লাফ দেয়। এ সময় চলন্ত সিএনজি থেকে লাফ দিয়ে সড়কে পড়ে যাওয়ায় তাঁর এক চোখ, মুখ ও হাত থেঁতলে যায়। পরে মেয়েটিকে আহত অবস্থায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুর বলেন, ‘ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সদর থেকে। কিছু তথ্য পেয়ে দুজনকে আটক করা হয়েছে, কী ঘটেছে সেটা জানার চেষ্টা করছি।’
ধর্ষণ চেষ্টার বিষয়টি সঠিক কি না প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, ‘হয়তো শ্লীলতাহানি হতে পারে, হাত ধরতে পারে। এখন দুজনকে আটক করা হয়েছে, একজন সিএনজি চালক, অন্যজন যাত্রী। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরার জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। ভিকটিম এখন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে, লিখিত অভিযোগ এখনো করেনি।’

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

সুনামগঞ্জে চলন্ত সিএনজিতে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা, আটক ২

আপডেট সময় : ১২:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে চলন্ত সিএনজিত চালিত অটোরিকশায় কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। নিজেকে বাঁচতে কিশোরী সিএনজি থেকে লাফ দিয়ে সড়কে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে।
তারা হলেন দিরাইয়ের রাজনগর ইউনিয়নের জকিনগর গ্রামের মো. তারা খানের ছেলে মো. ইমন খান (২২) ও আব্দুর রউফের ছেলে মো. মিটু মিয়া (২৫)।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সুনামগঞ্জের দিরাই-মদনপুর সড়কের গণিগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দিরাই বাজারে কেনাকাটা করতে যায় ভুক্তভোগী মেয়েটি (১৭)। কেনাকাটা শেষে সন্ধ্যার আগে একটি সিএনজি করে বাড়ি ফেরার সময় ওই গাড়িতে আরও দুজন যুবক উঠেন। পরে গাড়িটি মেয়েটির বাড়ির দিকে না গিয়ে দিরাই-মদনপুর সড়কের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। তখন ভুল সড়ক দেখে মেয়েটি গাড়ি থামাতে বলে। কিন্তু গাড়ি না থামিয়ে চলতেই থাকে ও একপর্যায়ে ওই দুই যুবক তার হাত-মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় মেয়েটি তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে গণিগঞ্জ বাজার এলাকায় গাড়ি থেকে লাফ দেয়। এ সময় চলন্ত সিএনজি থেকে লাফ দিয়ে সড়কে পড়ে যাওয়ায় তাঁর এক চোখ, মুখ ও হাত থেঁতলে যায়। পরে মেয়েটিকে আহত অবস্থায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুর বলেন, ‘ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সদর থেকে। কিছু তথ্য পেয়ে দুজনকে আটক করা হয়েছে, কী ঘটেছে সেটা জানার চেষ্টা করছি।’
ধর্ষণ চেষ্টার বিষয়টি সঠিক কি না প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, ‘হয়তো শ্লীলতাহানি হতে পারে, হাত ধরতে পারে। এখন দুজনকে আটক করা হয়েছে, একজন সিএনজি চালক, অন্যজন যাত্রী। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরার জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। ভিকটিম এখন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে, লিখিত অভিযোগ এখনো করেনি।’