ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

সুইজারল্যান্ডে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে গণভোট


সুইজারল্যান্ডে কঠোর নাগরিকত্ব আইন শিথিল করা হবে কিনা এই প্রশ্নে দেশটির জনগণ আজ ভোট দিচ্ছে।

সুইজারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করলেই সেদেশের নাগরিকত্ব পাওয়া যায় না।

যারা বিদেশি, নাগরিকত্ব পাওয়ার আবেদন করতে তাদেরকে ১২ বছর অপেক্ষা করতে হয়।

এছাড়াও আবেদনকারীকে নানা ধরনের পরীক্ষা দিতে হয়। সরকারের পক্ষ থেকেও তার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। আর এসব কিছু করতে গিয়ে খরচ হয়ে যেতে পারে প্রচুর অর্থও।

প্রস্তাবিত নতুন আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, তৃতীয় প্রজন্মের অভিবাসীদেরকে আর এধরনের আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হবে না।

এই আইনটি পাস হলে যারা সুইজারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছে, যাদের পিতামাতা বা দাদা দাদী নানা নানী এই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করেছে তাদের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে।

এর পক্ষে বিপক্ষে প্রচারণা চলছিলো দীর্ঘ সময় ধরে।

এর সমর্থকরা বলছেন, এই দেশে যাদের জন্ম হয়েছে, যারা তাদের পুরো জীবনটাই এদেশে কাটিয়েছেন তারা যে সমাজের সাথে মিশে গেছেন তাদেরকে সেটা প্রমাণ করতে বলা গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে বিরোধিতাকারীরা বলছেন, এর ফলে জনগণের বিশাল একটা অংশ খুব সহজেই নাগরিকত্ব পেয়ে যাবেন।

সরকারি হিসেবে দেখা যায়, মোট জনসংখ্যার ২৫ শতাংশই সুইজারল্যান্ডের নাগরিক নন।

অনেকে বলছেন, এর ফলে দেশটিতে ইসলামীকরণেরও আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এর বিরোধিতা করে প্রকাশিত এক পোস্টারে নিকাব পরিহিত এক মহিলার ছবি ছাপা হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডে তৃতীয় প্রজন্মের বেশিরভাগ বাসিন্দাই ইটালিয়ান বংশোদ্ভূত অভিবাসী। আরো দুটো বড় গ্রুপ এসেছে বলকান অঞ্চল এবং তুরস্ক থেকে।

স্থানীয় শহর কর্তৃপক্ষ নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে অভিবাসীদের পরীক্ষা নিয়ে থাকে। এসময় আবেদনকারীদের কাছে স্থানীয় চিজ বা মাখন এবং পাহাড়ের নাম জানতে চাওয়া হয়।

এর আগে গত ৩০ বছরে এই আইনটি শিথিল করার ব্যাপারে তিনবার ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু প্রত্যেকবারই জনগণ সেই উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

এবারের জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, যে কোনই দিকই শেষ পর্যন্ত জিতে যেতে পারে। বড় বড় শহরগুলো এর পক্ষে আর রক্ষণশীল গ্রামীণ এলাকা এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

সুইজারল্যান্ডে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে গণভোট

আপডেট সময় : ০৭:২৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


সুইজারল্যান্ডে কঠোর নাগরিকত্ব আইন শিথিল করা হবে কিনা এই প্রশ্নে দেশটির জনগণ আজ ভোট দিচ্ছে।

সুইজারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করলেই সেদেশের নাগরিকত্ব পাওয়া যায় না।

যারা বিদেশি, নাগরিকত্ব পাওয়ার আবেদন করতে তাদেরকে ১২ বছর অপেক্ষা করতে হয়।

এছাড়াও আবেদনকারীকে নানা ধরনের পরীক্ষা দিতে হয়। সরকারের পক্ষ থেকেও তার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। আর এসব কিছু করতে গিয়ে খরচ হয়ে যেতে পারে প্রচুর অর্থও।

প্রস্তাবিত নতুন আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, তৃতীয় প্রজন্মের অভিবাসীদেরকে আর এধরনের আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হবে না।

এই আইনটি পাস হলে যারা সুইজারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছে, যাদের পিতামাতা বা দাদা দাদী নানা নানী এই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করেছে তাদের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে।

এর পক্ষে বিপক্ষে প্রচারণা চলছিলো দীর্ঘ সময় ধরে।

এর সমর্থকরা বলছেন, এই দেশে যাদের জন্ম হয়েছে, যারা তাদের পুরো জীবনটাই এদেশে কাটিয়েছেন তারা যে সমাজের সাথে মিশে গেছেন তাদেরকে সেটা প্রমাণ করতে বলা গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে বিরোধিতাকারীরা বলছেন, এর ফলে জনগণের বিশাল একটা অংশ খুব সহজেই নাগরিকত্ব পেয়ে যাবেন।

সরকারি হিসেবে দেখা যায়, মোট জনসংখ্যার ২৫ শতাংশই সুইজারল্যান্ডের নাগরিক নন।

অনেকে বলছেন, এর ফলে দেশটিতে ইসলামীকরণেরও আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এর বিরোধিতা করে প্রকাশিত এক পোস্টারে নিকাব পরিহিত এক মহিলার ছবি ছাপা হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডে তৃতীয় প্রজন্মের বেশিরভাগ বাসিন্দাই ইটালিয়ান বংশোদ্ভূত অভিবাসী। আরো দুটো বড় গ্রুপ এসেছে বলকান অঞ্চল এবং তুরস্ক থেকে।

স্থানীয় শহর কর্তৃপক্ষ নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে অভিবাসীদের পরীক্ষা নিয়ে থাকে। এসময় আবেদনকারীদের কাছে স্থানীয় চিজ বা মাখন এবং পাহাড়ের নাম জানতে চাওয়া হয়।

এর আগে গত ৩০ বছরে এই আইনটি শিথিল করার ব্যাপারে তিনবার ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু প্রত্যেকবারই জনগণ সেই উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

এবারের জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, যে কোনই দিকই শেষ পর্যন্ত জিতে যেতে পারে। বড় বড় শহরগুলো এর পক্ষে আর রক্ষণশীল গ্রামীণ এলাকা এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে।