ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

সিলেটে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

সিলেটের কানাইঘাটে আব্দুস সোবহান হত্যা মামলায় হারনুর রশিদ (৪০) নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

একই মামলায় হারুনের সহোদর গোলাম মোস্তফাকে (৪৫) ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে সিলেটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের (শিশু আদালত) বিচারক মো. আমিরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অপর আসামি দণ্ডপ্রাপ্তদের বাবা আব্দুল কুদ্দুস, স্বজন আব্দুল ওকিল, জাহাঙ্গীর হোসেন ও শিশু রাসেলকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত হারুনুর রশিদ ও গোলাম মোস্তফা সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ভবানীগঞ্জ গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। তারা উভয়ে পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ৩০ মে রাত ৮টায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে উপজেলার ভবানীগঞ্জ বাজারে প্রতিবেশী হারুন, মোস্তফা গংরা আব্দুস সুবহানের ওপর অতর্কিত হামলা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত করতে হারুন ও তার সহোদর মোস্তফা উপর্যুপরি তাকে ছুরিকাঘাত করেন এবং অন্য আসামিরা হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। একপর্যায়ে  বাজারের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুস সোবহানকে উদ্ধার করে স্বজনরা ওসমানী হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মামুন রশিদ বাদী হয়ে পরদিন কানাইঘাট থানায় মামলা (নং-২৪(৫)১১) দায়ের করেন। ২০১৬ সালের ১৫ জানুয়ারি কানাইঘাট থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) সম্রাজ মিয়া ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১২ জুলাই চার্জগঠনের মাধ্যমে আদালতে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

আদালতের পিপি নিজাম উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, মামলায় দীর্ঘ শুনানিতে ২৬ জন সাক্ষির সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতের বিচারক ৩০২ ধারায় হারুনুর রশিদের মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং তার সহোদর গোলাম মোস্তফাকে প্যানেল কোড ৩২৪ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং শিশু রাসেলসহ অন্য চারজনকে খালাস দেন।

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল গফফার ও আব্দুল মওদুদ এবং পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে আইনজীবী ছিলেন আসমা বেগম।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম

সিলেটে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৮:৩২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৮

সিলেটের কানাইঘাটে আব্দুস সোবহান হত্যা মামলায় হারনুর রশিদ (৪০) নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

একই মামলায় হারুনের সহোদর গোলাম মোস্তফাকে (৪৫) ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে সিলেটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের (শিশু আদালত) বিচারক মো. আমিরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অপর আসামি দণ্ডপ্রাপ্তদের বাবা আব্দুল কুদ্দুস, স্বজন আব্দুল ওকিল, জাহাঙ্গীর হোসেন ও শিশু রাসেলকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত হারুনুর রশিদ ও গোলাম মোস্তফা সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ভবানীগঞ্জ গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। তারা উভয়ে পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ৩০ মে রাত ৮টায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে উপজেলার ভবানীগঞ্জ বাজারে প্রতিবেশী হারুন, মোস্তফা গংরা আব্দুস সুবহানের ওপর অতর্কিত হামলা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত করতে হারুন ও তার সহোদর মোস্তফা উপর্যুপরি তাকে ছুরিকাঘাত করেন এবং অন্য আসামিরা হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। একপর্যায়ে  বাজারের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুস সোবহানকে উদ্ধার করে স্বজনরা ওসমানী হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মামুন রশিদ বাদী হয়ে পরদিন কানাইঘাট থানায় মামলা (নং-২৪(৫)১১) দায়ের করেন। ২০১৬ সালের ১৫ জানুয়ারি কানাইঘাট থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) সম্রাজ মিয়া ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১২ জুলাই চার্জগঠনের মাধ্যমে আদালতে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

আদালতের পিপি নিজাম উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, মামলায় দীর্ঘ শুনানিতে ২৬ জন সাক্ষির সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতের বিচারক ৩০২ ধারায় হারুনুর রশিদের মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং তার সহোদর গোলাম মোস্তফাকে প্যানেল কোড ৩২৪ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং শিশু রাসেলসহ অন্য চারজনকে খালাস দেন।

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল গফফার ও আব্দুল মওদুদ এবং পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে আইনজীবী ছিলেন আসমা বেগম।