ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

সন্তানদের খাবার দিতে না পেরে মায়ের আত্মহত্যা

1016
ঘরে খাবার নেই, খরার কারণে জীবিকা নির্বাহের মতো কোনো কাজ নেই কিন্তু ঘরে পাঁচটি সন্তান। তাদের মুখে খাবার তুলে দেয়ার কোনো পথ পাচ্ছিলেন না মা। উপায়ন্তর না দেখে মৃত্যুর পথকে বেছে নিয়েছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের খরা আক্রান্ত মারাথাওয়াডা প্রদেশে।

সোমবার এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার প্রদেশের ওসমানাবাদ জেলার কৃষাণী মনীষা গাটকাল নিজের ঘরের মধ্যে গায়ে কোরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
মনীষার বাড়ি আম্বি গ্রামে। তার স্বামী লক্ষ্মণ জানিয়েছেন, আমরা খুবই গরীব। আমার কোনো কাজ নেই। আমি কিছু কাজ পেয়ে বাইরে যাই। এসময় সে দরজা আটকে গায়ে কোরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করে।

মনীষার এক আত্মীয় সামভাজি জানিয়েছেন, ১৮ কেজি আটা ও ১২ কেজি চালের রেশন সাতজন মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। ১২ দিনের মধ্যে তাদের ঘরের খাবার শেষ হয়ে যায়।

গত তিন বছর মারাথাওয়াডাতে খরা হয়েছে। চলতি বছরে বর্ষা মৌসুমে সবেচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গত বছর ঐ প্রদেশে ৫৭৪ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। চলতি বছর এপর্যন্ত ৬২৮ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

সন্তানদের খাবার দিতে না পেরে মায়ের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ১০:০৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1016
ঘরে খাবার নেই, খরার কারণে জীবিকা নির্বাহের মতো কোনো কাজ নেই কিন্তু ঘরে পাঁচটি সন্তান। তাদের মুখে খাবার তুলে দেয়ার কোনো পথ পাচ্ছিলেন না মা। উপায়ন্তর না দেখে মৃত্যুর পথকে বেছে নিয়েছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের খরা আক্রান্ত মারাথাওয়াডা প্রদেশে।

সোমবার এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার প্রদেশের ওসমানাবাদ জেলার কৃষাণী মনীষা গাটকাল নিজের ঘরের মধ্যে গায়ে কোরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
মনীষার বাড়ি আম্বি গ্রামে। তার স্বামী লক্ষ্মণ জানিয়েছেন, আমরা খুবই গরীব। আমার কোনো কাজ নেই। আমি কিছু কাজ পেয়ে বাইরে যাই। এসময় সে দরজা আটকে গায়ে কোরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করে।

মনীষার এক আত্মীয় সামভাজি জানিয়েছেন, ১৮ কেজি আটা ও ১২ কেজি চালের রেশন সাতজন মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। ১২ দিনের মধ্যে তাদের ঘরের খাবার শেষ হয়ে যায়।

গত তিন বছর মারাথাওয়াডাতে খরা হয়েছে। চলতি বছরে বর্ষা মৌসুমে সবেচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গত বছর ঐ প্রদেশে ৫৭৪ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। চলতি বছর এপর্যন্ত ৬২৮ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন।