ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

যৌন ক্ষমতা বাড়াতে আসছে নতুন ওষুধ!


যৌবনে যৌন উন্মাদনা কেবলমাত্র প্রকৃতির নিয়মেই হয়। বৈজ্ঞানিক মতে এর বিশ্লেষণ করলে জানা যায়, ‘কিসপেপটিন’ নামে এক হরমোনের কারণেই মানুষের মনে যৌন চাহিদার উদ্রেক ঘটে।

বয়ঃসন্ধির সময় ও তার পরে, কিসপেপটিন হরমোন মানুষের মস্তিষ্কে যৌন আবেগের সৃষ্টি করে। কিন্তু, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই এই হরমোনের কার্যক্ষমতাও কমতে শুরু করে। এখানেই এগিয়ে এসেছেন লন্ডনের এক দল বৈজ্ঞানিক। তাদের মতে, কিসপেপটিনের একটি ডোজ-ই পুনরায় মস্তিষ্কে সঞ্চার করতে পারে যৌন আবেগ।

গবেষণায় ২৯ জন যুবকের ওপর এই হরমোন প্রয়োগ করা হয়। পরে এমআরআই করে দেখা যায়, যৌনতা ও রোমান্টিকতার জন্য মস্তিষ্কের যে অংশ দায়ী, তা বেশ সক্রিয় হয়েছে এই হরমোনের কারণে। যারা এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, তাদের একাংশ এও জানিয়েছেন, এই হরমোন নেওয়ার পরে তাদের ‘মুড’ পরিবর্তনও হয়েছে। ফলে, বৈজ্ঞানিকরা মনে করছেন, কিসপেপটিন হরমোন অবসাদ কমাতেও কাজে লাগবে।

গবেষণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিকদের মতে, এখনও আরও বেশ কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পরই তারা এই কিসপেপটিন হরমোন বাজারে আনতে সক্ষম হবেন। তারা মোটামুটি এর নামও ঠিক করে ফেলেছেন ‘মেন্টাল ভায়াগ্রা’।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

যৌন ক্ষমতা বাড়াতে আসছে নতুন ওষুধ!

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


যৌবনে যৌন উন্মাদনা কেবলমাত্র প্রকৃতির নিয়মেই হয়। বৈজ্ঞানিক মতে এর বিশ্লেষণ করলে জানা যায়, ‘কিসপেপটিন’ নামে এক হরমোনের কারণেই মানুষের মনে যৌন চাহিদার উদ্রেক ঘটে।

বয়ঃসন্ধির সময় ও তার পরে, কিসপেপটিন হরমোন মানুষের মস্তিষ্কে যৌন আবেগের সৃষ্টি করে। কিন্তু, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই এই হরমোনের কার্যক্ষমতাও কমতে শুরু করে। এখানেই এগিয়ে এসেছেন লন্ডনের এক দল বৈজ্ঞানিক। তাদের মতে, কিসপেপটিনের একটি ডোজ-ই পুনরায় মস্তিষ্কে সঞ্চার করতে পারে যৌন আবেগ।

গবেষণায় ২৯ জন যুবকের ওপর এই হরমোন প্রয়োগ করা হয়। পরে এমআরআই করে দেখা যায়, যৌনতা ও রোমান্টিকতার জন্য মস্তিষ্কের যে অংশ দায়ী, তা বেশ সক্রিয় হয়েছে এই হরমোনের কারণে। যারা এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, তাদের একাংশ এও জানিয়েছেন, এই হরমোন নেওয়ার পরে তাদের ‘মুড’ পরিবর্তনও হয়েছে। ফলে, বৈজ্ঞানিকরা মনে করছেন, কিসপেপটিন হরমোন অবসাদ কমাতেও কাজে লাগবে।

গবেষণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিকদের মতে, এখনও আরও বেশ কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পরই তারা এই কিসপেপটিন হরমোন বাজারে আনতে সক্ষম হবেন। তারা মোটামুটি এর নামও ঠিক করে ফেলেছেন ‘মেন্টাল ভায়াগ্রা’।