ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

যৌতুকের জন্য মারাত্মক জখম করলে যাবজ্জীবন


যৌতুকের জন্য কোনো নারীকে মারাত্মক জখম করলে দায়ী ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন অথবা অন্যূন ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। এমন বিধান যুক্ত করে ‘যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৭’ -এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষ মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

শফিউল আলম জানান, আইনে নতুন কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগের আইন ও অধ্যাদেশগুলো সমন্বয় করে নতুন আইনটি করা হচ্ছে। এই আইনে যৌতুকের জন্য কোনো নারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করলে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, খসড়ায় যৌতুকের জন্য আত্মহত্যার প্ররোচনায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হলেও শেষ মুহূর্তে শাস্তি কমিয়ে আনা হয়।

শফিউল আলম বলেন, আইনে যৌতুকের জন্য নারীকে মারাত্মক জখম করার শাস্তি হিসেবে আসামির কারাদণ্ডের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তের ক্ষতি বিবেচনায় অর্থদণ্ডসহ আমৃত্যু ভরণপোষণের বিধান রাখা হয়েছে। আর সাধারণ জখমের জন্য আসামির অনধিক তিন বছর কিন্তু কমপক্ষে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

১৯৮০ সালে করা বিদ্যমান যৌতুক নিরোধ আইনে যৌতুক দাবি ও লেনদেনের জন্য শাস্তির বিধান থাকলেও যৌতুক চেয়ে নির্যাতন বা আত্মহত্যার প্ররোচনার জন্য শাস্তির কথা বলা নেই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

যৌতুকের জন্য মারাত্মক জখম করলে যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৭


যৌতুকের জন্য কোনো নারীকে মারাত্মক জখম করলে দায়ী ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন অথবা অন্যূন ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। এমন বিধান যুক্ত করে ‘যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৭’ -এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষ মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

শফিউল আলম জানান, আইনে নতুন কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগের আইন ও অধ্যাদেশগুলো সমন্বয় করে নতুন আইনটি করা হচ্ছে। এই আইনে যৌতুকের জন্য কোনো নারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করলে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, খসড়ায় যৌতুকের জন্য আত্মহত্যার প্ররোচনায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হলেও শেষ মুহূর্তে শাস্তি কমিয়ে আনা হয়।

শফিউল আলম বলেন, আইনে যৌতুকের জন্য নারীকে মারাত্মক জখম করার শাস্তি হিসেবে আসামির কারাদণ্ডের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তের ক্ষতি বিবেচনায় অর্থদণ্ডসহ আমৃত্যু ভরণপোষণের বিধান রাখা হয়েছে। আর সাধারণ জখমের জন্য আসামির অনধিক তিন বছর কিন্তু কমপক্ষে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

১৯৮০ সালে করা বিদ্যমান যৌতুক নিরোধ আইনে যৌতুক দাবি ও লেনদেনের জন্য শাস্তির বিধান থাকলেও যৌতুক চেয়ে নির্যাতন বা আত্মহত্যার প্ররোচনার জন্য শাস্তির কথা বলা নেই।