ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

যমজদেরও আলাদা করতে পারে মাইক্রোসফটের হ্যালো!

স্টাফ রিপোর্টার,

মাসখানেক হলো বিশ্বব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হয়েছে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ উইন্ডোজ ১০। এতে যুক্ত হওয়া নতুন বেশকিছু ফিচার এরই মধ্যে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে প্রযুক্তিপ্রেমীদের। এর মধ্যে বহনযোগ্য সব ডিভাইসে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি হিসেবে ‘হ্যালো’ একটু আলাদা করেই নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে সকলের। ডিজিটাল ডিভাইসগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন নানা ধরনের প্রযুক্তিই ব্যবহার করা হচ্ছে। স্মার্টফোনে এখন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙুলের ছাপের মাধ্যমে এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বায়োমেট্রিক এমন নানা ধরনের প্রযুক্তির মধ্যে ফেসিয়াল রিকগনিশন বা চেহারা শনাক্তকরণের প্রযুক্তিকে ভবিষ্যতের সময়ের সবচেয়ে নিরাপদ প্রযুক্তি হিসেবে মনে করা হচ্ছে। ইন্টেলের রিয়েলসেন্স থ্রিডি ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমেই বিভিন্ন উইন্ডোজ ১০ ডিভাইসে এখনই ‘হ্যালো’র মাধ্যমে এই প্রযুক্তি সংযোজন করেছে মাইক্রোসফট। ভবিষ্যতে থ্রিডি ক্যামেরা ও থ্রিডি ইমেজিংয়ের উন্নয়ন ঘটলে এই প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গ সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছিল মাইক্রোসফট। তবে এখনও এই প্রযুক্তির ব্যবহারকে নিরাপদই মনে করা হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম দ্য অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক এক পরীক্ষায় সেটিই প্রমাণিত হয়েছে। মাইক্রোসফটের এই ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি কতটা নিখুঁতভাবে কোনো মানুষের চেহারা শনাক্ত করতে পারে তা পরীক্ষার জন্য যমজদের শরণাপন্ন হয় দ্য অস্ট্রেলিয়া। তারা মেলবোর্ন ও সিডনির ছয় জোড়া যমজ তরুণ-তরুণী ও কিশোর-কিশোরী বেছে নেয় পরীক্ষার জন্য। এই জমজ ভাই-বোনদের সকলের চেহারাই একই রকম দেখতে। এই ‘আইডেন্টিকাল টুইন’দের যেকোনো একজনকে দিয়ে হ্যালোর মাধ্যমে খোলা হয় উইন্ডোজ ১০ অ্যাকাউন্ট। পরবর্তী সময়ে তার মতোই দেখতে যমজ ভাই বা বোনকে দিয়ে ওই অ্যাকাউন্ট লগ-ইন করার চেষ্টা করা হলে তা ধরে ফেলে হ্যালো। লেনোভো থিংকপ্যাডে পরিচালিত এই গবেষণায় ছয় জোড়া যমজের ক্ষেত্রেই একই ঘটনা ঘটেছে। ফলে মাইক্রোসফটের এই বায়োমেট্রিক সিকিউরিটি সিস্টেমকে দ্য অস্ট্রেলিয়া সুরক্ষিত বলেই ঘোষণা দিয়েছে। মাইক্রোসফটের জন্যও তাই এই পরীক্ষা খুশির খবর হয়েই এসেছে। উল্লেখ্য, হ্যালো সিকিউরিটি সিস্টেমে চেহারা শনাক্তের পাশাপাশি আঙুলের ছাপ এবং চোখের মনির নকশা শনাক্তের সুবিধাও রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

যমজদেরও আলাদা করতে পারে মাইক্রোসফটের হ্যালো!

আপডেট সময় : ০৮:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,

মাসখানেক হলো বিশ্বব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হয়েছে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ উইন্ডোজ ১০। এতে যুক্ত হওয়া নতুন বেশকিছু ফিচার এরই মধ্যে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে প্রযুক্তিপ্রেমীদের। এর মধ্যে বহনযোগ্য সব ডিভাইসে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি হিসেবে ‘হ্যালো’ একটু আলাদা করেই নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে সকলের। ডিজিটাল ডিভাইসগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন নানা ধরনের প্রযুক্তিই ব্যবহার করা হচ্ছে। স্মার্টফোনে এখন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙুলের ছাপের মাধ্যমে এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বায়োমেট্রিক এমন নানা ধরনের প্রযুক্তির মধ্যে ফেসিয়াল রিকগনিশন বা চেহারা শনাক্তকরণের প্রযুক্তিকে ভবিষ্যতের সময়ের সবচেয়ে নিরাপদ প্রযুক্তি হিসেবে মনে করা হচ্ছে। ইন্টেলের রিয়েলসেন্স থ্রিডি ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমেই বিভিন্ন উইন্ডোজ ১০ ডিভাইসে এখনই ‘হ্যালো’র মাধ্যমে এই প্রযুক্তি সংযোজন করেছে মাইক্রোসফট। ভবিষ্যতে থ্রিডি ক্যামেরা ও থ্রিডি ইমেজিংয়ের উন্নয়ন ঘটলে এই প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গ সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছিল মাইক্রোসফট। তবে এখনও এই প্রযুক্তির ব্যবহারকে নিরাপদই মনে করা হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম দ্য অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক এক পরীক্ষায় সেটিই প্রমাণিত হয়েছে। মাইক্রোসফটের এই ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি কতটা নিখুঁতভাবে কোনো মানুষের চেহারা শনাক্ত করতে পারে তা পরীক্ষার জন্য যমজদের শরণাপন্ন হয় দ্য অস্ট্রেলিয়া। তারা মেলবোর্ন ও সিডনির ছয় জোড়া যমজ তরুণ-তরুণী ও কিশোর-কিশোরী বেছে নেয় পরীক্ষার জন্য। এই জমজ ভাই-বোনদের সকলের চেহারাই একই রকম দেখতে। এই ‘আইডেন্টিকাল টুইন’দের যেকোনো একজনকে দিয়ে হ্যালোর মাধ্যমে খোলা হয় উইন্ডোজ ১০ অ্যাকাউন্ট। পরবর্তী সময়ে তার মতোই দেখতে যমজ ভাই বা বোনকে দিয়ে ওই অ্যাকাউন্ট লগ-ইন করার চেষ্টা করা হলে তা ধরে ফেলে হ্যালো। লেনোভো থিংকপ্যাডে পরিচালিত এই গবেষণায় ছয় জোড়া যমজের ক্ষেত্রেই একই ঘটনা ঘটেছে। ফলে মাইক্রোসফটের এই বায়োমেট্রিক সিকিউরিটি সিস্টেমকে দ্য অস্ট্রেলিয়া সুরক্ষিত বলেই ঘোষণা দিয়েছে। মাইক্রোসফটের জন্যও তাই এই পরীক্ষা খুশির খবর হয়েই এসেছে। উল্লেখ্য, হ্যালো সিকিউরিটি সিস্টেমে চেহারা শনাক্তের পাশাপাশি আঙুলের ছাপ এবং চোখের মনির নকশা শনাক্তের সুবিধাও রয়েছে।