ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

‘যতদিনই লাগুক না কেন আগুনবোমা নিক্ষেপকারীদের শাস্তি পেতেই হবে’


৫ জানুয়ারির নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, যতদিনই লাগুক না কেন আগুনবোমা নিক্ষেপকারীদের শাস্তি পেতেই হবে।

কানাডার আদালতের একটি রায়ের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুকে দেয়া পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সজীব ওয়াজেদ বলেন, ৪০ বছর পরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার আগুনবোমা নিক্ষেপকারীদেরও অবশ্যই বিচারের আওতায় আনবে।

তিনি বলেন, যেসব বিএনপি কর্মী ও নেতারা এসব আক্রমণ করেছে; যারা এতে অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবং যারা এসব হামলা অনুমোদন দিয়েছে সবাইকে যতদিনই লাগুক না কেন শাস্তি তাদের পেতেই হবে।

ফেসবুকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পোস্টটি হুবহু তুলে দেয়া হল:

আপনারা সবাই জানেন যে, কানাডার একটি আদালত বিএনপি’কে সন্ত্রাসী দল হিসেবে অভিহিত করেছে। ২০১৩-২০১৫’তে বিএনপির আগুনবোমা সন্ত্রাসের সময় হাসপাতালের একটি বার্ন ইউনিট দেখতে গিয়েছিলাম। সেখানে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের দেখে আমি আঁতকে উঠেছি। এই ভয়াবহ দৃশ্য ছিল অকল্পনীয়। এই আগুনবোমা রাজনীতি হতে পারে না; এটা ছিল স্পষ্টই সন্ত্রাসবাদ।
অতীতে রাজনৈতিক সহিংসতায় আমাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখেছি। সেটা পুলিশ কিংবা সরকারী দলের কর্মীদের সাথে আমাদের কর্মীদের প্রতিরোধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র জামায়াত-বিএনপি এই দুই দলই বেসামরিক জনগণকে লক্ষ করে সন্ত্রাস করলো।

প্রথমটি হল জামায়াত-ই-ইসলাম, এদের সাথে ছিল আল-বদর, আল-শামস, ইত্যাদি বেসামরিক সেনাবাহিনী, যারা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বেসামরিক নাগরিকদের নির্যাতন এবং হত্যা করেছিল। দ্বিতীয়টি হল বিএনপি, যারা বিগত নির্বাচনের সময় বাস, ট্রেন ও গাড়িতে আগুনবোমা নিক্ষেপ করেছিল। এখানে কোন সন্দেহই নেই যে, বিএনপি ও জামায়াত একে অপরের সঙ্গী।

যখনই কেউ বেসামরিক নাগরিকদের উপরে হামলা চালায়, তখন সে সংগঠন রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে দাবি করার অধিকার হারায়-উভয়েই সন্ত্রাসী সংগঠন।

যেভাবে আমরা ৪০ বছর পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় এনেছি, আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার এই আগুনবোমা নিক্ষেপকারী অপরাধীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনবে।

যেসব বিএনপি কর্মী ও নেতারা এসব আক্রমণ করেছে; যারা এতে অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবং যারা এসব হামলা অনুমোদন দিয়েছে সবাইকে যতদিনই লাগুক না কেন শাস্তি তাদের পেতেই হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম

‘যতদিনই লাগুক না কেন আগুনবোমা নিক্ষেপকারীদের শাস্তি পেতেই হবে’

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


৫ জানুয়ারির নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, যতদিনই লাগুক না কেন আগুনবোমা নিক্ষেপকারীদের শাস্তি পেতেই হবে।

কানাডার আদালতের একটি রায়ের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুকে দেয়া পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সজীব ওয়াজেদ বলেন, ৪০ বছর পরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার আগুনবোমা নিক্ষেপকারীদেরও অবশ্যই বিচারের আওতায় আনবে।

তিনি বলেন, যেসব বিএনপি কর্মী ও নেতারা এসব আক্রমণ করেছে; যারা এতে অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবং যারা এসব হামলা অনুমোদন দিয়েছে সবাইকে যতদিনই লাগুক না কেন শাস্তি তাদের পেতেই হবে।

ফেসবুকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পোস্টটি হুবহু তুলে দেয়া হল:

আপনারা সবাই জানেন যে, কানাডার একটি আদালত বিএনপি’কে সন্ত্রাসী দল হিসেবে অভিহিত করেছে। ২০১৩-২০১৫’তে বিএনপির আগুনবোমা সন্ত্রাসের সময় হাসপাতালের একটি বার্ন ইউনিট দেখতে গিয়েছিলাম। সেখানে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের দেখে আমি আঁতকে উঠেছি। এই ভয়াবহ দৃশ্য ছিল অকল্পনীয়। এই আগুনবোমা রাজনীতি হতে পারে না; এটা ছিল স্পষ্টই সন্ত্রাসবাদ।
অতীতে রাজনৈতিক সহিংসতায় আমাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখেছি। সেটা পুলিশ কিংবা সরকারী দলের কর্মীদের সাথে আমাদের কর্মীদের প্রতিরোধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র জামায়াত-বিএনপি এই দুই দলই বেসামরিক জনগণকে লক্ষ করে সন্ত্রাস করলো।

প্রথমটি হল জামায়াত-ই-ইসলাম, এদের সাথে ছিল আল-বদর, আল-শামস, ইত্যাদি বেসামরিক সেনাবাহিনী, যারা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বেসামরিক নাগরিকদের নির্যাতন এবং হত্যা করেছিল। দ্বিতীয়টি হল বিএনপি, যারা বিগত নির্বাচনের সময় বাস, ট্রেন ও গাড়িতে আগুনবোমা নিক্ষেপ করেছিল। এখানে কোন সন্দেহই নেই যে, বিএনপি ও জামায়াত একে অপরের সঙ্গী।

যখনই কেউ বেসামরিক নাগরিকদের উপরে হামলা চালায়, তখন সে সংগঠন রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে দাবি করার অধিকার হারায়-উভয়েই সন্ত্রাসী সংগঠন।

যেভাবে আমরা ৪০ বছর পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় এনেছি, আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার এই আগুনবোমা নিক্ষেপকারী অপরাধীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনবে।

যেসব বিএনপি কর্মী ও নেতারা এসব আক্রমণ করেছে; যারা এতে অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবং যারা এসব হামলা অনুমোদন দিয়েছে সবাইকে যতদিনই লাগুক না কেন শাস্তি তাদের পেতেই হবে।