ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

মালয়েশিয়া হাই কমিশন: গোপন রিপোর্টে ডেপুটি হাই কমিশনারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ;

Hisilicon Balong

Hisilicon Balong

 

 

তাজ উদ্দীন

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে করা একটি গোপন রিপোর্টে মালয়েশিয়া হাই কমিশনের ডেপুটি হাই কমিশনার খোরশেদ খাস্তগীরের বিরুদ্ধে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। রিপোর্টটি সম্ভবত গণভবনে পাওয়া ডকুমেন্ট গুলার মধ্যে একটি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কেউ একজন এটি তৈরি করেছেন।

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে খোরশেদ খাস্তগীরের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের কোম্পানি “EXPAT SERVICES”-এর হাতে হাই কমিশনের কাজ তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি আর্থিক অনিয়ম করেছেন। এছাড়াও, তার মালয়েশিয়া আসার পর থেকেই তিনি হাই কমিশনের ভিতরে এবং বাইরে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন।

মালয়েশিয়ায় এসেই খোরশেদ খাস্তগীর বেসরকারি কোম্পানি “Dotline” এর সাথে যুক্ত হয়ে “BanglaTiger Digital” নামে একটি জব পোর্টাল চালু করেন। কোনো ধরনের মালয়েশিয়ান সরকারের অনুমোদন ছাড়াই চালু করা এই জব পোর্টালের কারণে মালয়েশিয়ান সরকারের কাছে হাই কমিশনকে অপ্রস্তুত হতে হয়েছে।

তিনি তৈরি করা একটি চ্যাটবট মালয়েশিয়ার প্রবাসীদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়। প্রথম আলোতে ডটলাইন-এর মালিক মাহবুব মতিনকে নিয়ে মানি লন্ডারিংয়ের খবর প্রকাশের পর হঠাৎ করেই চ্যাটবট বন্ধ করে দেন খোরশেদ।

EXPAT SERVICES-এর অতিরিক্ত ফি নিয়েও প্রবাসীদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

রিপোর্টে খোরশেদ খাস্তগীরকে ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত লোকাল এজেন্ট নির্বাচন বা অন্য কোন কাজে না রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। তার ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব তদন্তের বিষয়েও রিপোর্টে বলা হয়েছে।

খোরশেদ খাস্তগীর এবং আগের কাউন্সেলর (কনসুলার) জিএম রাসেল রানা, যিনি বাংলাদেশে এনএসআইতে ছিলেন, হাই কমিশনের ভিতরের পরিবেশকেও খারাপ করে তুলেছেন। হাই কমিশনের কিছু কর্মকর্তা ছাড়া আর কেউই তার মুখও দেখতে চান না।

ছাত্র আন্দোলন চলাকালে খোরশেদ খাস্তগীর কনসুলার মুরশেদ আলমকে নিয়ে মালয়েশিয়ায় আন্দোলনকারীদের পাসপোর্ট বাতিলের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন, যার অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে।

তার গুরুতর অভিযোগের কারণে হাই কমিশনের কাজকর্মের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম

মালয়েশিয়া হাই কমিশন: গোপন রিপোর্টে ডেপুটি হাই কমিশনারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ;

আপডেট সময় : ১১:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০২৪
Hisilicon Balong

 

 

তাজ উদ্দীন

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে করা একটি গোপন রিপোর্টে মালয়েশিয়া হাই কমিশনের ডেপুটি হাই কমিশনার খোরশেদ খাস্তগীরের বিরুদ্ধে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। রিপোর্টটি সম্ভবত গণভবনে পাওয়া ডকুমেন্ট গুলার মধ্যে একটি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কেউ একজন এটি তৈরি করেছেন।

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে খোরশেদ খাস্তগীরের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের কোম্পানি “EXPAT SERVICES”-এর হাতে হাই কমিশনের কাজ তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি আর্থিক অনিয়ম করেছেন। এছাড়াও, তার মালয়েশিয়া আসার পর থেকেই তিনি হাই কমিশনের ভিতরে এবং বাইরে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন।

মালয়েশিয়ায় এসেই খোরশেদ খাস্তগীর বেসরকারি কোম্পানি “Dotline” এর সাথে যুক্ত হয়ে “BanglaTiger Digital” নামে একটি জব পোর্টাল চালু করেন। কোনো ধরনের মালয়েশিয়ান সরকারের অনুমোদন ছাড়াই চালু করা এই জব পোর্টালের কারণে মালয়েশিয়ান সরকারের কাছে হাই কমিশনকে অপ্রস্তুত হতে হয়েছে।

তিনি তৈরি করা একটি চ্যাটবট মালয়েশিয়ার প্রবাসীদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়। প্রথম আলোতে ডটলাইন-এর মালিক মাহবুব মতিনকে নিয়ে মানি লন্ডারিংয়ের খবর প্রকাশের পর হঠাৎ করেই চ্যাটবট বন্ধ করে দেন খোরশেদ।

EXPAT SERVICES-এর অতিরিক্ত ফি নিয়েও প্রবাসীদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

রিপোর্টে খোরশেদ খাস্তগীরকে ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত লোকাল এজেন্ট নির্বাচন বা অন্য কোন কাজে না রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। তার ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব তদন্তের বিষয়েও রিপোর্টে বলা হয়েছে।

খোরশেদ খাস্তগীর এবং আগের কাউন্সেলর (কনসুলার) জিএম রাসেল রানা, যিনি বাংলাদেশে এনএসআইতে ছিলেন, হাই কমিশনের ভিতরের পরিবেশকেও খারাপ করে তুলেছেন। হাই কমিশনের কিছু কর্মকর্তা ছাড়া আর কেউই তার মুখও দেখতে চান না।

ছাত্র আন্দোলন চলাকালে খোরশেদ খাস্তগীর কনসুলার মুরশেদ আলমকে নিয়ে মালয়েশিয়ায় আন্দোলনকারীদের পাসপোর্ট বাতিলের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন, যার অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে।

তার গুরুতর অভিযোগের কারণে হাই কমিশনের কাজকর্মের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।