ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

বিচারকের প্রতি খালেদার অনাস্থার শুনানি ২২ ফেব্রুয়ারি

বিচারকের প্রতি খালেদার অনাস্থার শুনানি ২২ ফেব্রুয়ারি
নিজস্ব প্রতিবেদক,


ফাইল ছবি

বিচারকের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি বিচারিক আদালত পরিবর্তন চেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

খালেদা জিয়ার সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই দিন ধার্য করেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

রাগিব রউফ চৌধুরী বলেন, আমাদের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিন করেছেন।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘উনারা মামলার বিচারকে বিলম্বিত করতে চান। সেই জন্য সময় আবেদন করছেন। আদালত সময় মঞ্জুর করেছেন ২২ ফেব্রুয়ারি।

আদালত সূত্র জানায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি রাজধানীর বকশীবাজারে অবস্থিত আবু আহমেদ জমাদারের বিশেষ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আসামিপক্ষে সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। তবে ট্রাস্টে টাকা সৌদি আরব থেকে এসেছে নাকি কুয়েত থেকে এসেছে সেই বিষয়ে সাফাই সাক্ষ্য হওয়ার আগে বিষয়টি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে একটি আবেদন করেন। ওই আবেদন খারিজ করে সাফাই সাক্ষ্য দেয়ার জন্য দিন ধার্য করলে খালেদা জিয়া বিচারকের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে উচ্চ আদালতে যান। গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। আবেদনে মামলাটি অন্য আদালতে স্থানান্তরের আরজি জানানো হয়।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মামলাটি বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও ‍বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই আদালতের এখতিয়ার পরিবর্তন হওয়ায় পরে মামলাটি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমেরন নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানির জন্য আবেদন করেন খালেদার আইনজীবীরা।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।

খালেদা ছাড়াও এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক সাংসদ ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের বোনের ছেলে মমিনুর রহমান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম

বিচারকের প্রতি খালেদার অনাস্থার শুনানি ২২ ফেব্রুয়ারি

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বিচারকের প্রতি খালেদার অনাস্থার শুনানি ২২ ফেব্রুয়ারি
নিজস্ব প্রতিবেদক,


ফাইল ছবি

বিচারকের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি বিচারিক আদালত পরিবর্তন চেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

খালেদা জিয়ার সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই দিন ধার্য করেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

রাগিব রউফ চৌধুরী বলেন, আমাদের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিন করেছেন।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘উনারা মামলার বিচারকে বিলম্বিত করতে চান। সেই জন্য সময় আবেদন করছেন। আদালত সময় মঞ্জুর করেছেন ২২ ফেব্রুয়ারি।

আদালত সূত্র জানায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি রাজধানীর বকশীবাজারে অবস্থিত আবু আহমেদ জমাদারের বিশেষ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আসামিপক্ষে সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। তবে ট্রাস্টে টাকা সৌদি আরব থেকে এসেছে নাকি কুয়েত থেকে এসেছে সেই বিষয়ে সাফাই সাক্ষ্য হওয়ার আগে বিষয়টি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে একটি আবেদন করেন। ওই আবেদন খারিজ করে সাফাই সাক্ষ্য দেয়ার জন্য দিন ধার্য করলে খালেদা জিয়া বিচারকের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে উচ্চ আদালতে যান। গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। আবেদনে মামলাটি অন্য আদালতে স্থানান্তরের আরজি জানানো হয়।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মামলাটি বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও ‍বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই আদালতের এখতিয়ার পরিবর্তন হওয়ায় পরে মামলাটি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমেরন নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানির জন্য আবেদন করেন খালেদার আইনজীবীরা।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।

খালেদা ছাড়াও এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক সাংসদ ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের বোনের ছেলে মমিনুর রহমান।