ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

বাংলাভাষার উভ্যুদয়ে জমিয়তের অবদান

বাংলাভাষার উভ্যুদয়ে জমিয়তের অবদান

সাজ্জাদুর রহমান আনসারী।

১৯৫২সালের ভাষা আন্দোল ছিল বাঙালিদের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীকে বাঙালি ও বাঙালায় আগ্রাসন মুক্ত করার এই প্রথম ঐক্যবদ্ধ গড়জেয়াছ কোন আন্দোল । আমরা বাঙালি জাতি। জাত হিসেবে আমাদের এই ভূখণ্ড । আছে আমাদের ভাষা, নিজস্ব সংস্কৃতি ও সভ্যতা ।
কিন্তু ইদানীং আমাদের বুদ্ধির দৌড়টা একেবারে ওপার নির্ভর হয়েগেছে! আওয়ামীলিগ নিজেদের অপশাসন ও অপকর্মকে ঢাকতে যেকোন উপায় ক্ষমতা থাকতে চাইছে! এই ক্ষমতা পিচাষরা তাদের গদি রক্ষায় আমাদের স্বাধীনতাকে ভারতের কাছে যেভাবে বর্গা দিয়েছে, আমার মনে হয় না পৃথিবীর আর কোন দেশে ক্ষমতার ধান্দাবাজরা এমন উদ্ভট! এতো লোভী! এতো অপদার্থত!

আসছে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পালিত হয় ডাকঢোল পিঠিয়ে! কিন্তু যাঁরা পালন করার কথা ছিলো দামাঢোল পিটিয়ে তাঁরা আজ বিজাতীয় আগ্রাসনের শিকার যেমন, তেমনই জ্ঞান-বুদ্ধির লোডশেডিংও কম দায়ী নয়! নতুন প্রজেন্মর অনেকেই তো নিজেদের ইতিহাস-ঐতিহ্য-অবদান ভুলেগেছে বেমালুম । ফলে মাঝে মধ্যে বেমানান এমন কিছু করে বসেন যাতে আমরা সাত সমুদ্র তেরো নদীর অপারেও হই লজ্জিত! আসা রাখি তাঁর শীঘ্রই একটা সমাধান আসবে।

মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল দেশের ৭0% মানুষ কিন্তু দল হিসেবে আওয়ামীলিগের অবদান যেমনএকটু বেশি । তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ঠিক তদ্রূপ রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন “তমদ্দুন মজলিশ” ‘র ব্যানারে হলেও দল হিসেবে জমিয়তে উলাময়ে ইসলামের অবদান একটু বেশি । তাও অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।
ক্ষমতায় অদিষ্টিত হতে না পারায় ৫২পরবর্তী জেনারেশন দলটির ইতিহাস-ঐতিহ্য-অবদান একেবারে ভুলে যাচ্ছে সাধারণ গণতান্ত্রিক দলের মতো করুনা নির্ভর রাজনীতি করছে! শতাব্দী প্রাচীন এদলটি এখন রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকার কথা যেখানে, সেখানে তাঁরা অনেক সময় সভা-সমিতি, মিছিল-মিটিংয়ের অনুমতি পাননা! আসলে বর্তমান বৈষয়িক রাজনীতি সম্পূর্ণ পররাষ্ট্র নির্ভর হয়েগেছে! আর ইসলামি দলগুলো মূলত এখানেই কোনঠাসা!
যাহোক বলছিলাম রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠার কথা। ইতিহাসের মহল্লায় হানা দিলে জানা যায়-
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্ট পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর করাচিতে এক শিক্ষা সম্মেলনে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ দিকে পূর্ব বাংলার সংখ্যা গরিষ্ঠ লোক ছিল বাঙ্গালী। তারা চায় রাষ্ট্রভাষা হোক বাংলা। তখন সর্বপ্রথম ৪৭ সালে একটি ইসলামী আদর্শবাদী সংগঠন ‘‘তমদ্দুন মজলিস’’ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতারা আন্দোলন শুরু করেন। হযরত মাওলানা আতহার আলী রহ. মানুষের নিকট তা গ্রহনীয় করে তুলার জন্য জমিয়তের পাকিস্তানের সংবিধানের এক ধারায় লিখলেন ‘উর্দুর সাথে বাংলাকেও পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করতে হবে। (দ্র: মাসিক মদীনা-ডিসেম্বর-২০০৮/ বদরুদ্দীন ওমর ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি পৃ: ২৪১)
১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে আবারো ঘোষণা করলেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। ফলে ১৯৪৮ সালের ১১ই মার্চ প্রথম ভাষা আন্দোলনের প্রতিবাদ দিবস করা হয়। এদিন ঢাকার রাজপথে সাধারণ ধর্মঘট পুরোপরি পালিত হয়।
১৯৪৯ সাল থেকে বাঙ্গালীরা মায়ের ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার স্বপ্নে সবুজ রং মেখে নেমে যায় আন্দোলনে। কিন্তু গ্রেফতার, অত্যাচারে দিন গুলো হয়ে উঠল বেদনায় নীল।
১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বরে লিয়াকত আলি খান আবারো গণ পরিষদে ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা। তাতে পুর্বাঞ্চলীয়রা আবারো ফেটে পড়ে। তারপর নির্যাতন আর নিপীড়নের মধ্য দিয়ে আসে ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সাল।
১৯৫২ সালের ২ শে ফেব্রুয়ারি “১৪৪ ধারা” জারী করা হয়। সেদিন পাকিস্তানিরা চিনতে পেরেছিল, বাঙ্গালীরা কারা। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বাঙ্গালীরা আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে। অত:পর জানা-অজানা অনেক আদরের দুলালদের রক্তে রঞ্জিত হল ঢাকার পিচঢালা রাজপথ। মুলত সে কারণেই ২১শে ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘেও স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
অবশেষে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে তমদ্দুন মজলিশ ও জমিয়তের ধারাবাহিক চাপপ্রয়োগে। অবশেষে ১৯৯৯ সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়। ফলে বিশ্বের সকল দেশেই প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি পালিত হয় বিশেষ গুরুত্ব ও মর্যাদার সাথে।
জমিয়তের রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্টরা সেই দিনের মতো দেশব্যাপি উন্নতমানের একখানা কর্মসূচি দিলে হারানো ঐতিহ্য-অবদান ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে?
(লেখক : মাওলানা সাজ্জাদুর রহমান আনসারী।
E-mail sajjaduransari@gmail.com

জমিয়াতুল উলামা ইউকের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও হেফাজতে ইসলামের ইউরোপরে প্রচার সহকারী মাওলানা সাজ্জাদুর রহমান আনসারী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

বাংলাভাষার উভ্যুদয়ে জমিয়তের অবদান

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাংলাভাষার উভ্যুদয়ে জমিয়তের অবদান

সাজ্জাদুর রহমান আনসারী।

১৯৫২সালের ভাষা আন্দোল ছিল বাঙালিদের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীকে বাঙালি ও বাঙালায় আগ্রাসন মুক্ত করার এই প্রথম ঐক্যবদ্ধ গড়জেয়াছ কোন আন্দোল । আমরা বাঙালি জাতি। জাত হিসেবে আমাদের এই ভূখণ্ড । আছে আমাদের ভাষা, নিজস্ব সংস্কৃতি ও সভ্যতা ।
কিন্তু ইদানীং আমাদের বুদ্ধির দৌড়টা একেবারে ওপার নির্ভর হয়েগেছে! আওয়ামীলিগ নিজেদের অপশাসন ও অপকর্মকে ঢাকতে যেকোন উপায় ক্ষমতা থাকতে চাইছে! এই ক্ষমতা পিচাষরা তাদের গদি রক্ষায় আমাদের স্বাধীনতাকে ভারতের কাছে যেভাবে বর্গা দিয়েছে, আমার মনে হয় না পৃথিবীর আর কোন দেশে ক্ষমতার ধান্দাবাজরা এমন উদ্ভট! এতো লোভী! এতো অপদার্থত!

আসছে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পালিত হয় ডাকঢোল পিঠিয়ে! কিন্তু যাঁরা পালন করার কথা ছিলো দামাঢোল পিটিয়ে তাঁরা আজ বিজাতীয় আগ্রাসনের শিকার যেমন, তেমনই জ্ঞান-বুদ্ধির লোডশেডিংও কম দায়ী নয়! নতুন প্রজেন্মর অনেকেই তো নিজেদের ইতিহাস-ঐতিহ্য-অবদান ভুলেগেছে বেমালুম । ফলে মাঝে মধ্যে বেমানান এমন কিছু করে বসেন যাতে আমরা সাত সমুদ্র তেরো নদীর অপারেও হই লজ্জিত! আসা রাখি তাঁর শীঘ্রই একটা সমাধান আসবে।

মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল দেশের ৭0% মানুষ কিন্তু দল হিসেবে আওয়ামীলিগের অবদান যেমনএকটু বেশি । তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ঠিক তদ্রূপ রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন “তমদ্দুন মজলিশ” ‘র ব্যানারে হলেও দল হিসেবে জমিয়তে উলাময়ে ইসলামের অবদান একটু বেশি । তাও অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।
ক্ষমতায় অদিষ্টিত হতে না পারায় ৫২পরবর্তী জেনারেশন দলটির ইতিহাস-ঐতিহ্য-অবদান একেবারে ভুলে যাচ্ছে সাধারণ গণতান্ত্রিক দলের মতো করুনা নির্ভর রাজনীতি করছে! শতাব্দী প্রাচীন এদলটি এখন রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকার কথা যেখানে, সেখানে তাঁরা অনেক সময় সভা-সমিতি, মিছিল-মিটিংয়ের অনুমতি পাননা! আসলে বর্তমান বৈষয়িক রাজনীতি সম্পূর্ণ পররাষ্ট্র নির্ভর হয়েগেছে! আর ইসলামি দলগুলো মূলত এখানেই কোনঠাসা!
যাহোক বলছিলাম রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠার কথা। ইতিহাসের মহল্লায় হানা দিলে জানা যায়-
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্ট পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর করাচিতে এক শিক্ষা সম্মেলনে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ দিকে পূর্ব বাংলার সংখ্যা গরিষ্ঠ লোক ছিল বাঙ্গালী। তারা চায় রাষ্ট্রভাষা হোক বাংলা। তখন সর্বপ্রথম ৪৭ সালে একটি ইসলামী আদর্শবাদী সংগঠন ‘‘তমদ্দুন মজলিস’’ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতারা আন্দোলন শুরু করেন। হযরত মাওলানা আতহার আলী রহ. মানুষের নিকট তা গ্রহনীয় করে তুলার জন্য জমিয়তের পাকিস্তানের সংবিধানের এক ধারায় লিখলেন ‘উর্দুর সাথে বাংলাকেও পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করতে হবে। (দ্র: মাসিক মদীনা-ডিসেম্বর-২০০৮/ বদরুদ্দীন ওমর ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি পৃ: ২৪১)
১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে আবারো ঘোষণা করলেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। ফলে ১৯৪৮ সালের ১১ই মার্চ প্রথম ভাষা আন্দোলনের প্রতিবাদ দিবস করা হয়। এদিন ঢাকার রাজপথে সাধারণ ধর্মঘট পুরোপরি পালিত হয়।
১৯৪৯ সাল থেকে বাঙ্গালীরা মায়ের ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার স্বপ্নে সবুজ রং মেখে নেমে যায় আন্দোলনে। কিন্তু গ্রেফতার, অত্যাচারে দিন গুলো হয়ে উঠল বেদনায় নীল।
১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বরে লিয়াকত আলি খান আবারো গণ পরিষদে ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা। তাতে পুর্বাঞ্চলীয়রা আবারো ফেটে পড়ে। তারপর নির্যাতন আর নিপীড়নের মধ্য দিয়ে আসে ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সাল।
১৯৫২ সালের ২ শে ফেব্রুয়ারি “১৪৪ ধারা” জারী করা হয়। সেদিন পাকিস্তানিরা চিনতে পেরেছিল, বাঙ্গালীরা কারা। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বাঙ্গালীরা আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে। অত:পর জানা-অজানা অনেক আদরের দুলালদের রক্তে রঞ্জিত হল ঢাকার পিচঢালা রাজপথ। মুলত সে কারণেই ২১শে ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘেও স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
অবশেষে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে তমদ্দুন মজলিশ ও জমিয়তের ধারাবাহিক চাপপ্রয়োগে। অবশেষে ১৯৯৯ সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়। ফলে বিশ্বের সকল দেশেই প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি পালিত হয় বিশেষ গুরুত্ব ও মর্যাদার সাথে।
জমিয়তের রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্টরা সেই দিনের মতো দেশব্যাপি উন্নতমানের একখানা কর্মসূচি দিলে হারানো ঐতিহ্য-অবদান ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে?
(লেখক : মাওলানা সাজ্জাদুর রহমান আনসারী।
E-mail sajjaduransari@gmail.com

জমিয়াতুল উলামা ইউকের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও হেফাজতে ইসলামের ইউরোপরে প্রচার সহকারী মাওলানা সাজ্জাদুর রহমান আনসারী।