ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

বন্ধুর চেয়ে বেশি

1436
আজ বিকেল ৩টা ০৫ মিনিটে চ্যানেল আইয়ে প্রচার হবে ঈদের বিশেষ টেলিফিল্ম ‘বন্ধুর চেয়ে বেশীি’। মাতিয়া বানু শুকুর চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় টেলিফিল্মটিতে অভিনয় করেছেন মীর সাব্বির, সুমাইয়া শিমু, পাভেল ইসলাম, মাহফুজ ইসলাম, হাসি মুন, শিখা, বাদল প্রমুখ।

কোনো এক মফস্বল শহরের মোবাইল ফোনের দোকান সুজনের। কবি স্বভাবের এই ছেলে তার দোকানে বসে অন্যদের ফোনে সহায়তা করে, কবিতা, প্রেম পত্রও লিখে দেয়। কখনও ই-মেইল, কখনও ফেসবুক, কখনও আবার হাতে লেখা চিঠি। মালয়েশিয়ায় তার স্বামীর কাছে ফোন করতে একদিন সাথী সুজনের দোকানে আসে। প্রাইমারিতে পড়ার সময় সুজন-সাথী একই স্কুলে পড়তো। এতোদিন পর আবার দেখা হওয়ায় দু’জনই খুব খুশি। এভাবে দিনে দিনে ওদের বন্ধুত্ব গভীর হয়। সুজন সাথীকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। কিন্তু একদিন সাথীর স্বামী শামীম মেইল করে জানায়, বিদেশ যাওয়ার জন্য যে বাড়ি তারা বন্ধক রেখেছিল সেটা ছাড়ানোর সময় হয়ে এসেছে। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সে একবারে নিঃস্ব, সে এখন কি করবে! এমনই একটি গল্পে নির্মিত হয়েছে টেলিফিল্মটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

বন্ধুর চেয়ে বেশি

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০১৫

1436
আজ বিকেল ৩টা ০৫ মিনিটে চ্যানেল আইয়ে প্রচার হবে ঈদের বিশেষ টেলিফিল্ম ‘বন্ধুর চেয়ে বেশীি’। মাতিয়া বানু শুকুর চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় টেলিফিল্মটিতে অভিনয় করেছেন মীর সাব্বির, সুমাইয়া শিমু, পাভেল ইসলাম, মাহফুজ ইসলাম, হাসি মুন, শিখা, বাদল প্রমুখ।

কোনো এক মফস্বল শহরের মোবাইল ফোনের দোকান সুজনের। কবি স্বভাবের এই ছেলে তার দোকানে বসে অন্যদের ফোনে সহায়তা করে, কবিতা, প্রেম পত্রও লিখে দেয়। কখনও ই-মেইল, কখনও ফেসবুক, কখনও আবার হাতে লেখা চিঠি। মালয়েশিয়ায় তার স্বামীর কাছে ফোন করতে একদিন সাথী সুজনের দোকানে আসে। প্রাইমারিতে পড়ার সময় সুজন-সাথী একই স্কুলে পড়তো। এতোদিন পর আবার দেখা হওয়ায় দু’জনই খুব খুশি। এভাবে দিনে দিনে ওদের বন্ধুত্ব গভীর হয়। সুজন সাথীকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। কিন্তু একদিন সাথীর স্বামী শামীম মেইল করে জানায়, বিদেশ যাওয়ার জন্য যে বাড়ি তারা বন্ধক রেখেছিল সেটা ছাড়ানোর সময় হয়ে এসেছে। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সে একবারে নিঃস্ব, সে এখন কি করবে! এমনই একটি গল্পে নির্মিত হয়েছে টেলিফিল্মটি।