ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই: তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমি দেশে ১৭ বছর থাকতে পারিনি। তাহলে এতো বছর দেশের উন্নয়ন কি হয়নি? যেখানে যাই সবাই বিভিন্ন বিষয়ে আবদার করে। তবে হুট করে প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের তো আর যাওয়ার কোনো জায়গা নাই।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নওগাঁ শহরের এটিম মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছর বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো উন্নয়ন ও পরিবর্তন হয়নি। আমরা গ্রামের মানুষের উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই। নারীদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই।

মানুষ যেনো নিরাপদ পথে-ঘাটে হাঁটতে পারে এবং নিরাপদে ঘুমাতে পারে সেলক্ষ্যে কাজ করা হবে। ঢাকার অনেক উন্নয়ন হয়েছে। অনেকগুলো ফ্লাইওভার নির্মাণ হয়েছে। মেগা প্রকল্প মানে মেগা দুর্নীতি।

কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কৃষকদের ভালো রাখলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। কৃষকদের সুবিধার জন্য শহীদ জিয়া পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদ মওকুফ করে দিয়েছিলেন। আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদ মওকুফ করে দেবো। দেশের সব কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া হবে পর্যায়ক্রমে। যা দিয়ে ফসলের যাবতীয় বীজ-সার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবো।

যাতে তার অর্থনীতির ভিত্তি শক্ত হয় এবং প্রাকৃতিক ক্ষতি মোকাবিলা করতে পারে। কৃষকদের খরচ কমাতে ফসল ঢাকায় নিতে রেল ব্যবস্থার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং ট্রেনে চড়ে মানুষ সহজে ঢাকা যেতে পারে। নির্বাচিত হলে পরের দিন থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজ শুরু করবো।

নারীদের উদ্দেশে্যে তিনি বলেন, মায়েদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যা দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিমাসে একটা সুবিধা দেয়া হবে। গ্রাম-গঞ্জে মায়েরা ভালো চিকিৎসা সেবা পান না। এজন্য গ্রামে হেলথ কেয়ার করা হবে। যাতে ছোট অসুখ ঘরে বসে নিরাময় করতে পারে।

শিক্ষিত বেকারদের উদ্দেশে্যে তিনি বলেন, পড়ালেখা করলে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে এমন না, খেলোয়াড়ও হতে পারে। এজন্য স্কুল থেকে খেলা শিখতে হবে এবং বিদেশে গিয়ে সুনাম অর্জনসহ অর্থনৈতিকভাবে আয় করতে পারে। সারাদেশে বহুত শিক্ষিত ছেলেমেয়ে আছে। যেহেতু এটা কৃষি অঞ্চল এবং কলকারখানা আছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করলে তাদের কর্মসংস্থান বাড়বে। আইটি সেক্টরে গুরুত্ব দেয়া হবে। বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে কথা হয়েছে তারা দেশে আসতে চায়। সেখানে আইটি অভিজ্ঞরা কাজ করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রতিমাসে সম্মানি দেয়া হবে। সরকার গঠন করা হলে দাবিগুলো আস্তে আস্তে বাস্তবায়ন করা হবে। আর এ লক্ষ্যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে। জুলাই-আগস্টে যারা গুম, খুনের শিকার ও আহত হয়েছে তাদের অনেক ত্যাগ রয়েছে। ষড়যন্ত্র এখনো শেষ হয়নি। একপক্ষ চলে গেছে আরেক পক্ষ আছে। এজন্য ব্যালট বাক্স পাহারা দিতে হবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই: তারেক রহমান

আপডেট সময় : ১০:২৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমি দেশে ১৭ বছর থাকতে পারিনি। তাহলে এতো বছর দেশের উন্নয়ন কি হয়নি? যেখানে যাই সবাই বিভিন্ন বিষয়ে আবদার করে। তবে হুট করে প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের তো আর যাওয়ার কোনো জায়গা নাই।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নওগাঁ শহরের এটিম মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছর বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো উন্নয়ন ও পরিবর্তন হয়নি। আমরা গ্রামের মানুষের উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই। নারীদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই।

মানুষ যেনো নিরাপদ পথে-ঘাটে হাঁটতে পারে এবং নিরাপদে ঘুমাতে পারে সেলক্ষ্যে কাজ করা হবে। ঢাকার অনেক উন্নয়ন হয়েছে। অনেকগুলো ফ্লাইওভার নির্মাণ হয়েছে। মেগা প্রকল্প মানে মেগা দুর্নীতি।

কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কৃষকদের ভালো রাখলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। কৃষকদের সুবিধার জন্য শহীদ জিয়া পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদ মওকুফ করে দিয়েছিলেন। আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদ মওকুফ করে দেবো। দেশের সব কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া হবে পর্যায়ক্রমে। যা দিয়ে ফসলের যাবতীয় বীজ-সার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবো।

যাতে তার অর্থনীতির ভিত্তি শক্ত হয় এবং প্রাকৃতিক ক্ষতি মোকাবিলা করতে পারে। কৃষকদের খরচ কমাতে ফসল ঢাকায় নিতে রেল ব্যবস্থার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং ট্রেনে চড়ে মানুষ সহজে ঢাকা যেতে পারে। নির্বাচিত হলে পরের দিন থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজ শুরু করবো।

নারীদের উদ্দেশে্যে তিনি বলেন, মায়েদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যা দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিমাসে একটা সুবিধা দেয়া হবে। গ্রাম-গঞ্জে মায়েরা ভালো চিকিৎসা সেবা পান না। এজন্য গ্রামে হেলথ কেয়ার করা হবে। যাতে ছোট অসুখ ঘরে বসে নিরাময় করতে পারে।

শিক্ষিত বেকারদের উদ্দেশে্যে তিনি বলেন, পড়ালেখা করলে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে এমন না, খেলোয়াড়ও হতে পারে। এজন্য স্কুল থেকে খেলা শিখতে হবে এবং বিদেশে গিয়ে সুনাম অর্জনসহ অর্থনৈতিকভাবে আয় করতে পারে। সারাদেশে বহুত শিক্ষিত ছেলেমেয়ে আছে। যেহেতু এটা কৃষি অঞ্চল এবং কলকারখানা আছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করলে তাদের কর্মসংস্থান বাড়বে। আইটি সেক্টরে গুরুত্ব দেয়া হবে। বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে কথা হয়েছে তারা দেশে আসতে চায়। সেখানে আইটি অভিজ্ঞরা কাজ করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রতিমাসে সম্মানি দেয়া হবে। সরকার গঠন করা হলে দাবিগুলো আস্তে আস্তে বাস্তবায়ন করা হবে। আর এ লক্ষ্যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে। জুলাই-আগস্টে যারা গুম, খুনের শিকার ও আহত হয়েছে তাদের অনেক ত্যাগ রয়েছে। ষড়যন্ত্র এখনো শেষ হয়নি। একপক্ষ চলে গেছে আরেক পক্ষ আছে। এজন্য ব্যালট বাক্স পাহারা দিতে হবে।