ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ভাসমান স্টেডিয়াম

স্টাফ রিপোর্টার,
1012
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ভাসমান স্টেডিয়ামের নির্মান কাজ শেষ হওয়ার পর এটি উদ্বোধন করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের মেরিনা উপসাগরে নির্মিত এই স্টেডিয়াম লম্বায় ১২০ মিটার ও চওড়া ৮৩ মিটার। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভাসমান এই স্টেডিয়ামে শুধু খেলাই নয়, কনসার্ট, প্যারেড, প্রদর্শনী আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও ব্যবহার করা হচ্ছে।

ইস্পাতের তৈরি এ স্টেডিয়াম একবারে বইতে পারে এক হাজার সত্তর টন ওজন। অর্থাৎ ৯ হাজার মানুষ, স্টেজ বানানোর জন্য ২০০ টন পর্যন্ত জিনিস, আর ৩০ টন ওজনের বড় বড় তিনটি গাড়ি একসঙ্গে রাখা যাবে এ স্টেডিয়ামের ওপর। আর এখানে অনুষ্ঠিত খেলা বা অনুষ্ঠান উপভোগের জন্য ৩০ হাজার লোকের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে স্টেডিয়াম লাগোয়া এক বড় গ্যালারিতে।
মজার ব্যাপার হলো, মেরিনা বে ফ্লোটিং স্টেডিয়াম বানানো হয়েছিল সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের বিকল্প হিসেবে অস্থায়ীভাবে ব্যবহারের জন্য । কেননা, তখন জাতীয় স্টেডিয়ামটি সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়। তবে ভাসমান এ স্টেডিয়ামের অনন্য বৈশিষ্ট্যের কারণে এখন ব্যবহার করা হচ্ছে নানা কাজে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ভাসমান স্টেডিয়াম

আপডেট সময় : ০৯:৪১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
1012
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ভাসমান স্টেডিয়ামের নির্মান কাজ শেষ হওয়ার পর এটি উদ্বোধন করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের মেরিনা উপসাগরে নির্মিত এই স্টেডিয়াম লম্বায় ১২০ মিটার ও চওড়া ৮৩ মিটার। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভাসমান এই স্টেডিয়ামে শুধু খেলাই নয়, কনসার্ট, প্যারেড, প্রদর্শনী আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও ব্যবহার করা হচ্ছে।

ইস্পাতের তৈরি এ স্টেডিয়াম একবারে বইতে পারে এক হাজার সত্তর টন ওজন। অর্থাৎ ৯ হাজার মানুষ, স্টেজ বানানোর জন্য ২০০ টন পর্যন্ত জিনিস, আর ৩০ টন ওজনের বড় বড় তিনটি গাড়ি একসঙ্গে রাখা যাবে এ স্টেডিয়ামের ওপর। আর এখানে অনুষ্ঠিত খেলা বা অনুষ্ঠান উপভোগের জন্য ৩০ হাজার লোকের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে স্টেডিয়াম লাগোয়া এক বড় গ্যালারিতে।
মজার ব্যাপার হলো, মেরিনা বে ফ্লোটিং স্টেডিয়াম বানানো হয়েছিল সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের বিকল্প হিসেবে অস্থায়ীভাবে ব্যবহারের জন্য । কেননা, তখন জাতীয় স্টেডিয়ামটি সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়। তবে ভাসমান এ স্টেডিয়ামের অনন্য বৈশিষ্ট্যের কারণে এখন ব্যবহার করা হচ্ছে নানা কাজে।