ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

নতুন উদ্যমে পুরনো ন্যান্‌সি

2062
ঢাকা টু ময়মনসিংহ, আবার ময়মনসিংহ টু ঢাকা। কয়েক মাস ধরে এভাবেই সফরের মধ্য দিয়ে কাটছে দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ন্যান্‌সির সময়। গেল রোজা, কোরবানির ঈদও পরিবারসহ ময়মনসিংহে করেছেন তিনি। রোজার ঈদের পর থেকে যখন কোন রেকর্ডিং, শো কিংবা শুটিং থেকেছে, কেবল তখনই ঢাকায় এসেছেন ন্যান্‌সি। মূলত ময়মনসিংহে নিজের নতুন বাড়ির কাজ তদারকির জন্যই সেখানে বেশির ভাগ সময় থাকছেন তিনি। সর্বশেষ তিন দিন আগে ঢাকায় এসেছিলেন এ তারকা। এখন ময়মনসিংয়ের বাড়ির শেষের অংশের কাজ তদারকি করতে আবার সেখানে গেছেন। তবে সব মিলিয়ে ন্যান্‌সি বেশ উচ্ছ্বসিত। কারণ এরই মধ্যে তার বাড়ির কাজ প্রায় শেষ। এখন কেবল ফিটিংসের কাজ বাকি। সেটা শেষ হয়ে যাবে আর এক-দেড় মাসের মধ্যেই। তবে তার আগেই ঢাকায় ফিরবেন তিনি। এরই মধ্যে মোহাম্মদপুরের বাসা ছেড়ে গ্রীনরোডে নতুন বাসা নিয়েছেন ন্যান্‌সি। চলতি মাসের ৩১ তারিখ ওই বাসায় ওঠার কথা রয়েছে তার। এ বিষয়ে ন্যান্‌সি বলেন, আমার এতদিনের কষ্ট সার্থক হয়েছে। ময়মনসিংহের বাড়ির কাজ প্রায় শেষের দিকে। মূল কাজ শেষ হলেও ফিটিংসের কাজ বাকি। সেটা করতেও কিন্তু অনেক অর্থ ব্যয় হবে (হেসে)। তবে আমি আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। এতদিন এ বাড়ির কাজের জন্যই ময়মনসিংহ টু ঢাকা আর ঢাকা টু ময়মনসিংহ সফর করতে হয়েছে ঘন ঘন। তবে এবার এক বুক আনন্দ নিয়ে ঢাকা ফিরবো। ঠিক করেছি এর মধ্যে আর ময়মনসিংহ যাব না। টানা কাজ করবো ঢাকায়। আমার একক অ্যালবামের কাজসহ বিভিন্ন রেকর্ডিং রয়েছে, শো রয়েছে। একে একে এ কাজগুলো শেষ করবো। বলতে পারেন এখন আমি পুরোপুরি টেনশনমুক্ত। তাই কেবল সামনে কাজগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে চাই। এর মধ্যে ভালোবাসা দিবস ও পহেলা বৈশাখের কয়েকটি অ্যালবামের গান ঢাকায় গিয়েই রেকর্ডিং করে ফেলবো। এদিকে এরই মধ্যে ন্যান্‌সির চতুর্থ একক অ্যালবামের চারটি গানের কাজ শেষ হয়েছে। তবে সেগুলোতে কণ্ঠ দেননি তিনি। আগামী মাসের মধ্যেই অ্যালবামের কাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তার এ অ্যালবামের সুর-সংগীতায়োজন করছেন নাজির মাহমুদ, শফিক তুহিন, শওকত আলী ইমন প্রমুখ। সব গানের কথা লিখছেন আহমেদ রিজভী। এর বাইরে সম্প্রতি কুমার বিশ্বজিতের সঙ্গে একটি দ্বৈত গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ন্যান্‌সি। এটি একটি চলচ্চিত্রের গান। সামনে আরও বেশ কিছু অ্যালবাম ও চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দেয়ার কথা রয়েছে তার। কিছু জিঙ্গেলের কাজও রয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু শোও রয়েছে। ময়মনসিংহ থাকার ফলে এতদিন টিভি লাইভেও তেমন একটা দেখা যায়নি এ শিল্পীকে। তবে এখন থেকে বেছে বেছে টিভি লাইভগুলোতেও গাইবেন তিনি। সব মিলিয়ে নতুন উদ্যমে পুুরনো ন্যান্‌সিকে সামনে সবাই আবিষ্কার করতে পারবেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমার চতুর্থ একক অ্যালবামের কাজ চলছে। এটি সাউন্ডটেকের ব্যানারে আসবে। অনেক আগে থেকেই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে আছে। কয়েকটি ট্র্যাকও তৈরি হয়েছে। তবে আপাতত বিভিন্ন কারণে এর কাজ বন্ধ রয়েছে। খুব শিগগিরই তা শুরু হবে। কয়েকজন সংগীত পরিচালাকই অ্যালবামটির কাজ করছেন। এর বাইরেও কয়েকটি চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের কাজ রয়েছে। আর শোর ব্যস্ততা তো রয়েছেই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

নতুন উদ্যমে পুরনো ন্যান্‌সি

আপডেট সময় : ১০:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৫

2062
ঢাকা টু ময়মনসিংহ, আবার ময়মনসিংহ টু ঢাকা। কয়েক মাস ধরে এভাবেই সফরের মধ্য দিয়ে কাটছে দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ন্যান্‌সির সময়। গেল রোজা, কোরবানির ঈদও পরিবারসহ ময়মনসিংহে করেছেন তিনি। রোজার ঈদের পর থেকে যখন কোন রেকর্ডিং, শো কিংবা শুটিং থেকেছে, কেবল তখনই ঢাকায় এসেছেন ন্যান্‌সি। মূলত ময়মনসিংহে নিজের নতুন বাড়ির কাজ তদারকির জন্যই সেখানে বেশির ভাগ সময় থাকছেন তিনি। সর্বশেষ তিন দিন আগে ঢাকায় এসেছিলেন এ তারকা। এখন ময়মনসিংয়ের বাড়ির শেষের অংশের কাজ তদারকি করতে আবার সেখানে গেছেন। তবে সব মিলিয়ে ন্যান্‌সি বেশ উচ্ছ্বসিত। কারণ এরই মধ্যে তার বাড়ির কাজ প্রায় শেষ। এখন কেবল ফিটিংসের কাজ বাকি। সেটা শেষ হয়ে যাবে আর এক-দেড় মাসের মধ্যেই। তবে তার আগেই ঢাকায় ফিরবেন তিনি। এরই মধ্যে মোহাম্মদপুরের বাসা ছেড়ে গ্রীনরোডে নতুন বাসা নিয়েছেন ন্যান্‌সি। চলতি মাসের ৩১ তারিখ ওই বাসায় ওঠার কথা রয়েছে তার। এ বিষয়ে ন্যান্‌সি বলেন, আমার এতদিনের কষ্ট সার্থক হয়েছে। ময়মনসিংহের বাড়ির কাজ প্রায় শেষের দিকে। মূল কাজ শেষ হলেও ফিটিংসের কাজ বাকি। সেটা করতেও কিন্তু অনেক অর্থ ব্যয় হবে (হেসে)। তবে আমি আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। এতদিন এ বাড়ির কাজের জন্যই ময়মনসিংহ টু ঢাকা আর ঢাকা টু ময়মনসিংহ সফর করতে হয়েছে ঘন ঘন। তবে এবার এক বুক আনন্দ নিয়ে ঢাকা ফিরবো। ঠিক করেছি এর মধ্যে আর ময়মনসিংহ যাব না। টানা কাজ করবো ঢাকায়। আমার একক অ্যালবামের কাজসহ বিভিন্ন রেকর্ডিং রয়েছে, শো রয়েছে। একে একে এ কাজগুলো শেষ করবো। বলতে পারেন এখন আমি পুরোপুরি টেনশনমুক্ত। তাই কেবল সামনে কাজগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে চাই। এর মধ্যে ভালোবাসা দিবস ও পহেলা বৈশাখের কয়েকটি অ্যালবামের গান ঢাকায় গিয়েই রেকর্ডিং করে ফেলবো। এদিকে এরই মধ্যে ন্যান্‌সির চতুর্থ একক অ্যালবামের চারটি গানের কাজ শেষ হয়েছে। তবে সেগুলোতে কণ্ঠ দেননি তিনি। আগামী মাসের মধ্যেই অ্যালবামের কাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তার এ অ্যালবামের সুর-সংগীতায়োজন করছেন নাজির মাহমুদ, শফিক তুহিন, শওকত আলী ইমন প্রমুখ। সব গানের কথা লিখছেন আহমেদ রিজভী। এর বাইরে সম্প্রতি কুমার বিশ্বজিতের সঙ্গে একটি দ্বৈত গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ন্যান্‌সি। এটি একটি চলচ্চিত্রের গান। সামনে আরও বেশ কিছু অ্যালবাম ও চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দেয়ার কথা রয়েছে তার। কিছু জিঙ্গেলের কাজও রয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু শোও রয়েছে। ময়মনসিংহ থাকার ফলে এতদিন টিভি লাইভেও তেমন একটা দেখা যায়নি এ শিল্পীকে। তবে এখন থেকে বেছে বেছে টিভি লাইভগুলোতেও গাইবেন তিনি। সব মিলিয়ে নতুন উদ্যমে পুুরনো ন্যান্‌সিকে সামনে সবাই আবিষ্কার করতে পারবেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমার চতুর্থ একক অ্যালবামের কাজ চলছে। এটি সাউন্ডটেকের ব্যানারে আসবে। অনেক আগে থেকেই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে আছে। কয়েকটি ট্র্যাকও তৈরি হয়েছে। তবে আপাতত বিভিন্ন কারণে এর কাজ বন্ধ রয়েছে। খুব শিগগিরই তা শুরু হবে। কয়েকজন সংগীত পরিচালাকই অ্যালবামটির কাজ করছেন। এর বাইরেও কয়েকটি চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের কাজ রয়েছে। আর শোর ব্যস্ততা তো রয়েছেই।