ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ও ৮৬ ধারা বাতিলে আইনি নোটিশ

স্টাফ রিপোর্টার,
701
তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ও ৮৬ ধারা বাতিল বা প্রত্যাহার চেয়ে চার সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনুস আলী আকন্দ। বুধবার সকালে এই নোটিশ পাঠানো হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোটিশের জবাব না দিলে এই ধারা বাতিল চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন করবেন তিনি।

বুধবার আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ জানিয়েছেন, সকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সচিব ও তথ্য সচিবকে এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, এই দুইটি ধারা বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকের চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওা হয়েছে। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা সংবিধানের এই অনুচ্ছেদকে লঙ্ঘন করে।

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ (১) ও (২) ধারায় বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক ফর্মে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করলে তিনি অনধিক ১৪ বছর ও কমপক্ষে ৭ বছর এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

অন্যদিকে ৮৬ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইন বা বিধির অধীনে সরল বিশ্বাসে করা কোনো কাজের ফলে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে এজন্য সরকার, নিয়ন্ত্রক, উপনিয়ন্ত্রক, সহকারী নিয়ন্ত্রক বা তাদের পক্ষে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা অন্য কোনো আইনগত কার্যক্রম নেয়া যাবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ও ৮৬ ধারা বাতিলে আইনি নোটিশ

আপডেট সময় : ০৭:১৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
701
তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ও ৮৬ ধারা বাতিল বা প্রত্যাহার চেয়ে চার সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনুস আলী আকন্দ। বুধবার সকালে এই নোটিশ পাঠানো হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোটিশের জবাব না দিলে এই ধারা বাতিল চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন করবেন তিনি।

বুধবার আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ জানিয়েছেন, সকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সচিব ও তথ্য সচিবকে এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, এই দুইটি ধারা বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকের চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওা হয়েছে। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা সংবিধানের এই অনুচ্ছেদকে লঙ্ঘন করে।

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ (১) ও (২) ধারায় বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক ফর্মে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করলে তিনি অনধিক ১৪ বছর ও কমপক্ষে ৭ বছর এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

অন্যদিকে ৮৬ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইন বা বিধির অধীনে সরল বিশ্বাসে করা কোনো কাজের ফলে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে এজন্য সরকার, নিয়ন্ত্রক, উপনিয়ন্ত্রক, সহকারী নিয়ন্ত্রক বা তাদের পক্ষে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা অন্য কোনো আইনগত কার্যক্রম নেয়া যাবে না।