ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

জীবন বদলে দিল ফেসবুক পোস্ট

1378
দরিদ্রতার কারণে সন্ধ্যার পর বাড়িতে আলো জ্বালানোর সামর্থ্য ছিলো না হরেন্দ্র সিংয়ের পরিবারের। তাই বাধ্য হয়ে বই খাতা নিয়ে হরেন্দ্র চলে আসতো মেট্রো স্টেশনে। স্টেশনের প্লাটফরমে বসে ল্যাম্পপোস্টের আলোতে বসেই সেরে নিতে হতো পড়ালেখা। হরেন্দ্রর পাশেই থাকতো ওজন মাপার একটি মেশিন।

বই পড়ার ফাঁকে প্লাটফরমের যাত্রীদের কেউ কেউ ওজন মেপে দুই-একটা টাকা দিয়ে যেতেন তাকে। এভাবে প্রতিদিন কমবেশি ৭০ রুপি আয় হলে তা দিয়ে বাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও কিনে বাড়ি ফিরতো।

এভাবেই কোন রকমে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছিলো সে। বেশ কয়েক দিন আগে প্লাটফরমে ঘুরতে আসা এক যাত্রী হরেন্দ্রর জীবন-যুদ্ধের এই কাহিনী ধারণ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। তার এই পোস্টের পরই বদলে যেতে থাকলো ১৩ বছর বয়সী হরেন্দ্রর জীবন।

হরেন্দ্রর এই অধ্যবসায়ের গল্প জানতে পেরে অনেকেই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। খোদ উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তাকে পাঁচ লাখ রুপি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। রাষ্ট্রই তার লেখাপড়ার ভার বহন করবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারবে জেনে সে দারুণ খুশি। বড় হয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চায় সংগ্রামী হরেন্দ্র।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

জীবন বদলে দিল ফেসবুক পোস্ট

আপডেট সময় : ১০:২৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1378
দরিদ্রতার কারণে সন্ধ্যার পর বাড়িতে আলো জ্বালানোর সামর্থ্য ছিলো না হরেন্দ্র সিংয়ের পরিবারের। তাই বাধ্য হয়ে বই খাতা নিয়ে হরেন্দ্র চলে আসতো মেট্রো স্টেশনে। স্টেশনের প্লাটফরমে বসে ল্যাম্পপোস্টের আলোতে বসেই সেরে নিতে হতো পড়ালেখা। হরেন্দ্রর পাশেই থাকতো ওজন মাপার একটি মেশিন।

বই পড়ার ফাঁকে প্লাটফরমের যাত্রীদের কেউ কেউ ওজন মেপে দুই-একটা টাকা দিয়ে যেতেন তাকে। এভাবে প্রতিদিন কমবেশি ৭০ রুপি আয় হলে তা দিয়ে বাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও কিনে বাড়ি ফিরতো।

এভাবেই কোন রকমে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছিলো সে। বেশ কয়েক দিন আগে প্লাটফরমে ঘুরতে আসা এক যাত্রী হরেন্দ্রর জীবন-যুদ্ধের এই কাহিনী ধারণ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। তার এই পোস্টের পরই বদলে যেতে থাকলো ১৩ বছর বয়সী হরেন্দ্রর জীবন।

হরেন্দ্রর এই অধ্যবসায়ের গল্প জানতে পেরে অনেকেই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। খোদ উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তাকে পাঁচ লাখ রুপি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। রাষ্ট্রই তার লেখাপড়ার ভার বহন করবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারবে জেনে সে দারুণ খুশি। বড় হয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চায় সংগ্রামী হরেন্দ্র।