ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

ছিটমহলের সাবেক বাসিন্দা হাবিবুর ভারতে ভালো চাকরি প্রত্যাশী

1043
অবশেষে আজ ভারতের মূল ভূখ-ে ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন হাবিবুর রহমান। এজন্য বেশ খুশি তিনি। বাংলাদেশে ভারতের সহকারী হাই কমিশনার স্বন্দীপ মিত্র ভ্রমণ পাস অনুমোদন করায় ভারত ভ্রমণে হাবিবুরের সামনে কোন বাধা থাকছে না। বাংলাদেশের কুড়িগ্রামে অবস্থিত ভারতের দাশিয়ারছড়া ছিটমহলের সাবেক বাসিন্দা হাবিবুর রহমান। এখন এটি বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে ইতিহাসে মাস্টার্স করেছেন হাবিবুর। কিন্তু, কোন ভালো চাকরি এখনও জোটেনি। ভালো একটি চাকরি পাওয়ার আশা পূরণে তিনি ভারতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে শুধু হাবিবুর নিজেই ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে, তার পিতামাতাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন দ্য স্টেটসম্যান।
টেলিফোনে হাবিবুর রহমান বলছিলেন, আমি ভারতের একটি ছিটমহলের বাসিন্দা ছিলাম। যেহেতু আমি ভারতীয় বংশোদ্ভূত, তাই আমি ভারতীয় জাতীয়তা বেছে নিয়েছিলাম। আমার পিতামাতা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা নতুন বাংলাদেশে বসবাস করবেন। বাংলাদেশে আমি সার ও কীটনাশক বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতাম। ২০১১ সালে রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে ইতিহাসে মাস্টার্স সম্পন্ন করি আমি। কিন্তু, উপযুক্ত কোন চাকরি খুঁজে পাইনি। তিনি বলেন, আমার লক্ষ্য হচ্ছে ভারতে যাওয়া ও উপযুক্ত কাজ খুঁজে বের করা। আমি সেখানে স্কুল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবো। হাবিবুর জানাচ্ছিলেন, বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনে কর্মরত ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর প্রায় ৩২ জনের একটি দল গত সোমবার থেকে ওই অঞ্চলগুলোতে যাচ্ছেন। তারা বাংলাদেশের বুড়িমারী ও ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা চেকপোস্টে যাওয়ার পরিকল্পনাও করেছেন। ভারতের কয়েকটি গ্রামে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। ভারতের মূল ভূখ-ে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপনের পর তারা সেখানে আত্মীয়-স্বজনসহ কয়েকজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ও তাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনার ছক তৈরি করবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

ছিটমহলের সাবেক বাসিন্দা হাবিবুর ভারতে ভালো চাকরি প্রত্যাশী

আপডেট সময় : ১০:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1043
অবশেষে আজ ভারতের মূল ভূখ-ে ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন হাবিবুর রহমান। এজন্য বেশ খুশি তিনি। বাংলাদেশে ভারতের সহকারী হাই কমিশনার স্বন্দীপ মিত্র ভ্রমণ পাস অনুমোদন করায় ভারত ভ্রমণে হাবিবুরের সামনে কোন বাধা থাকছে না। বাংলাদেশের কুড়িগ্রামে অবস্থিত ভারতের দাশিয়ারছড়া ছিটমহলের সাবেক বাসিন্দা হাবিবুর রহমান। এখন এটি বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে ইতিহাসে মাস্টার্স করেছেন হাবিবুর। কিন্তু, কোন ভালো চাকরি এখনও জোটেনি। ভালো একটি চাকরি পাওয়ার আশা পূরণে তিনি ভারতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে শুধু হাবিবুর নিজেই ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে, তার পিতামাতাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন দ্য স্টেটসম্যান।
টেলিফোনে হাবিবুর রহমান বলছিলেন, আমি ভারতের একটি ছিটমহলের বাসিন্দা ছিলাম। যেহেতু আমি ভারতীয় বংশোদ্ভূত, তাই আমি ভারতীয় জাতীয়তা বেছে নিয়েছিলাম। আমার পিতামাতা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা নতুন বাংলাদেশে বসবাস করবেন। বাংলাদেশে আমি সার ও কীটনাশক বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতাম। ২০১১ সালে রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে ইতিহাসে মাস্টার্স সম্পন্ন করি আমি। কিন্তু, উপযুক্ত কোন চাকরি খুঁজে পাইনি। তিনি বলেন, আমার লক্ষ্য হচ্ছে ভারতে যাওয়া ও উপযুক্ত কাজ খুঁজে বের করা। আমি সেখানে স্কুল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবো। হাবিবুর জানাচ্ছিলেন, বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনে কর্মরত ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর প্রায় ৩২ জনের একটি দল গত সোমবার থেকে ওই অঞ্চলগুলোতে যাচ্ছেন। তারা বাংলাদেশের বুড়িমারী ও ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা চেকপোস্টে যাওয়ার পরিকল্পনাও করেছেন। ভারতের কয়েকটি গ্রামে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। ভারতের মূল ভূখ-ে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপনের পর তারা সেখানে আত্মীয়-স্বজনসহ কয়েকজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ও তাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনার ছক তৈরি করবেন।