ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়ঙ্কর যুদ্ধের আশঙ্কা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: চীনের প্রতি নরম-গরম নীতি চালিয়ে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।একদিকে বাণিজ্য যুদ্ধ এড়াতে আলোচনা,অন্যদিকে দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক তৎপরতার পরিণতি সম্পর্কে চীনকে সতর্ক করে দিচ্ছে ওয়াশিংটন।এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১৫ বছরের মধ্যে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বাধার আশঙ্কা রয়েছে-এমনটাই জানালেন ইউরোপে মোতায়েন মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাক্তন প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল বেন হজেস।

বেন হজেস জানান, ইউরোপের দেশগুলোর উচিত যুদ্ধ সক্ষমতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করা। চীনের বিরুদ্ধে নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে নজর দিতে হবে। ইউরোপের পাশাপাশি প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় একইসঙ্গে চীনের হুমকি মোকাবেলা করার ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রে নেই বলেই মনে করেন তিনি।

বেন হজেস ২০১৪ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত ইউরোপে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। বর্তমানে তিনি ওয়াশিংটনের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইউরোপিয়ান পলিসি অ্যানালাইসিস-এ স্ট্র্যাটেজিক এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করছেন। ভূ-রাজনৈতিক অগ্রাধিকারে পরিবর্তন এলেও ন্যাটো জোটের প্রতি মার্কিন সরকারের প্রতিশ্রুতি আগের মতোই রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া, ইউরোপের নিরাপত্তাকে যুক্তরাষ্ট্র তার মৌলিক স্বার্থ বলে বিবেচনা করে। ফলে ইউরোপে মার্কিন সামরিক বিনিয়োগ ও প্রশিক্ষণ অব্যাহত থাকবে বলেও জনান বেন হজেস।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রতিকূল বাণিজ্য ঘাটতির বিরুদ্ধে শুরু থেকেই তোপ দেগে এসেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সমালোচকদের মতে, এমন সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির ফলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সার্বিক বাণিজ্যিক সম্পর্কের স্বার্থ দেখতে পাচ্ছেন না। কারণ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কাঠামো তোলপাড় হয়ে গেলে আখেরে যুক্তরাষ্ট্রেরই ক্ষতি হবে। ডলারের বিনিময় মূল্য বেড়ে যাবে, রপ্তানি কমে যাবে এবং প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম

চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়ঙ্কর যুদ্ধের আশঙ্কা!

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: চীনের প্রতি নরম-গরম নীতি চালিয়ে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।একদিকে বাণিজ্য যুদ্ধ এড়াতে আলোচনা,অন্যদিকে দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক তৎপরতার পরিণতি সম্পর্কে চীনকে সতর্ক করে দিচ্ছে ওয়াশিংটন।এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১৫ বছরের মধ্যে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বাধার আশঙ্কা রয়েছে-এমনটাই জানালেন ইউরোপে মোতায়েন মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাক্তন প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল বেন হজেস।

বেন হজেস জানান, ইউরোপের দেশগুলোর উচিত যুদ্ধ সক্ষমতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করা। চীনের বিরুদ্ধে নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে নজর দিতে হবে। ইউরোপের পাশাপাশি প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় একইসঙ্গে চীনের হুমকি মোকাবেলা করার ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রে নেই বলেই মনে করেন তিনি।

বেন হজেস ২০১৪ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত ইউরোপে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। বর্তমানে তিনি ওয়াশিংটনের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইউরোপিয়ান পলিসি অ্যানালাইসিস-এ স্ট্র্যাটেজিক এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করছেন। ভূ-রাজনৈতিক অগ্রাধিকারে পরিবর্তন এলেও ন্যাটো জোটের প্রতি মার্কিন সরকারের প্রতিশ্রুতি আগের মতোই রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া, ইউরোপের নিরাপত্তাকে যুক্তরাষ্ট্র তার মৌলিক স্বার্থ বলে বিবেচনা করে। ফলে ইউরোপে মার্কিন সামরিক বিনিয়োগ ও প্রশিক্ষণ অব্যাহত থাকবে বলেও জনান বেন হজেস।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রতিকূল বাণিজ্য ঘাটতির বিরুদ্ধে শুরু থেকেই তোপ দেগে এসেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সমালোচকদের মতে, এমন সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির ফলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সার্বিক বাণিজ্যিক সম্পর্কের স্বার্থ দেখতে পাচ্ছেন না। কারণ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কাঠামো তোলপাড় হয়ে গেলে আখেরে যুক্তরাষ্ট্রেরই ক্ষতি হবে। ডলারের বিনিময় মূল্য বেড়ে যাবে, রপ্তানি কমে যাবে এবং প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।