ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি: কিয়ার স্টারমার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • 65

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি হবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। স্থানীয় সময় শুক্রবার চীনের সাংহাইয়ে সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চীন নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে স্টারমার বলেন, আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ সরাসরি দেশের অভ্যন্তরে প্রভাব ফেলছে। তাই অস্থির বিশ্বে যুক্ত থাকতে হবে। উল্লেখ্য, ট্রাম্প চীনের সঙ্গে ব্যবসা করাকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্য আমি দেখেছি। এই সফরের আগে আমরা তার টিমের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ট্রাম্প নিজেও এপ্রিলে চীন সফরে আসতে পারেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যা ঘটছে, তার প্রভাব সরাসরি আমাদের ঘরোয়া পরিস্থিতিতে পড়ছে। তাই আমাদের যুক্ত থাকতে হবে।’

বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য ও চীনের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও সমন্বয় জরুরি, এমন মন্তব্য করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ক্রিস্টোফার পিসারিদিস।

তিনি বলেন, বিশ্ব যখন আরও বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকিতে, তখন এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফাঁকে সিজিটিএনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন পিসারিদিস।

তিনি বলেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যা করছেন, তা একেবারেই সঠিক। আমি খুবই উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা বার্তা ও নীতি সম্পর্কে। দেখা যাচ্ছে, বিশ্ব তিনটি পরাশক্তির মধ্যে ভাগ হয়ে যাচ্ছে, যেখানে তারা একেক জায়গা দখল করছে।

এ সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সাম্প্রতিক চীন সফরের গুরুত্বও তুলে ধরেন ক্রিস্টোফার পিসারিদিস। এ ছাড়া আট বছরের মধ্যে এটিই কোনো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রথম চীন সফর।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি: কিয়ার স্টারমার

আপডেট সময় : ১১:২৬:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি হবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। স্থানীয় সময় শুক্রবার চীনের সাংহাইয়ে সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চীন নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে স্টারমার বলেন, আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ সরাসরি দেশের অভ্যন্তরে প্রভাব ফেলছে। তাই অস্থির বিশ্বে যুক্ত থাকতে হবে। উল্লেখ্য, ট্রাম্প চীনের সঙ্গে ব্যবসা করাকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্য আমি দেখেছি। এই সফরের আগে আমরা তার টিমের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ট্রাম্প নিজেও এপ্রিলে চীন সফরে আসতে পারেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যা ঘটছে, তার প্রভাব সরাসরি আমাদের ঘরোয়া পরিস্থিতিতে পড়ছে। তাই আমাদের যুক্ত থাকতে হবে।’

বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য ও চীনের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও সমন্বয় জরুরি, এমন মন্তব্য করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ক্রিস্টোফার পিসারিদিস।

তিনি বলেন, বিশ্ব যখন আরও বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকিতে, তখন এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফাঁকে সিজিটিএনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন পিসারিদিস।

তিনি বলেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যা করছেন, তা একেবারেই সঠিক। আমি খুবই উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা বার্তা ও নীতি সম্পর্কে। দেখা যাচ্ছে, বিশ্ব তিনটি পরাশক্তির মধ্যে ভাগ হয়ে যাচ্ছে, যেখানে তারা একেক জায়গা দখল করছে।

এ সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সাম্প্রতিক চীন সফরের গুরুত্বও তুলে ধরেন ক্রিস্টোফার পিসারিদিস। এ ছাড়া আট বছরের মধ্যে এটিই কোনো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রথম চীন সফর।