ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

এমপি লিটন হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তল-গুলি পরীক্ষার জন্য ঢাকায়

নিউজ ডেস্ক:: মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যায় অভিযুক্ত কাদের খান সোর্স হিসেবে দীর্ঘদিন আগে থেকেই ব্যবহার করে আসছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক ও এমপি লিটন বিরোধী গ্রুপের অন্যতম চন্দন কুমার রায়কে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এ কথা স্বীকার করেছেন কাদের খান। এদিকে লিটন হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তুল, ম্যাগাজিন, গুলি ও গুলির খোসা পরীক্ষার জন্য সোমবার বিকালে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে হত্যার পর যে আগমনী এক্সপ্রেস কোচে খুনিরা ঢাকায় গিয়েছিল তার টিকিটের রেজিস্ট্রার খাতা ও বগুড়ার যে হোটেলে কাদেরসহ কিলাররা খাওয়া দাওয়া করেছে সেই আকবরিয়ায় সিসি ক্যামেরার ভিডিও ক্লিপও পুলিশ জব্দ করেছে।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) রবিউল ইসলাম জানান, এই হত্যাকাণ্ডের কাদের খানের অন্যতম সোর্স ও সমন্বয়নকারী চন্দন কুমার সরকারের সম্পৃক্ততার কথা শুধু কাদের খানই নন গ্রেফতার ৪ জন কিলার এ সম্পর্কে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। পুলিশ তাকে খুঁজছে।

গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পি পি শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, আব্দুল কাদের খানসহ ৫ আসামির জবানবন্দিতে চন্দন কুমার রায় নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার নাম এসেছে। এমপি লিটনকে হত্যা করতে কাদের খানের সাথে তিনি পরিকল্পনা এবং লিটনের অবস্থানসহ সব ধরনের তথ্য কাদেরকে দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করেছেন চন্দন।

এদিকে চন্দন সরকার এখন ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। গাইবান্ধার কয়েকজন সাংবাদিককে কলকাতার একটি নম্বর থেকে মোবাইল ফোনে চন্দন যোগাযোগ করে বলেন তিনি এখন কলকাতায় অবস্থান করছেন। তিনি এই ঘটনার সাথে জড়িত নন। তাকে অহেতুক ফাঁসানো হচ্ছে। তবে কাদের খান এবং কিলারদের সাথে তার মোবাইলের কথোপকথন রেকর্ড করা আছে বলে জানানো হলে তিনি নিশ্চুপ হয়ে যান। তিনি এই খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হলে কেন পালিয়ে গা ঢাকা দিলেন এ প্রশ্ন করলে জানান, পুলিশ তার খোঁজ করছিল বলেই ঝামেলা এড়াতে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

এমপি লিটন হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তল-গুলি পরীক্ষার জন্য ঢাকায়

আপডেট সময় : ১২:২৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:: মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যায় অভিযুক্ত কাদের খান সোর্স হিসেবে দীর্ঘদিন আগে থেকেই ব্যবহার করে আসছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক ও এমপি লিটন বিরোধী গ্রুপের অন্যতম চন্দন কুমার রায়কে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এ কথা স্বীকার করেছেন কাদের খান। এদিকে লিটন হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তুল, ম্যাগাজিন, গুলি ও গুলির খোসা পরীক্ষার জন্য সোমবার বিকালে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে হত্যার পর যে আগমনী এক্সপ্রেস কোচে খুনিরা ঢাকায় গিয়েছিল তার টিকিটের রেজিস্ট্রার খাতা ও বগুড়ার যে হোটেলে কাদেরসহ কিলাররা খাওয়া দাওয়া করেছে সেই আকবরিয়ায় সিসি ক্যামেরার ভিডিও ক্লিপও পুলিশ জব্দ করেছে।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) রবিউল ইসলাম জানান, এই হত্যাকাণ্ডের কাদের খানের অন্যতম সোর্স ও সমন্বয়নকারী চন্দন কুমার সরকারের সম্পৃক্ততার কথা শুধু কাদের খানই নন গ্রেফতার ৪ জন কিলার এ সম্পর্কে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। পুলিশ তাকে খুঁজছে।

গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পি পি শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, আব্দুল কাদের খানসহ ৫ আসামির জবানবন্দিতে চন্দন কুমার রায় নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার নাম এসেছে। এমপি লিটনকে হত্যা করতে কাদের খানের সাথে তিনি পরিকল্পনা এবং লিটনের অবস্থানসহ সব ধরনের তথ্য কাদেরকে দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করেছেন চন্দন।

এদিকে চন্দন সরকার এখন ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। গাইবান্ধার কয়েকজন সাংবাদিককে কলকাতার একটি নম্বর থেকে মোবাইল ফোনে চন্দন যোগাযোগ করে বলেন তিনি এখন কলকাতায় অবস্থান করছেন। তিনি এই ঘটনার সাথে জড়িত নন। তাকে অহেতুক ফাঁসানো হচ্ছে। তবে কাদের খান এবং কিলারদের সাথে তার মোবাইলের কথোপকথন রেকর্ড করা আছে বলে জানানো হলে তিনি নিশ্চুপ হয়ে যান। তিনি এই খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হলে কেন পালিয়ে গা ঢাকা দিলেন এ প্রশ্ন করলে জানান, পুলিশ তার খোঁজ করছিল বলেই ঝামেলা এড়াতে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।