ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

এক জামায়াত নেতাকে হত্যা করেছিলেন তারেক সাঈদ: রিজভী

র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তা ও সাত খুন মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক সাঈদের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে হত্যার অভিযোগ করছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘২০১৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর তারেক সাঈদের নেতৃত্বে র‌্যাব-১১ সদস্যরা নির্মমভাবে খুন করে লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. ফয়েজ আহমেদ। র‌্যাব সদস্যরা ডা. ফয়েজকে গ্রেফতারের জন্য তার বাড়িতে অভিযান চালায়। তাকে শয়নকক্ষ থেকে বাড়ির ছাদে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তারেক সাঈদের নির্দেশে তাকে (ডা. ফয়েজ) লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করা হয়। পরে বাড়ির ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে নিচে ফেলে দিলে ঘটনাস্থলেই ডা. ফয়েজের মৃত্যু হয়।’
রিজভী বলেন, গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে র‌্যাব-১১ ছিল কসাইখানা। সাত খুন ছাড়াও র‌্যাব-১১ এর অধীনে কমপক্ষে ১১ জন নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। দায়সারাভাবে তদন্ত চাপা পড়ে আছে। সুষ্ঠু তদন্ত হলে এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলেও খবর বেরিয়েছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘তাদের কাছে মানুষ খুন করা ছিল অনেকটা পাখি শিকারের মতো। আলোচিত সাত খুনের ঘটনা নয়, এর আগেও তারা কমপক্ষে ১১ ব্যক্তিকে প্রথমে গুম, পরে নৃশংসভাবে প্রায় একই কায়দায় খুন করে লাশ গায়েব করে দেয়। নারায়ণগঞ্জ ছাড়াও র‌্যাব-১১ এর আওতায় মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলা ছিল। সে কারণে এসব জেলায় গুম-খুনের যেসব ঘটনা ঘটেছে তার সঙ্গে র‌্যাবের সম্পৃক্ততা থাকার আশঙ্কা আছে অনেকেরই।’
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী জানান, ২০১৩ সালে বিএনপি’র সাবেক এমপি সাইফুল ইসলাম হিরু ও বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির পারভেজ লাকসাম থেকে কুমিল্লা যাওয়ার পথে র‌্যাবের হাতে অপহরণের শিকার হন। এখনও তাদের খোঁজ মেলেনি।
রিজভী বলেন, সাত খুনের মামলার যেভাবে বিচার হয়েছে একইভাবে ইলিয়াস আলীসহ গুম হওয়া শত শত বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের দায়ের মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানাই। অবিলম্বে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

এক জামায়াত নেতাকে হত্যা করেছিলেন তারেক সাঈদ: রিজভী

আপডেট সময় : ০৬:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী ২০১৭

র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তা ও সাত খুন মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক সাঈদের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে হত্যার অভিযোগ করছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘২০১৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর তারেক সাঈদের নেতৃত্বে র‌্যাব-১১ সদস্যরা নির্মমভাবে খুন করে লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. ফয়েজ আহমেদ। র‌্যাব সদস্যরা ডা. ফয়েজকে গ্রেফতারের জন্য তার বাড়িতে অভিযান চালায়। তাকে শয়নকক্ষ থেকে বাড়ির ছাদে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তারেক সাঈদের নির্দেশে তাকে (ডা. ফয়েজ) লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করা হয়। পরে বাড়ির ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে নিচে ফেলে দিলে ঘটনাস্থলেই ডা. ফয়েজের মৃত্যু হয়।’
রিজভী বলেন, গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে র‌্যাব-১১ ছিল কসাইখানা। সাত খুন ছাড়াও র‌্যাব-১১ এর অধীনে কমপক্ষে ১১ জন নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। দায়সারাভাবে তদন্ত চাপা পড়ে আছে। সুষ্ঠু তদন্ত হলে এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলেও খবর বেরিয়েছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘তাদের কাছে মানুষ খুন করা ছিল অনেকটা পাখি শিকারের মতো। আলোচিত সাত খুনের ঘটনা নয়, এর আগেও তারা কমপক্ষে ১১ ব্যক্তিকে প্রথমে গুম, পরে নৃশংসভাবে প্রায় একই কায়দায় খুন করে লাশ গায়েব করে দেয়। নারায়ণগঞ্জ ছাড়াও র‌্যাব-১১ এর আওতায় মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলা ছিল। সে কারণে এসব জেলায় গুম-খুনের যেসব ঘটনা ঘটেছে তার সঙ্গে র‌্যাবের সম্পৃক্ততা থাকার আশঙ্কা আছে অনেকেরই।’
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী জানান, ২০১৩ সালে বিএনপি’র সাবেক এমপি সাইফুল ইসলাম হিরু ও বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির পারভেজ লাকসাম থেকে কুমিল্লা যাওয়ার পথে র‌্যাবের হাতে অপহরণের শিকার হন। এখনও তাদের খোঁজ মেলেনি।
রিজভী বলেন, সাত খুনের মামলার যেভাবে বিচার হয়েছে একইভাবে ইলিয়াস আলীসহ গুম হওয়া শত শত বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের দায়ের মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানাই। অবিলম্বে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।