ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ইংল্যান্ডের ‘অভিশপ্ত’ রোজ বোল

স্টাফ রিপোর্টার,
951
ইংল্যান্ডের জন্য সাউদাম্পটনের দ্য রোজ বোল স্টেডিয়াম ‘অভিশপ্ত’ই হয়ে রইলো। সফরকারী অস্ট্রেলিয়াকে ৫ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। কিন্তু ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ হার দিয়ে শুরু হরো তাদের। দ্য রোস বোল স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে তারা ৫৯ রানে হেরেছে। এই নিয়ে এই মাঠে টানা ৫ ওয়ানডে হারলো তারা। সর্বশেষ এই মাঠে স্বাগতিকরা জিতেছিল ২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এছাড়া এ মাঠ পরে ব্যাট করতে নেমে টানা চার হার ইংল্যান্ডের। সর্বশেষ পরে ব্যাট করে তারা জিতেছিল ২০১১ সালে ভারতের বিপক্ষে। এদিন ইংল্যান্ডকে হারানোর নায়ক অস্ট্রেলিয়ার দুই লেজের ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড ও মিচেল মার্শ। টস জিতে আগে ব্যাটে গিয়ে এদিন সফরকারী অস্ট্রেলিয়া সংগ্রহ করে ৬ উইকেটে ৩০৫ রান। জবাবে স্বাগতিকরা ৪৫.৩ ওভারে ২৪৬ রানে অলআউট হয়। রানের পাহাড় তারা করতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটা দারুণ হয়েছিল। বিনা উইকেটে ১১.২ ওভারে ৭০ রান তুলে ফেলে তারা। অ্যালেক্স হেলসের ২২ রানে ফেরার মাধ্যমে এ জুটি ভাঙে। সর্বশেষ ১৩ ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটিতে এটিই সর্বোচ্চ রানের ঘটনা। শেষ ১৩ ম্যাচে উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ ৬৭ রান এসেছিল ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে। তবে বৃহস্পতিবার দারুণ শুরুর পরও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা। ১১ চারে ৬৪ বলে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান জেসন রয়। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটাও দারুণ হয়। ২ উইকেটে ১৬৪ রান তুলে ফেলে তারা। কিন্তু এরপর মাত্র ২৯ রানের মধ্যে আরও ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে সফরকারীরা। ১৯৩ রানে দাঁড়ায় ৬ উইকেট। কিন্তু এরপর দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন ম্যাথু ওয়েড ও মিচেল মার্শ। সপ্তম উইকেটে ১৩ ওভারে ১১২ রানে অবিচ্ছিন্ন থাকেন তারা। ৭ নম্বরে ব্যাটে নামা ওয়েড ১২ চারে ৫০ বলে ৭১ ও মার্শ ২ চার ও ১ ছক্কায় ৩৪ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন। সাত নম্বরে ব্যাটে নেমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৭১ রানে অপরাজিত থাকার দলে এবার যুক্ত হলেন ম্যাথু ওয়েড। এর আগে এই পজিশনে সর্বোচ্চ ৭১ করে রান করেছে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক দুই ক্রিকেটার সিমন ও’ডনেল ও ব্র্যাড হজ। এছাড়া ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে এই পজিশনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ঘটনা এটি। এই পজিশনে ২০১৩ সালে ওল্ড ট্রাফোর্ড সর্বোচ্চ ৭৫ রান আসে ইংল্যান্ডের জস বাটলারের ব্যাট থেকে। এছাড়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম উইকেটে এই প্রথম সেঞ্চুরি হলো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন

ইংল্যান্ডের ‘অভিশপ্ত’ রোজ বোল

আপডেট সময় : ১০:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
951
ইংল্যান্ডের জন্য সাউদাম্পটনের দ্য রোজ বোল স্টেডিয়াম ‘অভিশপ্ত’ই হয়ে রইলো। সফরকারী অস্ট্রেলিয়াকে ৫ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। কিন্তু ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ হার দিয়ে শুরু হরো তাদের। দ্য রোস বোল স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে তারা ৫৯ রানে হেরেছে। এই নিয়ে এই মাঠে টানা ৫ ওয়ানডে হারলো তারা। সর্বশেষ এই মাঠে স্বাগতিকরা জিতেছিল ২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এছাড়া এ মাঠ পরে ব্যাট করতে নেমে টানা চার হার ইংল্যান্ডের। সর্বশেষ পরে ব্যাট করে তারা জিতেছিল ২০১১ সালে ভারতের বিপক্ষে। এদিন ইংল্যান্ডকে হারানোর নায়ক অস্ট্রেলিয়ার দুই লেজের ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড ও মিচেল মার্শ। টস জিতে আগে ব্যাটে গিয়ে এদিন সফরকারী অস্ট্রেলিয়া সংগ্রহ করে ৬ উইকেটে ৩০৫ রান। জবাবে স্বাগতিকরা ৪৫.৩ ওভারে ২৪৬ রানে অলআউট হয়। রানের পাহাড় তারা করতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটা দারুণ হয়েছিল। বিনা উইকেটে ১১.২ ওভারে ৭০ রান তুলে ফেলে তারা। অ্যালেক্স হেলসের ২২ রানে ফেরার মাধ্যমে এ জুটি ভাঙে। সর্বশেষ ১৩ ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটিতে এটিই সর্বোচ্চ রানের ঘটনা। শেষ ১৩ ম্যাচে উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ ৬৭ রান এসেছিল ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে। তবে বৃহস্পতিবার দারুণ শুরুর পরও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা। ১১ চারে ৬৪ বলে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান জেসন রয়। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটাও দারুণ হয়। ২ উইকেটে ১৬৪ রান তুলে ফেলে তারা। কিন্তু এরপর মাত্র ২৯ রানের মধ্যে আরও ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে সফরকারীরা। ১৯৩ রানে দাঁড়ায় ৬ উইকেট। কিন্তু এরপর দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন ম্যাথু ওয়েড ও মিচেল মার্শ। সপ্তম উইকেটে ১৩ ওভারে ১১২ রানে অবিচ্ছিন্ন থাকেন তারা। ৭ নম্বরে ব্যাটে নামা ওয়েড ১২ চারে ৫০ বলে ৭১ ও মার্শ ২ চার ও ১ ছক্কায় ৩৪ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন। সাত নম্বরে ব্যাটে নেমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৭১ রানে অপরাজিত থাকার দলে এবার যুক্ত হলেন ম্যাথু ওয়েড। এর আগে এই পজিশনে সর্বোচ্চ ৭১ করে রান করেছে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক দুই ক্রিকেটার সিমন ও’ডনেল ও ব্র্যাড হজ। এছাড়া ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে এই পজিশনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ঘটনা এটি। এই পজিশনে ২০১৩ সালে ওল্ড ট্রাফোর্ড সর্বোচ্চ ৭৫ রান আসে ইংল্যান্ডের জস বাটলারের ব্যাট থেকে। এছাড়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম উইকেটে এই প্রথম সেঞ্চুরি হলো।