ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

আমাজনের জঙ্গলে আকর্ষণীয় এক হোটেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: জ্যাক কস্তু ছিলেন একজন জাত পর্যটক। ঘুরে বেড়াতে ভীষণ ভালোবাসতেন। একবার ঘুরতে এলেন আমাজনে। তখনই তার মাথায় একেবারে ভিন্ন ধরনের একটা হোটেল বানানোর ভাবনা আসে। হোটেলটির অবস্থান হবে একদম আমাজন জঙ্গলের ভেতরে। থাকার ব্যবস্থা থাকবে মাটি থেকে অনেক ওপরে, গাছের গায়ে। পুরো হোটেলের মধ্যে আমাজনের স্থানীয় জীবনযাত্রার একটা ছাপ থাকবে। তবে আরাম-আয়েশেরও কোনো অভাব থাকবে না। তার এই ভাবনার কথা বললেন স্থানীয় এক হোটেল ব্যবসায়ীকে। ভাবনাটা তারও বেশ পছন্দ হলো। খরচ জোগাতেও রাজি হয়ে গেলেন। তারপর দ্রুতই বাস্তবায়িত হলো জ্যাক কস্তুর স্বপ্নের সেই পরিকল্পনা। ১৯৮৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল হোটেলটি।

আমাজন জঙ্গলের ভেতরে অবস্থিত এই হোটেলটির নাম আরিয়াউ আমাজন জাঙ্গল টাওয়ার্স। আমাজন জঙ্গলের বুক চিরে বয়ে গেছে আমাজন নদী। এই নদীর অন্যতম শাখা নদী রিও নিগ্রো। এই রিও নিগ্রো যেখানে আরিয়াউ খাঁড়িতে এসে ঢুকেছে, তার কাছেই অবস্থিত আরিয়াউ টাওয়ার্স। সবচেয়ে কাছের শহর মানাউস থেকে যাওয়া-আসার মাধ্যম নৌকা। সে পথে অবশ্য দিনে দুবার করে নৌকা আসা-যাওয়া করে। অবশ্য সরাসরি হেলিকপ্টারে চড়ে আসা-যাওয়ার বন্দোবস্তও আছে।

মোট ছয়টি টাওয়ার আছে আরিয়াউ টাওয়ার্সে। মাটি থেকে ওগুলোর উচ্চতা ১০-২০ মিটার। ছয়টি টাওয়ারে মোট ২৮৮টি ঘরে থাকার বন্দোবস্ত আছে। ঘরগুলোতে যাতায়াতের জন্য আছে ছাদ-ঢাকা দীর্ঘ লম্বা বারান্দা। সব মিলিয়ে হোটেলটির বারান্দার দৈর্ঘ্যই প্রায় আট কিলোমিটার। আর ২৮৮টি ঘরের সবই স্রেফ হোটেল-ঘর নয়। আছে অ্যাপার্টমেন্ট, স্যুট, ট্রি হাউস—সব। আর প্রতিটিতেই আছে অন্তত একটি করে বারান্দা। সেই বারান্দায় বসে আমাজনের ঘন সবুজ সৌন্দর্য উপভোগের মতো আনন্দ আর কী হতে পারে! ওই হোটেলে পর্যটকরা থাকতে পারেন গাছপালার মতোই উঁচুতে। গাছপালার সবুজ জগৎ। সেখানে বসেই দেখা যাবে সবুজ বন, আর এর অধিবাসীদের।

ওখানে সবচেয়ে বেশি দেখা মেলে নানা জাতের বানরের। নিচে রিও নিগ্রো নদীর পানিতে দেখা মেলে ডলফিনের। আছে অজস্র পাখি। সবচেয়ে বিখ্যাত বার্ডস অব প্যারাডাইস। সেসব পাখির চেঁচামেচিতেই প্রতিদিন সকালে ঘুরতে যাওয়া মানুষদের ঘুম ভাঙে। তবে এই পাখি আর বানরদের সান্নিধ্য সবচেয়ে বেশি পায় তারা, যারা টারজান হাউসে থাকে। কারণ ওটাই ওখানকার সবচেয়ে উঁচু কামরা। বানানো হয়েছে একটা বিশাল মেহগনি গাছের মাথায়। টারজান হাউসের উচ্চতা প্রায় ২২ মিটার।

তবে টারজান হাউস মোটেও আরিয়াউ টাওয়ার্স হোটেলের সবচেয়ে উঁচু জায়গা নয়। সবচেয়ে উঁচু হোটেলটির ওয়াচ টাওয়ার দুটি। ওগুলো একেকটা প্রায় ৪১ মিটার উঁচু। হোটেলটির অন্যান্য জায়গা থেকে তো আমাজনের গাছপালার ভেতরে বসে সে বনের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। আর ওয়াচ টাওয়ারে আমাজনের গহিন বনের একদম ওপরে বসে, বনের ওপরের সৌন্দর্যের আস্বাদ নেওয়া যায়। এ ছাড়া হোটেলটিতে আছে দুটি সুইমিংপুল। এই সুইমিংপুল দুটিরও বিশেষত্ব আছে। সাধারণত সুইমিংপুল হয় মাটিতে, হোটেলের সামনে বা ভেতরে। বড়জোর হোটেলের ছাদে। কিন্তু বনের ভেতরে, গাছের সমান উচ্চতায় সুইমিংপুল পৃথিবীতে আর খুব বেশি নেই। ওগুলোর নামও তাই ট্রিটপ সুইমিংপুল। এ ছাড়া আছে দুটি অ্যাম্ফিথিয়েটার। তাতে একসঙ্গে বসতে পারে ৪৫০ জন করে। আছে রেস্টুরেন্টও। সেগুলোতে পাওয়া যাবে ব্রাজিলের স্থানীয় সব খাবার—মাছ, পাস্তা, স্যুপ, ফলমূল আর পিঠাপুলি।

হোটেলটিতে ঘুরতে এসে শুধু ঘরে বসে আমাজনের সৌন্দর্য উপভোগ করেই সময় কাটাতে হয় না। আছে আশপাশের জঙ্গলে ঘুরে বেড়ানোর ব্যবস্থাও। আমাজনের ওই অঞ্চলের স্থানীয় নৌকার নাম ক্যানু। চাইলে সেই ক্যানুতে চড়ে রিও নিগ্রো নদীর বুকে ঘুরে বেড়ানো যায়। যাওয়া যায় আশপাশের গহিন জঙ্গলেও। আরো আছে খুনে মাছ পিরানহা শিকারের ব্যবস্থা, স্থানীয় আদিবাসীদের আবাসস্থল দেখে আসার বন্দোবস্ত, রাতের বেলা বসে বসে নিশাচর প্রাণীদের জীবনযাত্রা দেখার ব্যবস্থা।

তবে পর্যটকদের জন্য বড় আকর্ষণ মিটিং অব দ্য ওয়াটার্স। আরিয়াউ খাঁড়ি পার হয়ে আরেকটু সামনে এগিয়ে রিও নিগ্রো মিলেছে সোলিমোয়েস নদীর সঙ্গে। তারপর এই দুই নদীর মিলিত স্রোতই বয়ে চলেছে আমাজন নদীতে। কিন্তু যেখানে রিও নিগ্রো আর সোলিমোয়েস মিলেছে বলা হচ্ছে, সেখানে গিয়ে আসলে নদী দুটি ঠিক মেলে না। বরং পাশাপাশি বয়ে চলেছে। যেদিকটা দিয়ে রিও নিগ্রোর পানি বয়ে চলেছে, সেদিকটার রং কালচে।

আরেক দিক দিয়ে বয়ে চলেছে সোলিমোয়েসের পানি। তার রং ধূসর। একই সঙ্গে বয়ে চলেছে, গিয়ে মিশেছে একই ধারায়; কিন্তু পাশাপাশি ভিন্ন রঙের পানি। এভাবেই রিও নিগ্রো আর সোলিমোয়েস পাশাপাশি বয়ে চলেছে প্রায় ছয় কিলোমিটার পর্যন্ত। এই জায়গাটারই নাম মিটিং অব দ্য ওয়াটার্স। দুই নদীর পানির ঘনত্ব আর তাপমাত্রার ভিন্নতার জন্যই এভাবে ভিন্ন ধারায় বয়ে চলে। আর আমাজন টাওয়ার্স থেকে কাছে হওয়ায়, চাইলেই পর্যটকরা এই বিস্ময়কর জায়গাটা দেখে আসতে পারেন স্বচক্ষে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম

আমাজনের জঙ্গলে আকর্ষণীয় এক হোটেল

আপডেট সময় : ০১:৪১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: জ্যাক কস্তু ছিলেন একজন জাত পর্যটক। ঘুরে বেড়াতে ভীষণ ভালোবাসতেন। একবার ঘুরতে এলেন আমাজনে। তখনই তার মাথায় একেবারে ভিন্ন ধরনের একটা হোটেল বানানোর ভাবনা আসে। হোটেলটির অবস্থান হবে একদম আমাজন জঙ্গলের ভেতরে। থাকার ব্যবস্থা থাকবে মাটি থেকে অনেক ওপরে, গাছের গায়ে। পুরো হোটেলের মধ্যে আমাজনের স্থানীয় জীবনযাত্রার একটা ছাপ থাকবে। তবে আরাম-আয়েশেরও কোনো অভাব থাকবে না। তার এই ভাবনার কথা বললেন স্থানীয় এক হোটেল ব্যবসায়ীকে। ভাবনাটা তারও বেশ পছন্দ হলো। খরচ জোগাতেও রাজি হয়ে গেলেন। তারপর দ্রুতই বাস্তবায়িত হলো জ্যাক কস্তুর স্বপ্নের সেই পরিকল্পনা। ১৯৮৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল হোটেলটি।

আমাজন জঙ্গলের ভেতরে অবস্থিত এই হোটেলটির নাম আরিয়াউ আমাজন জাঙ্গল টাওয়ার্স। আমাজন জঙ্গলের বুক চিরে বয়ে গেছে আমাজন নদী। এই নদীর অন্যতম শাখা নদী রিও নিগ্রো। এই রিও নিগ্রো যেখানে আরিয়াউ খাঁড়িতে এসে ঢুকেছে, তার কাছেই অবস্থিত আরিয়াউ টাওয়ার্স। সবচেয়ে কাছের শহর মানাউস থেকে যাওয়া-আসার মাধ্যম নৌকা। সে পথে অবশ্য দিনে দুবার করে নৌকা আসা-যাওয়া করে। অবশ্য সরাসরি হেলিকপ্টারে চড়ে আসা-যাওয়ার বন্দোবস্তও আছে।

মোট ছয়টি টাওয়ার আছে আরিয়াউ টাওয়ার্সে। মাটি থেকে ওগুলোর উচ্চতা ১০-২০ মিটার। ছয়টি টাওয়ারে মোট ২৮৮টি ঘরে থাকার বন্দোবস্ত আছে। ঘরগুলোতে যাতায়াতের জন্য আছে ছাদ-ঢাকা দীর্ঘ লম্বা বারান্দা। সব মিলিয়ে হোটেলটির বারান্দার দৈর্ঘ্যই প্রায় আট কিলোমিটার। আর ২৮৮টি ঘরের সবই স্রেফ হোটেল-ঘর নয়। আছে অ্যাপার্টমেন্ট, স্যুট, ট্রি হাউস—সব। আর প্রতিটিতেই আছে অন্তত একটি করে বারান্দা। সেই বারান্দায় বসে আমাজনের ঘন সবুজ সৌন্দর্য উপভোগের মতো আনন্দ আর কী হতে পারে! ওই হোটেলে পর্যটকরা থাকতে পারেন গাছপালার মতোই উঁচুতে। গাছপালার সবুজ জগৎ। সেখানে বসেই দেখা যাবে সবুজ বন, আর এর অধিবাসীদের।

ওখানে সবচেয়ে বেশি দেখা মেলে নানা জাতের বানরের। নিচে রিও নিগ্রো নদীর পানিতে দেখা মেলে ডলফিনের। আছে অজস্র পাখি। সবচেয়ে বিখ্যাত বার্ডস অব প্যারাডাইস। সেসব পাখির চেঁচামেচিতেই প্রতিদিন সকালে ঘুরতে যাওয়া মানুষদের ঘুম ভাঙে। তবে এই পাখি আর বানরদের সান্নিধ্য সবচেয়ে বেশি পায় তারা, যারা টারজান হাউসে থাকে। কারণ ওটাই ওখানকার সবচেয়ে উঁচু কামরা। বানানো হয়েছে একটা বিশাল মেহগনি গাছের মাথায়। টারজান হাউসের উচ্চতা প্রায় ২২ মিটার।

তবে টারজান হাউস মোটেও আরিয়াউ টাওয়ার্স হোটেলের সবচেয়ে উঁচু জায়গা নয়। সবচেয়ে উঁচু হোটেলটির ওয়াচ টাওয়ার দুটি। ওগুলো একেকটা প্রায় ৪১ মিটার উঁচু। হোটেলটির অন্যান্য জায়গা থেকে তো আমাজনের গাছপালার ভেতরে বসে সে বনের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। আর ওয়াচ টাওয়ারে আমাজনের গহিন বনের একদম ওপরে বসে, বনের ওপরের সৌন্দর্যের আস্বাদ নেওয়া যায়। এ ছাড়া হোটেলটিতে আছে দুটি সুইমিংপুল। এই সুইমিংপুল দুটিরও বিশেষত্ব আছে। সাধারণত সুইমিংপুল হয় মাটিতে, হোটেলের সামনে বা ভেতরে। বড়জোর হোটেলের ছাদে। কিন্তু বনের ভেতরে, গাছের সমান উচ্চতায় সুইমিংপুল পৃথিবীতে আর খুব বেশি নেই। ওগুলোর নামও তাই ট্রিটপ সুইমিংপুল। এ ছাড়া আছে দুটি অ্যাম্ফিথিয়েটার। তাতে একসঙ্গে বসতে পারে ৪৫০ জন করে। আছে রেস্টুরেন্টও। সেগুলোতে পাওয়া যাবে ব্রাজিলের স্থানীয় সব খাবার—মাছ, পাস্তা, স্যুপ, ফলমূল আর পিঠাপুলি।

হোটেলটিতে ঘুরতে এসে শুধু ঘরে বসে আমাজনের সৌন্দর্য উপভোগ করেই সময় কাটাতে হয় না। আছে আশপাশের জঙ্গলে ঘুরে বেড়ানোর ব্যবস্থাও। আমাজনের ওই অঞ্চলের স্থানীয় নৌকার নাম ক্যানু। চাইলে সেই ক্যানুতে চড়ে রিও নিগ্রো নদীর বুকে ঘুরে বেড়ানো যায়। যাওয়া যায় আশপাশের গহিন জঙ্গলেও। আরো আছে খুনে মাছ পিরানহা শিকারের ব্যবস্থা, স্থানীয় আদিবাসীদের আবাসস্থল দেখে আসার বন্দোবস্ত, রাতের বেলা বসে বসে নিশাচর প্রাণীদের জীবনযাত্রা দেখার ব্যবস্থা।

তবে পর্যটকদের জন্য বড় আকর্ষণ মিটিং অব দ্য ওয়াটার্স। আরিয়াউ খাঁড়ি পার হয়ে আরেকটু সামনে এগিয়ে রিও নিগ্রো মিলেছে সোলিমোয়েস নদীর সঙ্গে। তারপর এই দুই নদীর মিলিত স্রোতই বয়ে চলেছে আমাজন নদীতে। কিন্তু যেখানে রিও নিগ্রো আর সোলিমোয়েস মিলেছে বলা হচ্ছে, সেখানে গিয়ে আসলে নদী দুটি ঠিক মেলে না। বরং পাশাপাশি বয়ে চলেছে। যেদিকটা দিয়ে রিও নিগ্রোর পানি বয়ে চলেছে, সেদিকটার রং কালচে।

আরেক দিক দিয়ে বয়ে চলেছে সোলিমোয়েসের পানি। তার রং ধূসর। একই সঙ্গে বয়ে চলেছে, গিয়ে মিশেছে একই ধারায়; কিন্তু পাশাপাশি ভিন্ন রঙের পানি। এভাবেই রিও নিগ্রো আর সোলিমোয়েস পাশাপাশি বয়ে চলেছে প্রায় ছয় কিলোমিটার পর্যন্ত। এই জায়গাটারই নাম মিটিং অব দ্য ওয়াটার্স। দুই নদীর পানির ঘনত্ব আর তাপমাত্রার ভিন্নতার জন্যই এভাবে ভিন্ন ধারায় বয়ে চলে। আর আমাজন টাওয়ার্স থেকে কাছে হওয়ায়, চাইলেই পর্যটকরা এই বিস্ময়কর জায়গাটা দেখে আসতে পারেন স্বচক্ষে।