ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

আজ না. গঞ্জের ৭ খুন মামলায় পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ


নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
আজ (রবিবার) নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হবে। এদিন সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন এই মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করবেন। শনিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন এ তথ্য জানান।

পিপি বলেন, ‘গত ১৬জানুয়ারি আলোচিত সাত খুন মামলার আসামি নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, সাবেক উপ অধিনায়ক মেজর (অব.) আরিফ হোসেন ও সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব.) এম এম রানাসহ ২৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বাকি ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের আদেশে দিয়েছেন। আগামী কাল পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর রায়ের নকল বাদীপক্ষ ও আসামিদেরসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে মামলার জুডিশিয়াল রেকর্ড ও রায়ের কপি হাইকোর্টে জমা দেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জনকে অপহরণ করা হয়। এর ৩ দিনপর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে ভেসে ওঠে ছয়জনের লাশ। পরদিন আরও একজনের লাশ ভেসে ওঠে নদীতে। নজরুল ইসলাম ও চন্দন সরকার ছাড়া বাকিরা নিহতরা হলেন নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহীম। এরপর স্বজনরা লাশগুলো শনাক্ত করেন।

লাশ উদ্ধারের এক দিন পর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বাদী হয়ে নূর হোসেনসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন। ১১ মে, একই থানায় আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে আরও একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলা দু’টি একসঙ্গে তদন্ত করে পুলিশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

আজ না. গঞ্জের ৭ খুন মামলায় পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৭


নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
আজ (রবিবার) নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হবে। এদিন সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন এই মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করবেন। শনিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন এ তথ্য জানান।

পিপি বলেন, ‘গত ১৬জানুয়ারি আলোচিত সাত খুন মামলার আসামি নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, সাবেক উপ অধিনায়ক মেজর (অব.) আরিফ হোসেন ও সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব.) এম এম রানাসহ ২৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বাকি ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের আদেশে দিয়েছেন। আগামী কাল পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর রায়ের নকল বাদীপক্ষ ও আসামিদেরসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে মামলার জুডিশিয়াল রেকর্ড ও রায়ের কপি হাইকোর্টে জমা দেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জনকে অপহরণ করা হয়। এর ৩ দিনপর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে ভেসে ওঠে ছয়জনের লাশ। পরদিন আরও একজনের লাশ ভেসে ওঠে নদীতে। নজরুল ইসলাম ও চন্দন সরকার ছাড়া বাকিরা নিহতরা হলেন নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহীম। এরপর স্বজনরা লাশগুলো শনাক্ত করেন।

লাশ উদ্ধারের এক দিন পর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বাদী হয়ে নূর হোসেনসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন। ১১ মে, একই থানায় আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে আরও একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলা দু’টি একসঙ্গে তদন্ত করে পুলিশ।