ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

অর্থমন্ত্রীকে স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়ার আহ্বান শিক্ষকদের

1113

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষক সমিতি জোট বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষকেরা কোনো আলোচনায় বসবেন না। তারা মনে করছেন, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় শিক্ষকরা সুবিচার পাবেন না। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগ না নিলে তারা আন্দোলন থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবেন না। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অর্থমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বেলা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ফেডারেশনের সভাপতি ফরিদউদ্দিন আহমেদ বলেন, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষকেরা কোনো আলোচনায় বসবেন না। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি উদ্যোগ না নিলে আলোচনা শুরু হবে না। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পাবলিকলি শুনতে চাই। নইলে আন্দোলন থেকে এক ইঞ্চিও সরব না। আলোচনায় অর্থমন্ত্রী থাকলে শিক্ষকেরা ন্যায়বিচার ও সুবিচার পাবেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রীকে স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ফেডারেশনের মহাসচিব এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, আমাদের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে বয়স্ক অর্থমন্ত্রী দেশের উচ্চশিক্ষাকে ধ্বংস করা এবং শিক্ষাঙ্গনকে অশান্ত করার নীলনকশা বাস্তবায়নে নেমেছেন। আমাদের প্রশ্ন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সাবেক আমলা ও বর্তমান আমলা পক্ষের একজন অর্থমন্ত্রী হয়ে তার পক্ষে বিভ্রান্তিকর তথ্য সংবলিত বক্তব্য দেওয়া কী শোভা পায়? উচ্চ শিক্ষাবিরোধী মনোভাবের পরিচয় দিয়ে অথবা উচ্চশিক্ষাকে ধ্বংস করে তিনি কার স্বার্থ হাসিল করতে চাইছেন?
আলাদা বেতনস্কেল ও বিদ্যমান বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে ৩৭টি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আজ রোববার আবারও পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কোনো ক্লাস হচ্ছে না। শিক্ষক নেতারা জানান, ১৭ই সেপ্টেম্বরও শিক্ষকেরা কর্মবিরতি পালন করবেন। এরপর ঈদের ছুটি হয়ে যাবে। কিন্তু দাবি পূরণ না হলে ঈদের পর আরও কঠোর আন্দোলন শুরু করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

অর্থমন্ত্রীকে স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়ার আহ্বান শিক্ষকদের

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1113

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষক সমিতি জোট বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষকেরা কোনো আলোচনায় বসবেন না। তারা মনে করছেন, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় শিক্ষকরা সুবিচার পাবেন না। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগ না নিলে তারা আন্দোলন থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবেন না। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অর্থমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বেলা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ফেডারেশনের সভাপতি ফরিদউদ্দিন আহমেদ বলেন, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষকেরা কোনো আলোচনায় বসবেন না। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি উদ্যোগ না নিলে আলোচনা শুরু হবে না। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পাবলিকলি শুনতে চাই। নইলে আন্দোলন থেকে এক ইঞ্চিও সরব না। আলোচনায় অর্থমন্ত্রী থাকলে শিক্ষকেরা ন্যায়বিচার ও সুবিচার পাবেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রীকে স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ফেডারেশনের মহাসচিব এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, আমাদের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে বয়স্ক অর্থমন্ত্রী দেশের উচ্চশিক্ষাকে ধ্বংস করা এবং শিক্ষাঙ্গনকে অশান্ত করার নীলনকশা বাস্তবায়নে নেমেছেন। আমাদের প্রশ্ন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সাবেক আমলা ও বর্তমান আমলা পক্ষের একজন অর্থমন্ত্রী হয়ে তার পক্ষে বিভ্রান্তিকর তথ্য সংবলিত বক্তব্য দেওয়া কী শোভা পায়? উচ্চ শিক্ষাবিরোধী মনোভাবের পরিচয় দিয়ে অথবা উচ্চশিক্ষাকে ধ্বংস করে তিনি কার স্বার্থ হাসিল করতে চাইছেন?
আলাদা বেতনস্কেল ও বিদ্যমান বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে ৩৭টি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আজ রোববার আবারও পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কোনো ক্লাস হচ্ছে না। শিক্ষক নেতারা জানান, ১৭ই সেপ্টেম্বরও শিক্ষকেরা কর্মবিরতি পালন করবেন। এরপর ঈদের ছুটি হয়ে যাবে। কিন্তু দাবি পূরণ না হলে ঈদের পর আরও কঠোর আন্দোলন শুরু করা হবে।