ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

রাশিয়া-মিসর সম্পর্ক আরো জোরদার করার অঙ্গীকার

স্টাফ রিপোর্টার,
729
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। খবর আলজাজিরার।

তৃতীয়বারের মতো রাশিয়া সফর করা সিসির সঙ্গে বুধবার মস্কোয় এক বৈঠকে পুতিন এ কথা বলেন। পুতিনের ওই বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি।

বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পুতিন মিসরের সঙ্গে ইউরোশিয়ান অর্থনৈতিক ইউনিয়নের সম্ভাব্য সহযোগিতা সম্পর্কে কথা বলেন। তিনি বলেন, অর্থনীতিতে কিছু অতিরিক্ত উদ্দীপনা দেয়ার বাস্তব পদক্ষেপগুলোর মধ্যে একটি হলো মিসর এবং ইউরোশিয়ান অর্থনৈতিক ইউনিয়নের মধ্যে একটি সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা।’

উল্লেখ্য, ইউরোশিয়ান ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত রাশিয়া, কাজাখস্তান, বেলারুশ, আর্মেনিয়া এবং কিরগিজস্তান মালামাল, সেবা, পুঁজি ও শ্রমশক্তি শর্তমুক্তভাবে পরিবহন এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতের নীতি সমন্বয় করে থাকে।

ওই বৈঠকে মিসরে একটি পরমাণু বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়ার অংশগ্রহণের বিষয়েও ঘোষণা দেন পুতিন। তিনি বলেন, ‘বৃহত্ অর্থনৈতিক প্রকল্পগুলোর একটি হলো রুশ প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে মিসরে একটি পরমাণু বিদ্যুত্ কেন্দ্রের স্থাপন করা।’ তিনি মিসরে খাদ্যশস্য আমদানি বৃদ্ধির রাশিয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান।

ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে পশ্চিমা শক্তিগুলো গত বছর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন যুগের মিত্রদের পাশাপাশি এশিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা তরান্বিত করেছে রাশিয়া। এরই অংশ হিসেবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিসর সফর করেন পুতিন। সাবেক সেনাপ্রধান সিসি ক্ষমতায় আসার পর পুতিনই হলেন প্রথম গুরুত্বপূর্ণ কোনা নেতা যিনি মিসর সফরে যান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

রাশিয়া-মিসর সম্পর্ক আরো জোরদার করার অঙ্গীকার

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
729
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। খবর আলজাজিরার।

তৃতীয়বারের মতো রাশিয়া সফর করা সিসির সঙ্গে বুধবার মস্কোয় এক বৈঠকে পুতিন এ কথা বলেন। পুতিনের ওই বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি।

বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পুতিন মিসরের সঙ্গে ইউরোশিয়ান অর্থনৈতিক ইউনিয়নের সম্ভাব্য সহযোগিতা সম্পর্কে কথা বলেন। তিনি বলেন, অর্থনীতিতে কিছু অতিরিক্ত উদ্দীপনা দেয়ার বাস্তব পদক্ষেপগুলোর মধ্যে একটি হলো মিসর এবং ইউরোশিয়ান অর্থনৈতিক ইউনিয়নের মধ্যে একটি সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা।’

উল্লেখ্য, ইউরোশিয়ান ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত রাশিয়া, কাজাখস্তান, বেলারুশ, আর্মেনিয়া এবং কিরগিজস্তান মালামাল, সেবা, পুঁজি ও শ্রমশক্তি শর্তমুক্তভাবে পরিবহন এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতের নীতি সমন্বয় করে থাকে।

ওই বৈঠকে মিসরে একটি পরমাণু বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়ার অংশগ্রহণের বিষয়েও ঘোষণা দেন পুতিন। তিনি বলেন, ‘বৃহত্ অর্থনৈতিক প্রকল্পগুলোর একটি হলো রুশ প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে মিসরে একটি পরমাণু বিদ্যুত্ কেন্দ্রের স্থাপন করা।’ তিনি মিসরে খাদ্যশস্য আমদানি বৃদ্ধির রাশিয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান।

ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে পশ্চিমা শক্তিগুলো গত বছর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন যুগের মিত্রদের পাশাপাশি এশিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা তরান্বিত করেছে রাশিয়া। এরই অংশ হিসেবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিসর সফর করেন পুতিন। সাবেক সেনাপ্রধান সিসি ক্ষমতায় আসার পর পুতিনই হলেন প্রথম গুরুত্বপূর্ণ কোনা নেতা যিনি মিসর সফরে যান।