ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

হাজিদের পকেট মারতে সৌদি যাচ্ছিল ওরা

601
হাজীদের পকেট মারতে সৌদি আরবে পকেটমারদের পাঠানো হয়। প্রতিবছরই পকেটমারদের একটা বা দুটো গ্রুপ হজে গিয়ে পকেটমারাসহ নানা ধরনের অপরাধ করে থাকে। এবছর এ চক্রের তিন সদস্য বাংলাদেশ থেকে হজে যাচ্ছিলো পকেট মারতে। এ তিনজনকে হজে পাঠাতে পরিকল্পনাকারী হাজী আব্দুল গফুর ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। এ বছর হজ থেকে তার আয়ের টার্গেট ছিল এক কোটি টাকা।

গতকাল দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম এসব কথা জানান। তিনি জানান, এই চক্রের ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৬ জনের মধ্যে হাজী আব্দুল গফুর বিনিয়োগ ও পরিকল্পনাকারী, মো. টুটুল বিশ্বাস দলনেতা, সেকেন্ড-ইন-কমান্ড কাজী সারোয়ার জামাল ওরফে নেতাজী। অন্য তিনজন হলেন: আলহাজ্ব মো. ইব্রাহিম, মো. মনির হোসেন, মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে বাচ্চু। এদের মধ্যে হাজী মো. আব্দুল গফুর, আলহাজ্ব মো. টুটুল বিশ্বাস ওরফে সুমন এবছর পকেট মারার উদ্দেশ্যে হজ পালন করতে যাচ্ছিলেন। আরেক পকেটমার মো. রওশনও তাদের সঙ্গে সৌদি আরব যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে রওশন এখন পলাতক। মনিরুল ইসলাম জানান, আলহাজ্ব মো. টুটুল বিশ্বাস সৌদি আরবে ধরা পড়েছেন এবং দু’বছর কারাগারে ছিলেন। এবার ঐ তিনজন হজে যাওয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছিলেন।

মনিরুল ইসলাম আরো বলেন, আন্তর্জাতিক ৩-৪টি গ্রুপ রয়েছে, যারা প্রতিবছর হজে গিয়ে নানা ধরনের অপরাধ করে থাকেন। এমনকি বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কিছু রোহিঙ্গাও সেখানে গিয়ে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করেন।

অজ্ঞান পার্টির ৬ সদস্য গ্রেফতার

এদিকে গতকাল সকালে শাহবাগ এলাকা থেকে অজ্ঞান পার্টির ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন: মো. নুরুল আনোয়ার, মো. সুজন খান, মো. আবুল বাশার, মো. আবুল হাসান, মো. আক্তার হোসেন, মো. আবুল কালাম। এ ব্যাপারে মনিরুল ইসলাম বলেন, এই গ্রুপের ৮-১০ সদস্য প্রতিদিন পাবলিক বাসের যাত্রীদের আচার ও অন্যান্য খাবার খাইয়ে অজ্ঞান করে সর্বস্ব নিয়ে বাস থেকে নেমে যায়। এই গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন নুরুল আনোয়ার এবং সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মো. সুজন খান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

হাজিদের পকেট মারতে সৌদি যাচ্ছিল ওরা

আপডেট সময় : ০৩:৪৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০১৫

601
হাজীদের পকেট মারতে সৌদি আরবে পকেটমারদের পাঠানো হয়। প্রতিবছরই পকেটমারদের একটা বা দুটো গ্রুপ হজে গিয়ে পকেটমারাসহ নানা ধরনের অপরাধ করে থাকে। এবছর এ চক্রের তিন সদস্য বাংলাদেশ থেকে হজে যাচ্ছিলো পকেট মারতে। এ তিনজনকে হজে পাঠাতে পরিকল্পনাকারী হাজী আব্দুল গফুর ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। এ বছর হজ থেকে তার আয়ের টার্গেট ছিল এক কোটি টাকা।

গতকাল দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম এসব কথা জানান। তিনি জানান, এই চক্রের ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৬ জনের মধ্যে হাজী আব্দুল গফুর বিনিয়োগ ও পরিকল্পনাকারী, মো. টুটুল বিশ্বাস দলনেতা, সেকেন্ড-ইন-কমান্ড কাজী সারোয়ার জামাল ওরফে নেতাজী। অন্য তিনজন হলেন: আলহাজ্ব মো. ইব্রাহিম, মো. মনির হোসেন, মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে বাচ্চু। এদের মধ্যে হাজী মো. আব্দুল গফুর, আলহাজ্ব মো. টুটুল বিশ্বাস ওরফে সুমন এবছর পকেট মারার উদ্দেশ্যে হজ পালন করতে যাচ্ছিলেন। আরেক পকেটমার মো. রওশনও তাদের সঙ্গে সৌদি আরব যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে রওশন এখন পলাতক। মনিরুল ইসলাম জানান, আলহাজ্ব মো. টুটুল বিশ্বাস সৌদি আরবে ধরা পড়েছেন এবং দু’বছর কারাগারে ছিলেন। এবার ঐ তিনজন হজে যাওয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছিলেন।

মনিরুল ইসলাম আরো বলেন, আন্তর্জাতিক ৩-৪টি গ্রুপ রয়েছে, যারা প্রতিবছর হজে গিয়ে নানা ধরনের অপরাধ করে থাকেন। এমনকি বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কিছু রোহিঙ্গাও সেখানে গিয়ে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করেন।

অজ্ঞান পার্টির ৬ সদস্য গ্রেফতার

এদিকে গতকাল সকালে শাহবাগ এলাকা থেকে অজ্ঞান পার্টির ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন: মো. নুরুল আনোয়ার, মো. সুজন খান, মো. আবুল বাশার, মো. আবুল হাসান, মো. আক্তার হোসেন, মো. আবুল কালাম। এ ব্যাপারে মনিরুল ইসলাম বলেন, এই গ্রুপের ৮-১০ সদস্য প্রতিদিন পাবলিক বাসের যাত্রীদের আচার ও অন্যান্য খাবার খাইয়ে অজ্ঞান করে সর্বস্ব নিয়ে বাস থেকে নেমে যায়। এই গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন নুরুল আনোয়ার এবং সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মো. সুজন খান।