ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

নতুন তিন জোটের সম্ভাবনা

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের বাইরে নতুন তিন জোটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গণে। জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকা জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে একটি জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

অপরদিকে দুই জোটের বাইরে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ‘জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া’ নামে একটি নতুন জোট প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) একটি জোট প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বনানীতে একটি অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দেন। নতুন জোট প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রহুল আমিন হাওলাদার জানান, আমরা ইসলামী আদর্শ অক্ষুণ্ণ ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে পৃথক একটি জোটের কথা ভাবছি। ইতোমধ্যে আমাদের দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে দুইটি ইসলামী ভাবধারার দল যোগাযোগ করছে।

জাতীয় পার্টির জোটে হেফাজতে ইসলাম যোগ দিতে পারে বলে দলটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর বাইরে ১০ থেকে ১২টি রাজনৈতিক দল এই জোটভুক্ত হবেন। তবে হেফাজতের বাইরে অন্য কোন রাজনৈতিক দলের নাম শোনা যায়নি।

জোট গঠনের বিষয়ে এখনও কোন আহ্বান পাননি জানিয়ে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, স্বাধীনতার মূল স্পিরিট ও বাহাত্তরের সংবিধানের চেতনা নিয়ে কোনো জোট যদি তৈরি হয় তবে সেটা গণতন্ত্রের পথ সুগম করবে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আলোচনা ফলপ্রসূ হলে গণমাধ্যমের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।’

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘জোট গঠনের উদ্যোগের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত। তবে এখনও তা আলোর মুখ দেখেনি। হয়তো দেখবে। বাসদ সে চেষ্টাই করে যাচ্ছে।’

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বলেন, ‘গেল এক বছর ধরেই এই আলোচনা হচ্ছে। অনেকে তাদের চিন্তার সঙ্গে ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন, অনেকে করেনি। নিবন্ধিত সকল দলকেই আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এখন দেখি আমাদের এই আহ্বানে কোন কোন দল সাড়া দেয়।’ (সূত্র: জাগোনিউজ)

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

নতুন তিন জোটের সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ১০:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০১৭

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের বাইরে নতুন তিন জোটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গণে। জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকা জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে একটি জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

অপরদিকে দুই জোটের বাইরে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ‘জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া’ নামে একটি নতুন জোট প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) একটি জোট প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বনানীতে একটি অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দেন। নতুন জোট প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রহুল আমিন হাওলাদার জানান, আমরা ইসলামী আদর্শ অক্ষুণ্ণ ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে পৃথক একটি জোটের কথা ভাবছি। ইতোমধ্যে আমাদের দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে দুইটি ইসলামী ভাবধারার দল যোগাযোগ করছে।

জাতীয় পার্টির জোটে হেফাজতে ইসলাম যোগ দিতে পারে বলে দলটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর বাইরে ১০ থেকে ১২টি রাজনৈতিক দল এই জোটভুক্ত হবেন। তবে হেফাজতের বাইরে অন্য কোন রাজনৈতিক দলের নাম শোনা যায়নি।

জোট গঠনের বিষয়ে এখনও কোন আহ্বান পাননি জানিয়ে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, স্বাধীনতার মূল স্পিরিট ও বাহাত্তরের সংবিধানের চেতনা নিয়ে কোনো জোট যদি তৈরি হয় তবে সেটা গণতন্ত্রের পথ সুগম করবে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আলোচনা ফলপ্রসূ হলে গণমাধ্যমের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।’

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘জোট গঠনের উদ্যোগের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত। তবে এখনও তা আলোর মুখ দেখেনি। হয়তো দেখবে। বাসদ সে চেষ্টাই করে যাচ্ছে।’

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বলেন, ‘গেল এক বছর ধরেই এই আলোচনা হচ্ছে। অনেকে তাদের চিন্তার সঙ্গে ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন, অনেকে করেনি। নিবন্ধিত সকল দলকেই আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এখন দেখি আমাদের এই আহ্বানে কোন কোন দল সাড়া দেয়।’ (সূত্র: জাগোনিউজ)