ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

সাংবাদিক হত্যায় মেয়র মিরু ও তার ভাই ফের রিমান্ডে


সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সমকাল সাংবাদিক আবদুল হাকিম শিমুল হত্যা মামলায় শাহজাদপুর পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরু ও তাঁর ছোট ভাইকে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। মেয়রের ছোট ভাই হাবিবুল হক মিন্টু পাবনা জেলা জাসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সিরাজগঞ্জ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম আসামীদের উপস্থিতিতে দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মনিরুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মেয়র মিরু ও মিন্টুকে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। এর আগে গত ১৩ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি দুই দফায় মেয়র মিরুসহ আট আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি আবুল কাশেম জানান, শাহজাদপুর উপজেলা আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম হাসিবুল হক সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ঢাকায় গেছেন। এ কারণে সিরাজগঞ্জ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে হালিমুল হক মিরু ও তার ভাই হাসিবুল হক মিন্টুর রিমান্ড শুনানি হয়। এজন্য কারাগার থেকে তাঁদের শাহজাদপুর আদালতের পরিবর্তে সিরাজগঞ্জ আদালতে নেওয়া হয়েছে।

গত ২ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ছাত্রলীগ ও মেয়র গ্রুপের সংঘর্ষে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দৈনিক সমকালের সাংবাদিক শিমুল গুরুতর আহত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় সাংবাদিক শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহার বেগম বাদী হয়ে পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরুকে প্রধান আসামি করে ১৮ জন অজ্ঞাতনামাসহ আরো ২০-২৫ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় আহত বিজয় মাহমুদের চাচা এরশাদ আলীও প্রায় একই আসামিদের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন। এ দুটি মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ১২জনকে আটক করেছে। সবাই সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

সাংবাদিক হত্যায় মেয়র মিরু ও তার ভাই ফের রিমান্ডে

আপডেট সময় : ০৮:১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সমকাল সাংবাদিক আবদুল হাকিম শিমুল হত্যা মামলায় শাহজাদপুর পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরু ও তাঁর ছোট ভাইকে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। মেয়রের ছোট ভাই হাবিবুল হক মিন্টু পাবনা জেলা জাসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সিরাজগঞ্জ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম আসামীদের উপস্থিতিতে দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মনিরুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মেয়র মিরু ও মিন্টুকে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। এর আগে গত ১৩ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি দুই দফায় মেয়র মিরুসহ আট আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি আবুল কাশেম জানান, শাহজাদপুর উপজেলা আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম হাসিবুল হক সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ঢাকায় গেছেন। এ কারণে সিরাজগঞ্জ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে হালিমুল হক মিরু ও তার ভাই হাসিবুল হক মিন্টুর রিমান্ড শুনানি হয়। এজন্য কারাগার থেকে তাঁদের শাহজাদপুর আদালতের পরিবর্তে সিরাজগঞ্জ আদালতে নেওয়া হয়েছে।

গত ২ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ছাত্রলীগ ও মেয়র গ্রুপের সংঘর্ষে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দৈনিক সমকালের সাংবাদিক শিমুল গুরুতর আহত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় সাংবাদিক শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহার বেগম বাদী হয়ে পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরুকে প্রধান আসামি করে ১৮ জন অজ্ঞাতনামাসহ আরো ২০-২৫ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় আহত বিজয় মাহমুদের চাচা এরশাদ আলীও প্রায় একই আসামিদের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন। এ দুটি মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ১২জনকে আটক করেছে। সবাই সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন।