ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

এই সিইসির অধীনে নির্বাচনও একতরফা হবে: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক,
নতুন সিইসি কে এম নুরুল হুদার অধীনে হলে দশম সংসদ নির্বাচনের মতো আগামী জাতীয় নির্বাচনও একতরফা হবে বলে মনে করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, নতুন সিইসি নিয়োগ পাওয়ার পর তার বিভিন্ন বক্তব্যে প্রমাণ হয়েছে তিনি আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত।

শুক্রবার দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন রিজভী। তিনি বলেন, গত নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের নির্বাচনকে শোকের মাতমে পরিণত করেছিলেন। আর এবার যিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হয়েছেন, তিনি দলীয় চেতনায় কাজী রকিবের চেয়ে এগিয়ে।

সার্চ কমিটির সুপারিশের পর গত সোমবার কে এম নুরুল হুদাকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এদের মধ্যে একজন সদস্য আওয়ামী লীগের সুপারিশে এবং একজন বিএনপির সুপারিশে নিয়োগ পেয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নাম ছিল তরীকত ফেডারেশনের সুপারিশে।

এই কমিশনের পাঁচ সদস্যের মধ্যে বিএনপি আপত্তি জানাচ্ছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে। দলটির দাবি ১৯৯৬ সালে বিএনপিবিরোধী আন্দোলনের সময় গঠিত জনতার মঞ্চে তিনি যোগ দিয়েছিলেন। যদিও নতুন সিইসি বলেছেন তিনি তখন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ছিলেন। তাই ঢাকার এই আন্দোলনে তার পক্ষে যোগ দেয়া সম্ভব ছিল না।

রিজভী বলেন, ‘যিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হলেন তিনি আওয়ামী দলীয় চেতনায় কাজী রকিবউদ্দিন এর চেয়েও আরো কয়েক ধাপ অগ্রবর্তী। নূরুল হুদা কমিটেড আওয়ামী লীগার। তার অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে দেশের মানুষের মধ্যে আস্থার সৃষ্টি হয়নি।’

রিজভী বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘোষণার পরপরই তার বিভিন্ন বক্তব্যে তিনি যে কমিটেড আওয়ামী লীগার সেটি ফুটে উঠেছে। তার অধীনে নির্বাচন হলে সেটি ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচনই হবে।’

রিজভী বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে ও সরকারের হুকুমে রকিবউদ্দীন নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। রক্তরঞ্জিত করেছেন ভোটকে। এদেশে নির্বাচনী উৎসবকে তিনি কারবালার মতো শোকের মাতমে পরিণত করেছেন। তিনি ৫ জানুয়ারি তামাশার নির্বাচনসহ সকল নির্বাচনে লাশ ও রক্তাক্ত নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। যেটি ইতিহাসে বিবর্ণ কালো অধ্যায় হয়ে রয়েছে। জাতি কাজী রকিবউদ্দিনকে কোনদিন ক্ষমা করবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম

এই সিইসির অধীনে নির্বাচনও একতরফা হবে: রিজভী

আপডেট সময় : ০৫:১২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক,
নতুন সিইসি কে এম নুরুল হুদার অধীনে হলে দশম সংসদ নির্বাচনের মতো আগামী জাতীয় নির্বাচনও একতরফা হবে বলে মনে করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, নতুন সিইসি নিয়োগ পাওয়ার পর তার বিভিন্ন বক্তব্যে প্রমাণ হয়েছে তিনি আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত।

শুক্রবার দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন রিজভী। তিনি বলেন, গত নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের নির্বাচনকে শোকের মাতমে পরিণত করেছিলেন। আর এবার যিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হয়েছেন, তিনি দলীয় চেতনায় কাজী রকিবের চেয়ে এগিয়ে।

সার্চ কমিটির সুপারিশের পর গত সোমবার কে এম নুরুল হুদাকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এদের মধ্যে একজন সদস্য আওয়ামী লীগের সুপারিশে এবং একজন বিএনপির সুপারিশে নিয়োগ পেয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নাম ছিল তরীকত ফেডারেশনের সুপারিশে।

এই কমিশনের পাঁচ সদস্যের মধ্যে বিএনপি আপত্তি জানাচ্ছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে। দলটির দাবি ১৯৯৬ সালে বিএনপিবিরোধী আন্দোলনের সময় গঠিত জনতার মঞ্চে তিনি যোগ দিয়েছিলেন। যদিও নতুন সিইসি বলেছেন তিনি তখন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ছিলেন। তাই ঢাকার এই আন্দোলনে তার পক্ষে যোগ দেয়া সম্ভব ছিল না।

রিজভী বলেন, ‘যিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হলেন তিনি আওয়ামী দলীয় চেতনায় কাজী রকিবউদ্দিন এর চেয়েও আরো কয়েক ধাপ অগ্রবর্তী। নূরুল হুদা কমিটেড আওয়ামী লীগার। তার অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে দেশের মানুষের মধ্যে আস্থার সৃষ্টি হয়নি।’

রিজভী বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘোষণার পরপরই তার বিভিন্ন বক্তব্যে তিনি যে কমিটেড আওয়ামী লীগার সেটি ফুটে উঠেছে। তার অধীনে নির্বাচন হলে সেটি ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচনই হবে।’

রিজভী বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে ও সরকারের হুকুমে রকিবউদ্দীন নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। রক্তরঞ্জিত করেছেন ভোটকে। এদেশে নির্বাচনী উৎসবকে তিনি কারবালার মতো শোকের মাতমে পরিণত করেছেন। তিনি ৫ জানুয়ারি তামাশার নির্বাচনসহ সকল নির্বাচনে লাশ ও রক্তাক্ত নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। যেটি ইতিহাসে বিবর্ণ কালো অধ্যায় হয়ে রয়েছে। জাতি কাজী রকিবউদ্দিনকে কোনদিন ক্ষমা করবে না।