ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

স্বর্ণের খনির সন্ধান পেল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সাবেক খনিজ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইব্রাহিম হাসান মুরাদ সিন্ধু নদের অববাহিকায় ৩২ কিলোমিটার বিস্তৃত এক স্বর্ণের খনির সন্ধান মিলেছে বলে দাবি করেছেন । তার দাবি অনুযায়ী, পাঞ্জাবের অ্যাটকে সন্ধান পাওয়া খনিতে অন্তত ২৮ লাখ তোলা স্বর্ণের মজুদ আছে, যার মূল্য প্রায় ৮০০ বিলিয়ন রুপি। পাঞ্জাবের বর্তমান খনিজ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী সরদার শের আলি গোরচানিও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ব্যাপক গবেষণার মাধ্যমে স্বর্ণের খনির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে জিও নিউজ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় পাঞ্জাবে সাবেক খনিজ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইব্রাহিম হাসান মুরাদ বলেন, সিন্ধু নদের পাঞ্জাব অংশের অববাহিকা এলাকার ৩২ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত এই খনিতে অন্তত ২৮ লাখ ভরি (প্রায় ৩৩ টন) স্বর্ণ মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশের বর্তমান বাজারে এই পরিমাণ স্বর্ণের দাম ৮ হাজার কোটি পাকিস্তানি রুপি। পাকিস্তানের ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থা জিওলজিক্যাল সার্ভে অব পাকিস্তান (জিএসপি) এই জরিপ পরিচালনা করেছে। সিন্ধু নদের পাঞ্জাবের তীরবর্তী অঞ্চলের ১২৭টি জায়গার নমুনা সংগ্রহ ও তা পরীক্ষার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে এসেছে জিএসপি।

তিনি আরও বলেন, এই আবিষ্কার পাঞ্জাবের প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে তুলে ধরেছে। এটি পাকিস্তানের খনিজসম্পদ ব্যবহারের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করবে।

এদিকে বর্তমান প্রাদেশিক খনিজ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী সরদার শের আলি গোরচানি দৈনিক জং-কে জানান, স্বর্ণের মজুদ নিশ্চিত করতে সরকার গবেষণার ওপর জোর দিয়েছে। স্বর্ণের খনি থেকে চুরি রোধে সরকার ইতোমধ্যে ১৪৪ ধারা আরোপ করেছে।

তিনি আরও বলেন, অ্যাটকে আবিষ্কৃত স্বর্ণ খনি আন্তর্জাতিকভাবে নিলামে তোলা হবে। এই নিলাম সম্পর্কে তথ্য প্রচার করা হবে এবং একটি নিলাম কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে থাকবেন অ্যাটকের ডেপুটি কমিশনার।

ইতোমধ্যে নিলামের নিয়ম প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এই নিয়ম পাঞ্জাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পাবে বলেও জানিয়েছেন পাঞ্জাবের বর্তমান খনিজ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

স্বর্ণের খনির সন্ধান পেল পাকিস্তান

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সাবেক খনিজ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইব্রাহিম হাসান মুরাদ সিন্ধু নদের অববাহিকায় ৩২ কিলোমিটার বিস্তৃত এক স্বর্ণের খনির সন্ধান মিলেছে বলে দাবি করেছেন । তার দাবি অনুযায়ী, পাঞ্জাবের অ্যাটকে সন্ধান পাওয়া খনিতে অন্তত ২৮ লাখ তোলা স্বর্ণের মজুদ আছে, যার মূল্য প্রায় ৮০০ বিলিয়ন রুপি। পাঞ্জাবের বর্তমান খনিজ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী সরদার শের আলি গোরচানিও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ব্যাপক গবেষণার মাধ্যমে স্বর্ণের খনির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে জিও নিউজ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় পাঞ্জাবে সাবেক খনিজ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইব্রাহিম হাসান মুরাদ বলেন, সিন্ধু নদের পাঞ্জাব অংশের অববাহিকা এলাকার ৩২ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত এই খনিতে অন্তত ২৮ লাখ ভরি (প্রায় ৩৩ টন) স্বর্ণ মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশের বর্তমান বাজারে এই পরিমাণ স্বর্ণের দাম ৮ হাজার কোটি পাকিস্তানি রুপি। পাকিস্তানের ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থা জিওলজিক্যাল সার্ভে অব পাকিস্তান (জিএসপি) এই জরিপ পরিচালনা করেছে। সিন্ধু নদের পাঞ্জাবের তীরবর্তী অঞ্চলের ১২৭টি জায়গার নমুনা সংগ্রহ ও তা পরীক্ষার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে এসেছে জিএসপি।

তিনি আরও বলেন, এই আবিষ্কার পাঞ্জাবের প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে তুলে ধরেছে। এটি পাকিস্তানের খনিজসম্পদ ব্যবহারের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করবে।

এদিকে বর্তমান প্রাদেশিক খনিজ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী সরদার শের আলি গোরচানি দৈনিক জং-কে জানান, স্বর্ণের মজুদ নিশ্চিত করতে সরকার গবেষণার ওপর জোর দিয়েছে। স্বর্ণের খনি থেকে চুরি রোধে সরকার ইতোমধ্যে ১৪৪ ধারা আরোপ করেছে।

তিনি আরও বলেন, অ্যাটকে আবিষ্কৃত স্বর্ণ খনি আন্তর্জাতিকভাবে নিলামে তোলা হবে। এই নিলাম সম্পর্কে তথ্য প্রচার করা হবে এবং একটি নিলাম কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে থাকবেন অ্যাটকের ডেপুটি কমিশনার।

ইতোমধ্যে নিলামের নিয়ম প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এই নিয়ম পাঞ্জাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পাবে বলেও জানিয়েছেন পাঞ্জাবের বর্তমান খনিজ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী।