ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজন হত্যার রায় ৮ই নভেম্বর

2041
শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক শেষে আগামী ৮ই নভেম্বর রায়ের দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে রায়ের দিন ধার্য করেন মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধা। আগের দিন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা গ্রেপ্তার ১১ আসামির মধ্যে নয় জনের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। সিলেটের পিপি মফুর আলী সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার আদালতে গ্রেপ্তার বাকি দুজন ও পলাতক দুজনের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক ৮ই নভেম্বর রায়ের দিন ঠিক করেন। গত ১ অক্টোবর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ৩৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৬ জন সাক্ষ্য দেন আদালতে। গত ৮ই জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে সামিউল আলম রাজনকে নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ গুম করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হন কামরুলের ভাই মুহিত আলম। নির্যাতনের ২৮ মিনিটের ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশে-বিদেশে নিন্দার ঝড় ওঠে। নিহত রাজন সদর উপজেলার কান্দিরগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামের আজিজুল ইসলাম আলমের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের পর মহানগরীর জালালাবাদ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে মুহিত আলমসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজন হত্যার রায় ৮ই নভেম্বর

আপডেট সময় : ১০:১০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৫

2041
শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক শেষে আগামী ৮ই নভেম্বর রায়ের দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে রায়ের দিন ধার্য করেন মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধা। আগের দিন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা গ্রেপ্তার ১১ আসামির মধ্যে নয় জনের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। সিলেটের পিপি মফুর আলী সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার আদালতে গ্রেপ্তার বাকি দুজন ও পলাতক দুজনের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক ৮ই নভেম্বর রায়ের দিন ঠিক করেন। গত ১ অক্টোবর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ৩৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৬ জন সাক্ষ্য দেন আদালতে। গত ৮ই জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে সামিউল আলম রাজনকে নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ গুম করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হন কামরুলের ভাই মুহিত আলম। নির্যাতনের ২৮ মিনিটের ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশে-বিদেশে নিন্দার ঝড় ওঠে। নিহত রাজন সদর উপজেলার কান্দিরগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামের আজিজুল ইসলাম আলমের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের পর মহানগরীর জালালাবাদ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে মুহিত আলমসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।