ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

ছেলের শোক ভুলে কি করলেন বিচারক?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: কিশোর ছেলের অকাল মৃত্যুতে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিলেন ভারতের এক বিচারক। কিন্তু তারপর শোক ভুলে তিনি যেটা করলেন তা অনেক বাবাই পারবেন। হয়ত বিচারক বলেই এতটা সমাজ সচেতনতা দেখানোর সাহস পেয়েছিলেন দিল্লির গুরুগ্রামের অতিরিক্ত দায়রা আদালতের ওই বিচারক।

সম্প্রতি দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন বিচারকের সহধর্মিনী। গুলিতে ঝাঁঝরা শরীর নিয়ে গত ৫ দিন হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ছিলেন ১৮ বছর বয়সী ছেলে। পরিবার হারানোর শোকের মধ্যেও অঙ্গদান করে নজির গড়লেন ওই বিচারক। ব্রেন ডেথ হওয়া ছেলের লিভার, কিডনি এবং হার্ট হাসপাতালে দান করেছেন তিনি।

গত ১৩ অক্টোবর মায়ের সঙ্গে শপিং করতে গিয়েছিলেন ছেলে। নিরাপত্তার জন্য তাদের সঙ্গে ছিল এক নিরাপত্তারক্ষীও। গুরুগ্রামের সেক্টর ৪৯-এর সামনে বাজারে গাড়ি থেকে নামার পরই বিচারকের স্ত্রী রীতু ও ছেলে ধ্রুবকে লক্ষ্য করে গুলি চালান দেহরক্ষী মহীপাল সিংহ।

ওইদিনই হাসপাতালে মৃত্যু হয় বিচারকের স্ত্রীর। চিকিৎসকেরা ছেলে ধ্রুবের ব্রেন ডেথ ঘোষণা করেন। এরপরও তাকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। গত ৫ দিন পর মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ছেলে হারানোর শোকে ভেঙে পড়েছেন ওই বিচারক। কিন্তু তারপরও সমাজের প্রতি নিজের কর্তব্য ভুলে যাননি। হাসপাতালে ছেলের লিভার, কিডনি এবং হার্ট দান করেন।

এদিকে ১৩ অক্টোবর ওই ঘটনার পরই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বিচারকের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীকে। তিনি এখনও পুলিশি হেফাজতেই রয়েছেন।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, বিচারকের পরিবার তার ওপর অনেক মানসিক চাপ সৃষ্টি করত। তারা তাকে অসুস্থ মেয়েকে দেখতে যাওয়ার জন্যও ছুটি দেননি। সে কারণেই তিনি তাদের হত্যা করার জন্য গুলি করেন।

সূত্র: আনন্দবাজার

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম

ছেলের শোক ভুলে কি করলেন বিচারক?

আপডেট সময় : ০৩:২৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: কিশোর ছেলের অকাল মৃত্যুতে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিলেন ভারতের এক বিচারক। কিন্তু তারপর শোক ভুলে তিনি যেটা করলেন তা অনেক বাবাই পারবেন। হয়ত বিচারক বলেই এতটা সমাজ সচেতনতা দেখানোর সাহস পেয়েছিলেন দিল্লির গুরুগ্রামের অতিরিক্ত দায়রা আদালতের ওই বিচারক।

সম্প্রতি দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন বিচারকের সহধর্মিনী। গুলিতে ঝাঁঝরা শরীর নিয়ে গত ৫ দিন হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ছিলেন ১৮ বছর বয়সী ছেলে। পরিবার হারানোর শোকের মধ্যেও অঙ্গদান করে নজির গড়লেন ওই বিচারক। ব্রেন ডেথ হওয়া ছেলের লিভার, কিডনি এবং হার্ট হাসপাতালে দান করেছেন তিনি।

গত ১৩ অক্টোবর মায়ের সঙ্গে শপিং করতে গিয়েছিলেন ছেলে। নিরাপত্তার জন্য তাদের সঙ্গে ছিল এক নিরাপত্তারক্ষীও। গুরুগ্রামের সেক্টর ৪৯-এর সামনে বাজারে গাড়ি থেকে নামার পরই বিচারকের স্ত্রী রীতু ও ছেলে ধ্রুবকে লক্ষ্য করে গুলি চালান দেহরক্ষী মহীপাল সিংহ।

ওইদিনই হাসপাতালে মৃত্যু হয় বিচারকের স্ত্রীর। চিকিৎসকেরা ছেলে ধ্রুবের ব্রেন ডেথ ঘোষণা করেন। এরপরও তাকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। গত ৫ দিন পর মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ছেলে হারানোর শোকে ভেঙে পড়েছেন ওই বিচারক। কিন্তু তারপরও সমাজের প্রতি নিজের কর্তব্য ভুলে যাননি। হাসপাতালে ছেলের লিভার, কিডনি এবং হার্ট দান করেন।

এদিকে ১৩ অক্টোবর ওই ঘটনার পরই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বিচারকের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীকে। তিনি এখনও পুলিশি হেফাজতেই রয়েছেন।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, বিচারকের পরিবার তার ওপর অনেক মানসিক চাপ সৃষ্টি করত। তারা তাকে অসুস্থ মেয়েকে দেখতে যাওয়ার জন্যও ছুটি দেননি। সে কারণেই তিনি তাদের হত্যা করার জন্য গুলি করেন।

সূত্র: আনন্দবাজার