ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

শেরপুরের সহিংসতার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত চায় বিএনপি

শেরপুরে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমীন। তিনি বলেন, চেয়ারে বসার মতো একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত।

বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমীন অভিযোগ করেন, নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে সব রাজনৈতিক দলের জন্য নির্ধারিত আসন থাকা সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীরা আগে থেকেই সব চেয়ার দখল করে রাখেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য নির্ধারিত আসন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান। প্রশাসন বারবার অনুরোধ করলেও তারা তা মানেননি।

তিনি বলেন, আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম গণঅভ্যুত্থানের পর একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল নির্বাচনি পরিবেশ। কিন্তু শেরপুরের ঘটনাটি সেই প্রত্যাশাকে ব্যাহত করেছে।

শেরপুরের সংঘর্ষ প্রসঙ্গে মাহদী আমীন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, জামায়াতের প্রার্থীকে সংঘাত এড়াতে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য পুলিশ, প্রশাসন, সেনাবাহিনী এবং বিএনপির সিনিয়র নেতারা বারবার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু সব অনুরোধ উপেক্ষা করে তিনি সংঘাতপূর্ণ পথেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি, আগে থেকেই লাঠিসোঁটা প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো। তাহলে প্রশ্ন ওঠে—এই সংঘাত কি পরিকল্পিত ছিল? কারা এতে মদদ দিয়েছে? কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হলো—এসব বিষয়ে জনমনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

এ ঘটনায় একজন নিহত ও বিএনপির ৪০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন উল্লেখ করে মাহদী আমীন বলেন, নিহত ব্যক্তি যে দলেরই হোন না কেনো, প্রাণহানি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আহতদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি দ্রুত, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেনো আর কোথাও না ঘটে, সেজন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আমরা জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

শেরপুরের সহিংসতার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত চায় বিএনপি

আপডেট সময় : ০১:৩৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

শেরপুরে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমীন। তিনি বলেন, চেয়ারে বসার মতো একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত।

বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমীন অভিযোগ করেন, নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে সব রাজনৈতিক দলের জন্য নির্ধারিত আসন থাকা সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীরা আগে থেকেই সব চেয়ার দখল করে রাখেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য নির্ধারিত আসন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান। প্রশাসন বারবার অনুরোধ করলেও তারা তা মানেননি।

তিনি বলেন, আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম গণঅভ্যুত্থানের পর একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল নির্বাচনি পরিবেশ। কিন্তু শেরপুরের ঘটনাটি সেই প্রত্যাশাকে ব্যাহত করেছে।

শেরপুরের সংঘর্ষ প্রসঙ্গে মাহদী আমীন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, জামায়াতের প্রার্থীকে সংঘাত এড়াতে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য পুলিশ, প্রশাসন, সেনাবাহিনী এবং বিএনপির সিনিয়র নেতারা বারবার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু সব অনুরোধ উপেক্ষা করে তিনি সংঘাতপূর্ণ পথেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি, আগে থেকেই লাঠিসোঁটা প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো। তাহলে প্রশ্ন ওঠে—এই সংঘাত কি পরিকল্পিত ছিল? কারা এতে মদদ দিয়েছে? কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হলো—এসব বিষয়ে জনমনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

এ ঘটনায় একজন নিহত ও বিএনপির ৪০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন উল্লেখ করে মাহদী আমীন বলেন, নিহত ব্যক্তি যে দলেরই হোন না কেনো, প্রাণহানি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আহতদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি দ্রুত, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেনো আর কোথাও না ঘটে, সেজন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আমরা জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।