ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

শেখ হাসিনা-অ্যাঙ্গেলা মার্কেল বৈঠক ১৮ ফেব্রুয়ারি

শেখ শাহরিয়ার জামান

শেখ হাসিনা-অ্যাঙ্গেলা মার্কেল
জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিতব্য সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দিতে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি জার্মানি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন (১৮ ফেব্রুয়ারি) তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে বসবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী ও পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক।

যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ শক্তির প্রতীক ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়, ব্রেক্সিট ও ইউরোপসহ সারাবিশ্বের অভিবাসন সংকট ইস্যুতে বাংলাদেশের কূটনীতিকরা হাসিনা-মার্কেল বৈঠককে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এর আগেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার মার্কেলের বৈঠক হয়েছে। কিন্তু এবারের বিশ্ব প্রেক্ষাপট ভিন্ন।’ তিনি বলেন, ‘জার্মানি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি বাজার। সেখানে প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ইউরো মূল্যমানের বাংলাদেশি পণ্য রফতানি হয়। এছাড়া বাংলাদেশ প্রায় এক বিলিয়ন ইউরোর মতো পণ্য জার্মানি থেকে আমদানি করে। বার্লিন আমাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সহায়তা দেয়।’ তিনি বলেন, ‘জার্মানির সঙ্গে বাংলাদেশের কণ্টকপূর্ণ ইস্যু নেই। সে কারণে আলোচনার পরিধি দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

অভিবাসন সংকট শুধু ইউরোপের নয় উল্লেখ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এই সমস্যা সারাবিশ্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।’

জানা গেছে, এবারের মিউনিখ কনফারেন্সে বিভিন্ন দেশের ৫ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেবেন। এরমধ্যে রয়েছেন পোলান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদা, আফগান প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ আশরাফ ঘানি, নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সোলবার্গ, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স, প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস, হোমল্যান্ড সিকিউরিটির প্রধান জন কেলি, জাতিসংঘের মহাসচিব এন্টোনিও গুটেরেস, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ, বিল গেটস প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (জিএফএমডি) নবম সম্মেলন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বছর অনুষ্ঠিত হবে জার্মানিতে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৩ সাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ মীমাংসা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য মিউনিখ কনফারেন্স একটি স্বাধীন ফোরাম হিসাবে কাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

শেখ হাসিনা-অ্যাঙ্গেলা মার্কেল বৈঠক ১৮ ফেব্রুয়ারি

আপডেট সময় : ০৭:২৫:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

শেখ শাহরিয়ার জামান

শেখ হাসিনা-অ্যাঙ্গেলা মার্কেল
জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিতব্য সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দিতে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি জার্মানি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন (১৮ ফেব্রুয়ারি) তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে বসবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী ও পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক।

যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ শক্তির প্রতীক ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়, ব্রেক্সিট ও ইউরোপসহ সারাবিশ্বের অভিবাসন সংকট ইস্যুতে বাংলাদেশের কূটনীতিকরা হাসিনা-মার্কেল বৈঠককে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এর আগেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার মার্কেলের বৈঠক হয়েছে। কিন্তু এবারের বিশ্ব প্রেক্ষাপট ভিন্ন।’ তিনি বলেন, ‘জার্মানি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি বাজার। সেখানে প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ইউরো মূল্যমানের বাংলাদেশি পণ্য রফতানি হয়। এছাড়া বাংলাদেশ প্রায় এক বিলিয়ন ইউরোর মতো পণ্য জার্মানি থেকে আমদানি করে। বার্লিন আমাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সহায়তা দেয়।’ তিনি বলেন, ‘জার্মানির সঙ্গে বাংলাদেশের কণ্টকপূর্ণ ইস্যু নেই। সে কারণে আলোচনার পরিধি দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

অভিবাসন সংকট শুধু ইউরোপের নয় উল্লেখ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এই সমস্যা সারাবিশ্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।’

জানা গেছে, এবারের মিউনিখ কনফারেন্সে বিভিন্ন দেশের ৫ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেবেন। এরমধ্যে রয়েছেন পোলান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদা, আফগান প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ আশরাফ ঘানি, নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সোলবার্গ, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স, প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস, হোমল্যান্ড সিকিউরিটির প্রধান জন কেলি, জাতিসংঘের মহাসচিব এন্টোনিও গুটেরেস, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ, বিল গেটস প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (জিএফএমডি) নবম সম্মেলন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বছর অনুষ্ঠিত হবে জার্মানিতে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৩ সাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ মীমাংসা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য মিউনিখ কনফারেন্স একটি স্বাধীন ফোরাম হিসাবে কাজ করছে।