ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

শাস্তি হিসেবে বই কিনতে ও পড়তে হবে

1055
জেল জরিমানার বদলে অপরাধীদের বাধ্যতামূলক বই কেনা ও পড়ার শাস্তি দিচ্ছেন ইরানের এক বিচারক। তার আদালতে আসা অপরাধীদের পাঁচটি করে বই কিনতে হবে। শুধু বই কিনলেই হবে না তা পড়া হয়েছে কিনা তার প্রমাণ হিসেবে বই গুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখে তা বিচারকের কাছে জমাও দিতে হবে। হাদিস থেকে শিক্ষণীয় বানী তাদের লেখায় উল্লেখ করতে হবে। বই গুলো পড়া হয়ে গেলে তা আবার স্থানীয় কারাগারে দান করতে হবে। বিচারক কাশেম নাকিজাদেহ বলেছেন, কারাদণ্ডের মানসিক ও শারীরিক প্রভাব পড়ে ব্যক্তি ও তার পরিবারের উপরে। যা থেকে মুক্তি খুব কঠিন। মূলত প্রথমবারের অপরাধ, লঘু অপরাধ ও অল্পবয়সীদের ক্ষেত্রে তিনি এই সাজা দিচ্ছেন। জাজ নাকিজাদেহ বলছেন, সহজ ভাষায় লেখা বই ও বিজ্ঞানভিত্তিক বই কিনতে তাদের উৎসাহিত করা হয়। কারাগারে দান করা বইগুলোও কাজে আসে কারণ বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হলে কারাবন্দীরা ঝগড়া বিবাদে কম জড়ায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ বলছে ইরানে কাছাকাছি সময়ে নতুন একটি আইনের আওতায় বিচারকরা বিকল্প সাজার ব্যবস্থা করতে পারেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

শাস্তি হিসেবে বই কিনতে ও পড়তে হবে

আপডেট সময় : ০৯:২৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1055
জেল জরিমানার বদলে অপরাধীদের বাধ্যতামূলক বই কেনা ও পড়ার শাস্তি দিচ্ছেন ইরানের এক বিচারক। তার আদালতে আসা অপরাধীদের পাঁচটি করে বই কিনতে হবে। শুধু বই কিনলেই হবে না তা পড়া হয়েছে কিনা তার প্রমাণ হিসেবে বই গুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখে তা বিচারকের কাছে জমাও দিতে হবে। হাদিস থেকে শিক্ষণীয় বানী তাদের লেখায় উল্লেখ করতে হবে। বই গুলো পড়া হয়ে গেলে তা আবার স্থানীয় কারাগারে দান করতে হবে। বিচারক কাশেম নাকিজাদেহ বলেছেন, কারাদণ্ডের মানসিক ও শারীরিক প্রভাব পড়ে ব্যক্তি ও তার পরিবারের উপরে। যা থেকে মুক্তি খুব কঠিন। মূলত প্রথমবারের অপরাধ, লঘু অপরাধ ও অল্পবয়সীদের ক্ষেত্রে তিনি এই সাজা দিচ্ছেন। জাজ নাকিজাদেহ বলছেন, সহজ ভাষায় লেখা বই ও বিজ্ঞানভিত্তিক বই কিনতে তাদের উৎসাহিত করা হয়। কারাগারে দান করা বইগুলোও কাজে আসে কারণ বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হলে কারাবন্দীরা ঝগড়া বিবাদে কম জড়ায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ বলছে ইরানে কাছাকাছি সময়ে নতুন একটি আইনের আওতায় বিচারকরা বিকল্প সাজার ব্যবস্থা করতে পারেন।